ঢাকা ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

ভিয়েতনাম থেকে আমদানি করা ১২ হাজার ৭০০ টন চাল দেশে পৌঁছেছে, শুরু হচ্ছে খালাস

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৫১:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫
  • / 458

ছবি সংগৃহীত

 

ভিয়েতনাম থেকে জি টু জি (সরকারি পর্যায়ে সরকার) চুক্তির আওতায় আমদানি করা আরও এক চালবোঝাই জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে। ‘এমভি এমডি সি’ নামের এই জাহাজটি ১২ হাজার ৭০০ টন আতপ চাল নিয়ে সোমবার সকালে বন্দরে ভিড়ে।

খাদ্য মন্ত্রণালয় জানায়, গত ৩ ফেব্রুয়ারি জি টু জি চুক্তির প্যাকেজ-১ অনুযায়ী ভিয়েতনামের সঙ্গে এক লাখ টন আতপ চাল আমদানির চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ইতিমধ্যে ৬০ হাজার টন চাল দেশে এসে পৌঁছেছে। বাকি চালও পর্যায়ক্রমে আসবে বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন  ভিয়েতনাম থেকে আরও ২৯ হাজার মেট্রিক টন আতপ চাল চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে

নতুন আসা চালের নমুনা পরীক্ষাও ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। গুণগত মান সন্তোষজনক হওয়ায় দ্রুত চাল খালাসের কাজ শুরু করা হবে। এ লক্ষ্যে বন্দরে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা ইমদাদ ইসলাম।

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার দেশের বাজারে চালের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তারই অংশ হিসেবে এ চাল আমদানি করা হচ্ছে বলে জানায় মন্ত্রণালয়। বাজারে চালের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং মজুদ পর্যাপ্ত রাখতে এই চাল আমদানিকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে চালের চাহিদা ও মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষাপটে জি টু জি চুক্তির মাধ্যমে চাল আমদানি সরকারের দূরদর্শী পদক্ষেপ। এতে করে একদিকে যেমন দেশের খাদ্য মজুদ শক্তিশালী হবে, অন্যদিকে বাজারও স্থিতিশীল থাকবে।

চাল খালাস শেষে তা দ্রুত ভোক্তা পর্যায়ে সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই চালগুলো সরকারি গুদামে পৌঁছে যাবে।

সরকার আশা করছে, এ ধরণের কার্যকর উদ্যোগের ফলে সাধারণ মানুষও উপকৃত হবেন এবং খাদ্যপণ্যের বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভিয়েতনাম থেকে আমদানি করা ১২ হাজার ৭০০ টন চাল দেশে পৌঁছেছে, শুরু হচ্ছে খালাস

আপডেট সময় ০৪:৫১:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫

 

ভিয়েতনাম থেকে জি টু জি (সরকারি পর্যায়ে সরকার) চুক্তির আওতায় আমদানি করা আরও এক চালবোঝাই জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে। ‘এমভি এমডি সি’ নামের এই জাহাজটি ১২ হাজার ৭০০ টন আতপ চাল নিয়ে সোমবার সকালে বন্দরে ভিড়ে।

খাদ্য মন্ত্রণালয় জানায়, গত ৩ ফেব্রুয়ারি জি টু জি চুক্তির প্যাকেজ-১ অনুযায়ী ভিয়েতনামের সঙ্গে এক লাখ টন আতপ চাল আমদানির চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ইতিমধ্যে ৬০ হাজার টন চাল দেশে এসে পৌঁছেছে। বাকি চালও পর্যায়ক্রমে আসবে বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন  চালের দাম নিয়ন্ত্রণে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চাইলেন স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা

নতুন আসা চালের নমুনা পরীক্ষাও ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। গুণগত মান সন্তোষজনক হওয়ায় দ্রুত চাল খালাসের কাজ শুরু করা হবে। এ লক্ষ্যে বন্দরে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা ইমদাদ ইসলাম।

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার দেশের বাজারে চালের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তারই অংশ হিসেবে এ চাল আমদানি করা হচ্ছে বলে জানায় মন্ত্রণালয়। বাজারে চালের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং মজুদ পর্যাপ্ত রাখতে এই চাল আমদানিকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে চালের চাহিদা ও মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষাপটে জি টু জি চুক্তির মাধ্যমে চাল আমদানি সরকারের দূরদর্শী পদক্ষেপ। এতে করে একদিকে যেমন দেশের খাদ্য মজুদ শক্তিশালী হবে, অন্যদিকে বাজারও স্থিতিশীল থাকবে।

চাল খালাস শেষে তা দ্রুত ভোক্তা পর্যায়ে সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই চালগুলো সরকারি গুদামে পৌঁছে যাবে।

সরকার আশা করছে, এ ধরণের কার্যকর উদ্যোগের ফলে সাধারণ মানুষও উপকৃত হবেন এবং খাদ্যপণ্যের বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।