ঢাকা ০৩:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় হামের টিকার মজুত ছিল না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৩২:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬
  • / 131

ছবি সংগৃহীত

 

বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় দেশে হামের (মিজেলস) টিকার কোনো ধরনের মজুত ছিল না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি উল্লেখ করেন, ২০২০ সালের ডিসেম্বরের পর থেকে দেশে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি পুরোপুরি বন্ধ থাকা এবং টিকার এই দীর্ঘমেয়াদি তীব্র ঘাটতিই দেশজুড়ে বর্তমান হামের প্রাদুর্ভাবের মূল কারণ। আজ রোববার (১৭ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে আয়োজিত ‘হাম ও ডেঙ্গুরোগ নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা ও প্রতিরোধই সর্বোত্তম পন্থা’ শীর্ষক জনসচেতনতা সপ্তাহের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ও বৈজ্ঞানিক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব তথ্য জানান।

সেমিনারে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিগত সময়ের টিকাদানের চিত্র তুলে ধরে বলেন, “২০২০ সালের ডিসেম্বরে দেশে সর্বশেষ হামের টিকা দেওয়া হয়েছিল। এরপর থেকে ২০২৬ সালে আমাদের এই নতুন সরকার দায়িত্ব নিয়ে কাজ শুরু করার আগপর্যন্ত দেশে মিজেলসের কোনো টিকা দেওয়া হয় নাই। এমনকি আমরা যখন দায়িত্ব নিই, তখন রাষ্ট্রীয় ভাণ্ডারে মিজেলসের একটি টিকামাত্র আমাদের হাতে ছিল না।”

আরও পড়ুন  পুলিশের জন্য ওভারটাইম ভাতার পরিকল্পনা করছে সরকার

হামের বর্তমান বিপজ্জনক প্রকোপ থেকে শিশুদের সুরক্ষিত রাখতে এবং এই রোগ থেকে মুক্তি পেতে আক্রান্তদের যথাযথ আইসোলেশন (আলাদা রাখা) এবং পর্যাপ্ত পুষ্টি নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ জোর দেন মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। একই সঙ্গে হাম ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির এই কার্যক্রমকে শহরের গণ্ডি পেরিয়ে প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যন্ত ছড়িয়ে দিতে চিকিৎসকদের সংগঠন ‘ড্যাব’ (ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ)-এর নেতাকর্মী ও চিকিৎসকদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় হামের টিকার মজুত ছিল না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৮:৩২:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

 

বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় দেশে হামের (মিজেলস) টিকার কোনো ধরনের মজুত ছিল না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি উল্লেখ করেন, ২০২০ সালের ডিসেম্বরের পর থেকে দেশে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি পুরোপুরি বন্ধ থাকা এবং টিকার এই দীর্ঘমেয়াদি তীব্র ঘাটতিই দেশজুড়ে বর্তমান হামের প্রাদুর্ভাবের মূল কারণ। আজ রোববার (১৭ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে আয়োজিত ‘হাম ও ডেঙ্গুরোগ নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা ও প্রতিরোধই সর্বোত্তম পন্থা’ শীর্ষক জনসচেতনতা সপ্তাহের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ও বৈজ্ঞানিক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব তথ্য জানান।

সেমিনারে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিগত সময়ের টিকাদানের চিত্র তুলে ধরে বলেন, “২০২০ সালের ডিসেম্বরে দেশে সর্বশেষ হামের টিকা দেওয়া হয়েছিল। এরপর থেকে ২০২৬ সালে আমাদের এই নতুন সরকার দায়িত্ব নিয়ে কাজ শুরু করার আগপর্যন্ত দেশে মিজেলসের কোনো টিকা দেওয়া হয় নাই। এমনকি আমরা যখন দায়িত্ব নিই, তখন রাষ্ট্রীয় ভাণ্ডারে মিজেলসের একটি টিকামাত্র আমাদের হাতে ছিল না।”

আরও পড়ুন  সরকার ও দেশের ভাবমূর্তি নষ্টের ষড়যন্ত্র চলছে: রিজভী

হামের বর্তমান বিপজ্জনক প্রকোপ থেকে শিশুদের সুরক্ষিত রাখতে এবং এই রোগ থেকে মুক্তি পেতে আক্রান্তদের যথাযথ আইসোলেশন (আলাদা রাখা) এবং পর্যাপ্ত পুষ্টি নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ জোর দেন মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। একই সঙ্গে হাম ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির এই কার্যক্রমকে শহরের গণ্ডি পেরিয়ে প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যন্ত ছড়িয়ে দিতে চিকিৎসকদের সংগঠন ‘ড্যাব’ (ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ)-এর নেতাকর্মী ও চিকিৎসকদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান তিনি।