ঢাকা ১২:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

ভিয়েতনাম থেকে আমদানি করা ১২ হাজার ৭০০ টন চাল দেশে পৌঁছেছে, শুরু হচ্ছে খালাস

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৫১:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫
  • / 564

ছবি সংগৃহীত

 

ভিয়েতনাম থেকে জি টু জি (সরকারি পর্যায়ে সরকার) চুক্তির আওতায় আমদানি করা আরও এক চালবোঝাই জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে। ‘এমভি এমডি সি’ নামের এই জাহাজটি ১২ হাজার ৭০০ টন আতপ চাল নিয়ে সোমবার সকালে বন্দরে ভিড়ে।

খাদ্য মন্ত্রণালয় জানায়, গত ৩ ফেব্রুয়ারি জি টু জি চুক্তির প্যাকেজ-১ অনুযায়ী ভিয়েতনামের সঙ্গে এক লাখ টন আতপ চাল আমদানির চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ইতিমধ্যে ৬০ হাজার টন চাল দেশে এসে পৌঁছেছে। বাকি চালও পর্যায়ক্রমে আসবে বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন  টানা বর্ষণে বিপর্যস্ত ২১ জেলার কৃষি, তলিয়ে গেছে কৃষকের স্বপ্ন ও ফসলি জমি

নতুন আসা চালের নমুনা পরীক্ষাও ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। গুণগত মান সন্তোষজনক হওয়ায় দ্রুত চাল খালাসের কাজ শুরু করা হবে। এ লক্ষ্যে বন্দরে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা ইমদাদ ইসলাম।

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার দেশের বাজারে চালের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তারই অংশ হিসেবে এ চাল আমদানি করা হচ্ছে বলে জানায় মন্ত্রণালয়। বাজারে চালের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং মজুদ পর্যাপ্ত রাখতে এই চাল আমদানিকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে চালের চাহিদা ও মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষাপটে জি টু জি চুক্তির মাধ্যমে চাল আমদানি সরকারের দূরদর্শী পদক্ষেপ। এতে করে একদিকে যেমন দেশের খাদ্য মজুদ শক্তিশালী হবে, অন্যদিকে বাজারও স্থিতিশীল থাকবে।

চাল খালাস শেষে তা দ্রুত ভোক্তা পর্যায়ে সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই চালগুলো সরকারি গুদামে পৌঁছে যাবে।

সরকার আশা করছে, এ ধরণের কার্যকর উদ্যোগের ফলে সাধারণ মানুষও উপকৃত হবেন এবং খাদ্যপণ্যের বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভিয়েতনাম থেকে আমদানি করা ১২ হাজার ৭০০ টন চাল দেশে পৌঁছেছে, শুরু হচ্ছে খালাস

আপডেট সময় ০৪:৫১:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫

 

ভিয়েতনাম থেকে জি টু জি (সরকারি পর্যায়ে সরকার) চুক্তির আওতায় আমদানি করা আরও এক চালবোঝাই জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে। ‘এমভি এমডি সি’ নামের এই জাহাজটি ১২ হাজার ৭০০ টন আতপ চাল নিয়ে সোমবার সকালে বন্দরে ভিড়ে।

খাদ্য মন্ত্রণালয় জানায়, গত ৩ ফেব্রুয়ারি জি টু জি চুক্তির প্যাকেজ-১ অনুযায়ী ভিয়েতনামের সঙ্গে এক লাখ টন আতপ চাল আমদানির চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ইতিমধ্যে ৬০ হাজার টন চাল দেশে এসে পৌঁছেছে। বাকি চালও পর্যায়ক্রমে আসবে বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন  ভারত থেকে আসল আরও ৯ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন চাল, মোট আমদানির পরিমাণ ছাড়াল প্রায় ৩ লাখ টন

নতুন আসা চালের নমুনা পরীক্ষাও ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। গুণগত মান সন্তোষজনক হওয়ায় দ্রুত চাল খালাসের কাজ শুরু করা হবে। এ লক্ষ্যে বন্দরে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা ইমদাদ ইসলাম।

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার দেশের বাজারে চালের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তারই অংশ হিসেবে এ চাল আমদানি করা হচ্ছে বলে জানায় মন্ত্রণালয়। বাজারে চালের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং মজুদ পর্যাপ্ত রাখতে এই চাল আমদানিকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে চালের চাহিদা ও মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষাপটে জি টু জি চুক্তির মাধ্যমে চাল আমদানি সরকারের দূরদর্শী পদক্ষেপ। এতে করে একদিকে যেমন দেশের খাদ্য মজুদ শক্তিশালী হবে, অন্যদিকে বাজারও স্থিতিশীল থাকবে।

চাল খালাস শেষে তা দ্রুত ভোক্তা পর্যায়ে সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই চালগুলো সরকারি গুদামে পৌঁছে যাবে।

সরকার আশা করছে, এ ধরণের কার্যকর উদ্যোগের ফলে সাধারণ মানুষও উপকৃত হবেন এবং খাদ্যপণ্যের বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।