ঢাকা ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

করদাতা বাড়ছে, রাজস্ব বাড়ছে না, ১০ লাখ ই-রিটার্ন দাখিল করলেও করযোগ্য আয় নেই: এনবিআর চেয়ারম্যান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:০০:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫
  • / 264

ছবি সংগৃহীত

 

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান জানিয়েছেন, ই-রিটার্ন দাখিলের সংখ্যা বাড়লেও রাজস্ব আয় বাড়ছে না। কারণ, অধিকাংশ করদাতার আয় করযোগ্য সীমার নিচে।

তিনি বলেন, চলতি অর্থবছরে দাখিলকৃত ১৫ লাখ ই-রিটার্নের মধ্যে প্রায় ১০ লাখ করদাতারই করযোগ্য আয় নেই। তারা হয়তো শূন্য রিটার্ন জমা দিয়েছেন, অথবা তাদের আয় ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার করমুক্ত সীমার নিচে।

আরও পড়ুন  এনবিআর চাকরি অত্যাবশ্যকীয় সেবা, অবহেলা করলে কঠোর পদক্ষেপ: সরকার

সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনবিআর ভবনে অর্থনৈতিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সঙ্গে এক প্রাক-বাজেট আলোচনায় এসব কথা বলেন তিনি।

ইআরএফ এর পক্ষ থেকে বর্তমান মুদ্রাস্ফীতির প্রেক্ষাপটে করমুক্ত আয়সীমা ৩.৫ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ লাখ টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব দেয়া হলে এনবিআর চেয়ারম্যান জানান, ‘এই সীমা বাড়ালে শূন্য রিটার্ন দাখিলকারীর সংখ্যা আরও বাড়বে। এখনই ই-রিটার্ন দাখিলকারীদের দুই-তৃতীয়াংশ করযোগ্য নন, যদি সীমা বাড়ে, এ সংখ্যা আরও এক লাখ বাড়তে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা কাগজভিত্তিক রিটার্ন থেকে ডিজিটাল রিটার্নে গেলেও বাস্তব চিত্র বদলায়নি। মূল সমস্যা হলো গুণগত করদাতার সংখ্যা খুবই কম। এ পরিস্থিতিকে অবশ্যই গুরুত্বসহকারে দেখতে হবে।’

এনবিআর প্রধান এই চ্যালেঞ্জকে মাঝারি আকারের উল্লেখ করে বলেন, ‘চ্যালেঞ্জটা খুব বড় নয়, তবে উপেক্ষাযোগ্যও নয়। আমাদের মূল্যায়ন করতে হবে, আমরা কীভাবে গুণগত করদাতার সংখ্যা বাড়াতে পারি।’ তিনি আরও স্বীকার করেন, ‘আমরা এখনো কর ফাঁকি শনাক্তকরণ এবং কার্যক্রম পরিচালনায় যথেষ্ট মনোযোগ দিইনি। এটি তদন্ত ও বিশ্লেষণের প্রয়োজন আছে।’

এনবিআর ভবিষ্যতে রাজস্ব আদায়ে এলাকাভিত্তিক কার্যকর কৌশল চালু করার কথা ভাবছে বলেও জানান তিনি। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি ইনশাআল্লাহ, আমরা এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারব।’

বিষয় :

নিউজটি শেয়ার করুন

করদাতা বাড়ছে, রাজস্ব বাড়ছে না, ১০ লাখ ই-রিটার্ন দাখিল করলেও করযোগ্য আয় নেই: এনবিআর চেয়ারম্যান

আপডেট সময় ০৭:০০:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫

 

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান জানিয়েছেন, ই-রিটার্ন দাখিলের সংখ্যা বাড়লেও রাজস্ব আয় বাড়ছে না। কারণ, অধিকাংশ করদাতার আয় করযোগ্য সীমার নিচে।

তিনি বলেন, চলতি অর্থবছরে দাখিলকৃত ১৫ লাখ ই-রিটার্নের মধ্যে প্রায় ১০ লাখ করদাতারই করযোগ্য আয় নেই। তারা হয়তো শূন্য রিটার্ন জমা দিয়েছেন, অথবা তাদের আয় ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার করমুক্ত সীমার নিচে।

আরও পড়ুন  আইএমএফের কড়া শর্তে বিপাকে এনবিআর, অর্থ ছাড়ে অনিশ্চয়তা

সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনবিআর ভবনে অর্থনৈতিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সঙ্গে এক প্রাক-বাজেট আলোচনায় এসব কথা বলেন তিনি।

ইআরএফ এর পক্ষ থেকে বর্তমান মুদ্রাস্ফীতির প্রেক্ষাপটে করমুক্ত আয়সীমা ৩.৫ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ লাখ টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব দেয়া হলে এনবিআর চেয়ারম্যান জানান, ‘এই সীমা বাড়ালে শূন্য রিটার্ন দাখিলকারীর সংখ্যা আরও বাড়বে। এখনই ই-রিটার্ন দাখিলকারীদের দুই-তৃতীয়াংশ করযোগ্য নন, যদি সীমা বাড়ে, এ সংখ্যা আরও এক লাখ বাড়তে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা কাগজভিত্তিক রিটার্ন থেকে ডিজিটাল রিটার্নে গেলেও বাস্তব চিত্র বদলায়নি। মূল সমস্যা হলো গুণগত করদাতার সংখ্যা খুবই কম। এ পরিস্থিতিকে অবশ্যই গুরুত্বসহকারে দেখতে হবে।’

এনবিআর প্রধান এই চ্যালেঞ্জকে মাঝারি আকারের উল্লেখ করে বলেন, ‘চ্যালেঞ্জটা খুব বড় নয়, তবে উপেক্ষাযোগ্যও নয়। আমাদের মূল্যায়ন করতে হবে, আমরা কীভাবে গুণগত করদাতার সংখ্যা বাড়াতে পারি।’ তিনি আরও স্বীকার করেন, ‘আমরা এখনো কর ফাঁকি শনাক্তকরণ এবং কার্যক্রম পরিচালনায় যথেষ্ট মনোযোগ দিইনি। এটি তদন্ত ও বিশ্লেষণের প্রয়োজন আছে।’

এনবিআর ভবিষ্যতে রাজস্ব আদায়ে এলাকাভিত্তিক কার্যকর কৌশল চালু করার কথা ভাবছে বলেও জানান তিনি। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি ইনশাআল্লাহ, আমরা এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারব।’