ঢাকা ০১:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা

উপকূলে আঘাত এলে পারস্য উপসাগর ‘অচল’ করতে পারে ইরান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:০৯:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
  • / 147

ছবি: সংগৃহীত

 

ইরান জানিয়েছে, দেশটির উপকূল বা দ্বীপাঞ্চলে কোনো ধরনের সামরিক হামলা চালানো হলে তারা পুরো পারস্য উপসাগর জুড়ে নৌ-চলাচল বন্ধ করে দিতে পারে। এমন হুঁশিয়ারি এসেছে ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নীতিনির্ধারণী সংস্থা সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল থেকে।

আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সি-এর বরাতে জানা যায়, ইরানের বিরুদ্ধে কোনো পক্ষ যদি দেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত হানার চেষ্টা করে, তাহলে প্রতিরক্ষামূলক কৌশলের অংশ হিসেবে পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথগুলোতে মাইন পেতে দেওয়া হতে পারে। এতে বাণিজ্যিক জাহাজসহ সব ধরনের নৌযান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হবে।

আরও পড়ুন  ইসরাইলকে ফাঁকি! বেঁচে আছেন ইরানের আইআরজিসি প্রধান ইসমাইল কানি: রিপোর্ট

ইরান আরও ইঙ্গিত দিয়েছে, শুধু সমুদ্রপথ নয়, উপকূল থেকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেও প্রতিপক্ষকে লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, পারস্য উপসাগর বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের একটি গুরুত্বপূর্ণ রুট হওয়ায় সেখানে কোনো ধরনের অস্থিরতা তৈরি হলে বৈশ্বিক অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধরনের বক্তব্য নতুন নয়। অতীতেও উত্তেজনা বাড়লে ইরান একাধিকবার পারস্য উপসাগরে নৌপথ বন্ধের হুমকি দিয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী—যা বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত তেল পরিবহন পথ—নিয়ে ইরানের অবস্থান সবসময়ই কৌশলগত গুরুত্ব বহন করে।

তবে এখন পর্যন্ত কোনো স্বাধীন আন্তর্জাতিক সূত্র এই নির্দিষ্ট হুমকির তাৎক্ষণিক বাস্তবায়ন বা সাম্প্রতিক সামরিক পদক্ষেপের নিশ্চিত তথ্য দেয়নি। ফলে বিষয়টি মূলত একটি সতর্কবার্তা বা কৌশলগত বার্তা হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

সার্বিকভাবে, ইরানের এই বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে দেওয়া একটি কড়া বার্তা। তবে বাস্তবে নৌ-চলাচল বন্ধের মতো পদক্ষেপ নেওয়া হলে তা শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক সংকটে রূপ নিতে পারে—এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

উপকূলে আঘাত এলে পারস্য উপসাগর ‘অচল’ করতে পারে ইরান

আপডেট সময় ০২:০৯:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

 

ইরান জানিয়েছে, দেশটির উপকূল বা দ্বীপাঞ্চলে কোনো ধরনের সামরিক হামলা চালানো হলে তারা পুরো পারস্য উপসাগর জুড়ে নৌ-চলাচল বন্ধ করে দিতে পারে। এমন হুঁশিয়ারি এসেছে ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নীতিনির্ধারণী সংস্থা সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল থেকে।

আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সি-এর বরাতে জানা যায়, ইরানের বিরুদ্ধে কোনো পক্ষ যদি দেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত হানার চেষ্টা করে, তাহলে প্রতিরক্ষামূলক কৌশলের অংশ হিসেবে পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথগুলোতে মাইন পেতে দেওয়া হতে পারে। এতে বাণিজ্যিক জাহাজসহ সব ধরনের নৌযান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হবে।

আরও পড়ুন  ভবিষ্যতে ইসরায়েলি হামলার জবাব আরও কঠোর হবে: ইরান

ইরান আরও ইঙ্গিত দিয়েছে, শুধু সমুদ্রপথ নয়, উপকূল থেকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেও প্রতিপক্ষকে লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, পারস্য উপসাগর বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের একটি গুরুত্বপূর্ণ রুট হওয়ায় সেখানে কোনো ধরনের অস্থিরতা তৈরি হলে বৈশ্বিক অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধরনের বক্তব্য নতুন নয়। অতীতেও উত্তেজনা বাড়লে ইরান একাধিকবার পারস্য উপসাগরে নৌপথ বন্ধের হুমকি দিয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী—যা বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত তেল পরিবহন পথ—নিয়ে ইরানের অবস্থান সবসময়ই কৌশলগত গুরুত্ব বহন করে।

তবে এখন পর্যন্ত কোনো স্বাধীন আন্তর্জাতিক সূত্র এই নির্দিষ্ট হুমকির তাৎক্ষণিক বাস্তবায়ন বা সাম্প্রতিক সামরিক পদক্ষেপের নিশ্চিত তথ্য দেয়নি। ফলে বিষয়টি মূলত একটি সতর্কবার্তা বা কৌশলগত বার্তা হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

সার্বিকভাবে, ইরানের এই বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে দেওয়া একটি কড়া বার্তা। তবে বাস্তবে নৌ-চলাচল বন্ধের মতো পদক্ষেপ নেওয়া হলে তা শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক সংকটে রূপ নিতে পারে—এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।