ঢাকা ১০:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব অর্থনীতির গণতন্ত্রায়নে বাড়বে করদাতা: উপদেষ্টা ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো ঢাকায়

ভিয়েতনাম থেকে আমদানি করা ১২ হাজার ৭০০ টন চাল দেশে পৌঁছেছে, শুরু হচ্ছে খালাস

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৫১:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫
  • / 697

ছবি সংগৃহীত

 

ভিয়েতনাম থেকে জি টু জি (সরকারি পর্যায়ে সরকার) চুক্তির আওতায় আমদানি করা আরও এক চালবোঝাই জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে। ‘এমভি এমডি সি’ নামের এই জাহাজটি ১২ হাজার ৭০০ টন আতপ চাল নিয়ে সোমবার সকালে বন্দরে ভিড়ে।

খাদ্য মন্ত্রণালয় জানায়, গত ৩ ফেব্রুয়ারি জি টু জি চুক্তির প্যাকেজ-১ অনুযায়ী ভিয়েতনামের সঙ্গে এক লাখ টন আতপ চাল আমদানির চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ইতিমধ্যে ৬০ হাজার টন চাল দেশে এসে পৌঁছেছে। বাকি চালও পর্যায়ক্রমে আসবে বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন  মাছ ধরার মৌসুমেও আশানুরূপ ফল নেই

নতুন আসা চালের নমুনা পরীক্ষাও ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। গুণগত মান সন্তোষজনক হওয়ায় দ্রুত চাল খালাসের কাজ শুরু করা হবে। এ লক্ষ্যে বন্দরে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা ইমদাদ ইসলাম।

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার দেশের বাজারে চালের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তারই অংশ হিসেবে এ চাল আমদানি করা হচ্ছে বলে জানায় মন্ত্রণালয়। বাজারে চালের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং মজুদ পর্যাপ্ত রাখতে এই চাল আমদানিকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে চালের চাহিদা ও মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষাপটে জি টু জি চুক্তির মাধ্যমে চাল আমদানি সরকারের দূরদর্শী পদক্ষেপ। এতে করে একদিকে যেমন দেশের খাদ্য মজুদ শক্তিশালী হবে, অন্যদিকে বাজারও স্থিতিশীল থাকবে।

চাল খালাস শেষে তা দ্রুত ভোক্তা পর্যায়ে সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই চালগুলো সরকারি গুদামে পৌঁছে যাবে।

সরকার আশা করছে, এ ধরণের কার্যকর উদ্যোগের ফলে সাধারণ মানুষও উপকৃত হবেন এবং খাদ্যপণ্যের বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভিয়েতনাম থেকে আমদানি করা ১২ হাজার ৭০০ টন চাল দেশে পৌঁছেছে, শুরু হচ্ছে খালাস

আপডেট সময় ০৪:৫১:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫

 

ভিয়েতনাম থেকে জি টু জি (সরকারি পর্যায়ে সরকার) চুক্তির আওতায় আমদানি করা আরও এক চালবোঝাই জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে। ‘এমভি এমডি সি’ নামের এই জাহাজটি ১২ হাজার ৭০০ টন আতপ চাল নিয়ে সোমবার সকালে বন্দরে ভিড়ে।

খাদ্য মন্ত্রণালয় জানায়, গত ৩ ফেব্রুয়ারি জি টু জি চুক্তির প্যাকেজ-১ অনুযায়ী ভিয়েতনামের সঙ্গে এক লাখ টন আতপ চাল আমদানির চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ইতিমধ্যে ৬০ হাজার টন চাল দেশে এসে পৌঁছেছে। বাকি চালও পর্যায়ক্রমে আসবে বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন  চীনের আগ্রহ: বাংলাদেশ থেকে ইলিশ আমদানির পরিকল্পনা

নতুন আসা চালের নমুনা পরীক্ষাও ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। গুণগত মান সন্তোষজনক হওয়ায় দ্রুত চাল খালাসের কাজ শুরু করা হবে। এ লক্ষ্যে বন্দরে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা ইমদাদ ইসলাম।

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার দেশের বাজারে চালের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তারই অংশ হিসেবে এ চাল আমদানি করা হচ্ছে বলে জানায় মন্ত্রণালয়। বাজারে চালের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং মজুদ পর্যাপ্ত রাখতে এই চাল আমদানিকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে চালের চাহিদা ও মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষাপটে জি টু জি চুক্তির মাধ্যমে চাল আমদানি সরকারের দূরদর্শী পদক্ষেপ। এতে করে একদিকে যেমন দেশের খাদ্য মজুদ শক্তিশালী হবে, অন্যদিকে বাজারও স্থিতিশীল থাকবে।

চাল খালাস শেষে তা দ্রুত ভোক্তা পর্যায়ে সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই চালগুলো সরকারি গুদামে পৌঁছে যাবে।

সরকার আশা করছে, এ ধরণের কার্যকর উদ্যোগের ফলে সাধারণ মানুষও উপকৃত হবেন এবং খাদ্যপণ্যের বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।