ঢাকা ১২:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

তরুণদের ভোটাধিকার ও টেকসই গণতন্ত্রে পেশাজীবীদের ভূমিকার আহ্বান তারেক রহমানের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৪৭:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ মার্চ ২০২৫
  • / 472

ছবি সংগৃহীত

 

রাজনীতিবিদ, পেশাজীবী ও বুদ্ধিজীবীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টাতেই দেশে টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, “সরকারের এমন কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত নয়, যাতে পলাতক স্বৈরাচারী গোষ্ঠী উল্লাস করার সুযোগ পায়।”

রাজধানীর ইস্কাটনে লেডিস ক্লাবে পেশাজীবীদের সম্মানে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রতিনিধিরা।

আরও পড়ুন  কেমন হচ্ছে তারেক রহমানের নতুন সরকার?

তারেক রহমান বলেন, দেশে প্রায় সাড়ে তিন কোটি তরুণ ভোটার এখনো ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাননি। এই বিশাল জনগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিত করতে অবিলম্বে জাতীয় নির্বাচন প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, “ধর্মীয় মূল্যবোধ মানুষকে কল্যাণের পথে নিয়ে যায়। ইসলামে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা রয়েছে। এই নির্দেশনাগুলো অনুসরণ করলে ধর্মের অপব্যাখ্যাকারীরা বিভ্রান্তি ছড়াতে পারবে না।”

তিনি জোর দিয়ে বলেন, “সুশীল সমাজ ও পেশাজীবীদের ভূমিকাই রাজনীতিবিদদের রাষ্ট্র পরিচালনায় সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করে। রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হয় রাজনীতিবিদদের নীতি ও দেশপ্রেমের ওপর, আর তাতে পেশাজীবীদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

তারেক রহমান বলেন, “গত দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসনে আমরা দেখেছি কীভাবে গুম, খুন, দুর্নীতি, লুটপাট হয়েছে। তখন অনেকেই নীরব ছিলেন। এখন সেই অন্ধকার সময় পেরিয়ে সম্ভাবনার নতুন দ্বার উন্মুক্ত হয়েছে।”
তিনি জানান, বিএনপি চায় দেশের বিশিষ্ট পেশাজীবীদের অংশগ্রহণে রাষ্ট্র পরিচালনায় গুণগত পরিবর্তন আনতে। সে লক্ষ্যেই দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

তারেক রহমানের মতে, “সংস্কার কখনোই চূড়ান্তভাবে শেষ হয় না। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া, যা জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমেই টেকসই হয়ে ওঠে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

তরুণদের ভোটাধিকার ও টেকসই গণতন্ত্রে পেশাজীবীদের ভূমিকার আহ্বান তারেক রহমানের

আপডেট সময় ০১:৪৭:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ মার্চ ২০২৫

 

রাজনীতিবিদ, পেশাজীবী ও বুদ্ধিজীবীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টাতেই দেশে টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, “সরকারের এমন কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত নয়, যাতে পলাতক স্বৈরাচারী গোষ্ঠী উল্লাস করার সুযোগ পায়।”

রাজধানীর ইস্কাটনে লেডিস ক্লাবে পেশাজীবীদের সম্মানে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রতিনিধিরা।

আরও পড়ুন  শ্রমিকের দুঃখ-দুর্দশা তুলে ধরতে চাই জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার: তারেক রহমান

তারেক রহমান বলেন, দেশে প্রায় সাড়ে তিন কোটি তরুণ ভোটার এখনো ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাননি। এই বিশাল জনগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিত করতে অবিলম্বে জাতীয় নির্বাচন প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, “ধর্মীয় মূল্যবোধ মানুষকে কল্যাণের পথে নিয়ে যায়। ইসলামে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা রয়েছে। এই নির্দেশনাগুলো অনুসরণ করলে ধর্মের অপব্যাখ্যাকারীরা বিভ্রান্তি ছড়াতে পারবে না।”

তিনি জোর দিয়ে বলেন, “সুশীল সমাজ ও পেশাজীবীদের ভূমিকাই রাজনীতিবিদদের রাষ্ট্র পরিচালনায় সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করে। রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হয় রাজনীতিবিদদের নীতি ও দেশপ্রেমের ওপর, আর তাতে পেশাজীবীদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

তারেক রহমান বলেন, “গত দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসনে আমরা দেখেছি কীভাবে গুম, খুন, দুর্নীতি, লুটপাট হয়েছে। তখন অনেকেই নীরব ছিলেন। এখন সেই অন্ধকার সময় পেরিয়ে সম্ভাবনার নতুন দ্বার উন্মুক্ত হয়েছে।”
তিনি জানান, বিএনপি চায় দেশের বিশিষ্ট পেশাজীবীদের অংশগ্রহণে রাষ্ট্র পরিচালনায় গুণগত পরিবর্তন আনতে। সে লক্ষ্যেই দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

তারেক রহমানের মতে, “সংস্কার কখনোই চূড়ান্তভাবে শেষ হয় না। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া, যা জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমেই টেকসই হয়ে ওঠে।”