ঢাকা ১০:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

যুদ্ধের আশঙ্কায় রপ্তানি বাড়িয়ে তেলের মজুদ খালি করছে ইরান।

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:০৩:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 207

ছবি সংগৃহীত

 

গত কিছুদিনে ইরান তেল রপ্তানি উল্লেখযোগ্য হারে বাড়িয়েছে— যা সম্ভাব্য মার্কিন হামলার প্রস্তুতির ইঙ্গিত হতে পারে বলে জানিয়েছে মার্কিন গণমাধ্যম Bloomberg.

১৫ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রায় ২ কোটি ব্যারেল তেল খার্গ দ্বীপ থেকে জাহাজে তোলা হয়েছে।
এটি জানুয়ারির একই সময়ের তুলনায় প্রায় তিনগুণ এবং ইরানের স্বাভাবিক রপ্তানি হারের চেয়েও অনেক বেশি।

আরও পড়ুন  ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ২২৪, আহত সহস্রাধিক

স্যাটেলাইট ছবিতেও টার্মিনালের কাছে তেলবাহী জাহাজের সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি দেখা গেছে।

এর দ্বারা মূলত মজুদ কমিয়ে দ্রুত তেল সরানো হয়েছে। যাতে যুদ্ধ শুরু হলে ক্ষয়ক্ষতি কম হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

যুদ্ধের আশঙ্কায় রপ্তানি বাড়িয়ে তেলের মজুদ খালি করছে ইরান।

আপডেট সময় ০৫:০৩:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

গত কিছুদিনে ইরান তেল রপ্তানি উল্লেখযোগ্য হারে বাড়িয়েছে— যা সম্ভাব্য মার্কিন হামলার প্রস্তুতির ইঙ্গিত হতে পারে বলে জানিয়েছে মার্কিন গণমাধ্যম Bloomberg.

১৫ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রায় ২ কোটি ব্যারেল তেল খার্গ দ্বীপ থেকে জাহাজে তোলা হয়েছে।
এটি জানুয়ারির একই সময়ের তুলনায় প্রায় তিনগুণ এবং ইরানের স্বাভাবিক রপ্তানি হারের চেয়েও অনেক বেশি।

আরও পড়ুন  যুদ্ধ থামাতে তৎপর চীন ও রাশিয়া, যুদ্ধবিরতির আলোচনা চলমান

স্যাটেলাইট ছবিতেও টার্মিনালের কাছে তেলবাহী জাহাজের সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি দেখা গেছে।

এর দ্বারা মূলত মজুদ কমিয়ে দ্রুত তেল সরানো হয়েছে। যাতে যুদ্ধ শুরু হলে ক্ষয়ক্ষতি কম হয়।