ঢাকা ১০:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
স্পেনের পথে ২৭ দিনের সমুদ্রযাত্রা, ৮৩ জনের প্রাণহানি স্বামীকে হত্যার দায়ে স্ত্রী ও ছোট ভাইয়ের যাবজ্জীবন বাংলাদেশসহ ৩১ দেশের মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা বাতিল মালয়েশিয়ার ইরান যুদ্ধের শেষ জানেন না ভ্যান্স রামেক হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি কমাতে বসছে একক ‘অ্যাম্বুলেন্স সেন্টার’ বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ আজ নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী

গাজীপুরে অটোরিকশা চালক হত্যায় দুই আসামি গ্রেফতার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:২৪:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 547

ছবি: সংগৃহীত

 

গাজীপুরে অটোরিকশা চালক হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের একদিন পর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তাদের আলাদা স্থান থেকে গ্রেফতার করে।

শুক্রবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন পিবিআই জেলা ইউনিটের পুলিশ সুপার মো. আবুল কালাম আজাদ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন নেত্রকোণা জেলার কাকুড়া গ্রামের হজরত আলীর ছেলে রবিন মিয়া (১৫) ও পঞ্চগড়ের সোনাহার তেলীপাড়া গ্রামের মৃত শুকুর আলীর ছেলে মিজানুর রহমান (৩১)।

আরও পড়ুন  ডা. কামরুলের হাসপাতালে চাঁদাবাজি, প্রধান অভিযুক্তসহ গ্রেফতার ৭

পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ২৫ ফেব্রুয়ারি সকালে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ধীরাশ্রম রাহাপাড়া এলাকায় কলের বাজার থেকে ধীরাশ্রমগামী পাকা সড়কের কালভার্টের কাছে ধান ক্ষেত থেকে অটোরিকশা চালক হাবিবুর রহমানের গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে নিহতের বড় ভাই জালাল সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় থানা পুলিশের পাশাপাশি পিবিআই তদন্ত শুরু করে।

২৬ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে পূবাইল থানাধীন মেঘডুবি মিরাপাড়া (মান্নান মার্কেট) এলাকা থেকে রবিন মিয়া এবং মামলার সাথে জড়িত মিজানুর রহমানকে ঢাকার তুরাগ থানাধীন উত্তরা ১০নং সেক্টরের সিরাজ মার্কেট রানাভোলা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, ২৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৭ টার দিকে রবিন মিয়া ও পলাতক আসামীরা ফোন করে হাবিবুর রহমানের অটোরিকশাটি ভাড়া নিয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে। এক পর্যায়ে ধারালো কাটার (এন্টি কাটার) দিয়ে হাবিবুরের গলা কেটে হত্যা করে এবং লাশ রাস্তার পাশে ফেলে অটোরিকশা ছিনতাই করে পালিয়ে যায়।

পরে, আসামিরা অটোরিকশাটি মিজানুর রহমানের কাছে দেয়। তিনি অটোরিকশার ৪টি ব্যাটারি, সামনে ব্যবহৃত গ্লাস, ২টি লুকিং গ্লাস ও ৪টি চাকা নিজের হেফাজতে রেখে বাকি অংশ ভাঙারীর দোকানে বিক্রি করে টাকা ভাগাভাগি করেন। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, অভিযুক্তরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজীপুরে অটোরিকশা চালক হত্যায় দুই আসামি গ্রেফতার

আপডেট সময় ০৭:২৪:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

গাজীপুরে অটোরিকশা চালক হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের একদিন পর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তাদের আলাদা স্থান থেকে গ্রেফতার করে।

শুক্রবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন পিবিআই জেলা ইউনিটের পুলিশ সুপার মো. আবুল কালাম আজাদ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন নেত্রকোণা জেলার কাকুড়া গ্রামের হজরত আলীর ছেলে রবিন মিয়া (১৫) ও পঞ্চগড়ের সোনাহার তেলীপাড়া গ্রামের মৃত শুকুর আলীর ছেলে মিজানুর রহমান (৩১)।

আরও পড়ুন  অবৈধ অটোরিকশার কারণে বিদ্যুতের চাহিদা হঠাৎ বেড়েছে: জ্বালানিমন্ত্রী

পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ২৫ ফেব্রুয়ারি সকালে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ধীরাশ্রম রাহাপাড়া এলাকায় কলের বাজার থেকে ধীরাশ্রমগামী পাকা সড়কের কালভার্টের কাছে ধান ক্ষেত থেকে অটোরিকশা চালক হাবিবুর রহমানের গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে নিহতের বড় ভাই জালাল সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় থানা পুলিশের পাশাপাশি পিবিআই তদন্ত শুরু করে।

২৬ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে পূবাইল থানাধীন মেঘডুবি মিরাপাড়া (মান্নান মার্কেট) এলাকা থেকে রবিন মিয়া এবং মামলার সাথে জড়িত মিজানুর রহমানকে ঢাকার তুরাগ থানাধীন উত্তরা ১০নং সেক্টরের সিরাজ মার্কেট রানাভোলা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, ২৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৭ টার দিকে রবিন মিয়া ও পলাতক আসামীরা ফোন করে হাবিবুর রহমানের অটোরিকশাটি ভাড়া নিয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে। এক পর্যায়ে ধারালো কাটার (এন্টি কাটার) দিয়ে হাবিবুরের গলা কেটে হত্যা করে এবং লাশ রাস্তার পাশে ফেলে অটোরিকশা ছিনতাই করে পালিয়ে যায়।

পরে, আসামিরা অটোরিকশাটি মিজানুর রহমানের কাছে দেয়। তিনি অটোরিকশার ৪টি ব্যাটারি, সামনে ব্যবহৃত গ্লাস, ২টি লুকিং গ্লাস ও ৪টি চাকা নিজের হেফাজতে রেখে বাকি অংশ ভাঙারীর দোকানে বিক্রি করে টাকা ভাগাভাগি করেন। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, অভিযুক্তরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।