ঢাকা ০২:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

চুয়াডাঙ্গায় ‘ফুয়েল কার্ড’ সংগ্রহে মোটরসাইকেল চালকদের উপচে পড়া ভিড়

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৩৭:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
  • / 78

ছবি সংগৃহীত

 

চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক (ডিসি) কার্যালয়ে আজ সোমবার সকাল থেকেই ফুয়েল কার্ড সংগ্রহের জন্য কয়েকশ মোটরসাইকেল চালকের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। জেলার চারটি উপজেলা থেকে আসা চালকরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ফটোকপি জমা দিতে এসে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। কার্ড প্রাপ্তির সঠিক সময় বা প্রক্রিয়া নিয়ে স্পষ্ট তথ্যের অভাবে চালকদের মধ্যে এক ধরণের অনিশ্চয়তা কাজ করছে।

ভোক্তাদের মতে, জেলা শহরে এসে এই ভোগান্তি পোহানোর চেয়ে নিজ নিজ উপজেলায় আবেদন জমার ব্যবস্থা থাকলে পরিস্থিতি অনেক সহজ হতো। তীব্র ভিড় ও দীর্ঘ অপেক্ষার কারণে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা চালকরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। জেলা প্রশাসক কামাল হোসেনের নির্দেশনা অনুযায়ী, আজ ও কাল মঙ্গলবারের মধ্যে এই কার্ড সংগ্রহ না করলে আগামী ১ এপ্রিল থেকে কোনো মোটরসাইকেল চালককে জ্বালানি তেল দেওয়া হবে না।

আরও পড়ুন  চুয়াডাঙ্গায় জমি বিরোধ নিয়ে পৃথক দুই হত্যা মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

আগামী ১ এপ্রিল থেকে জেলার ২২টি পেট্রোল পাম্পে সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে তেল বিক্রি করা হবে। তবে কৃষকদের জন্য ডিজেল সংগ্রহের ক্ষেত্রে বিশেষ শিথিলতা দেওয়া হয়েছে; তারা কার্ড ছাড়াই ২৪ ঘণ্টা যেকোনো সময় পাম্প থেকে ডিজেল সংগ্রহ করতে পারবেন। জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট রোধে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে প্রতিটি পাম্পে একজন করে ‘ট্যাগ অফিসার’ নিয়োগ দিয়েছেন জেলা প্রশাসক।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বিপণনে অনিয়ম প্রতিরোধ করতেই এই ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। কার্ড পেতে চালকদের যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন নম্বর, ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি জমা দিতে হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা করছে, প্রাথমিক এই জটিলতা কাটিয়ে উঠলে জেলার জ্বালানি ব্যবস্থাপনা আরও সুশৃঙ্খল হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

চুয়াডাঙ্গায় ‘ফুয়েল কার্ড’ সংগ্রহে মোটরসাইকেল চালকদের উপচে পড়া ভিড়

আপডেট সময় ০৭:৩৭:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

 

চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক (ডিসি) কার্যালয়ে আজ সোমবার সকাল থেকেই ফুয়েল কার্ড সংগ্রহের জন্য কয়েকশ মোটরসাইকেল চালকের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। জেলার চারটি উপজেলা থেকে আসা চালকরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ফটোকপি জমা দিতে এসে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। কার্ড প্রাপ্তির সঠিক সময় বা প্রক্রিয়া নিয়ে স্পষ্ট তথ্যের অভাবে চালকদের মধ্যে এক ধরণের অনিশ্চয়তা কাজ করছে।

ভোক্তাদের মতে, জেলা শহরে এসে এই ভোগান্তি পোহানোর চেয়ে নিজ নিজ উপজেলায় আবেদন জমার ব্যবস্থা থাকলে পরিস্থিতি অনেক সহজ হতো। তীব্র ভিড় ও দীর্ঘ অপেক্ষার কারণে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা চালকরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। জেলা প্রশাসক কামাল হোসেনের নির্দেশনা অনুযায়ী, আজ ও কাল মঙ্গলবারের মধ্যে এই কার্ড সংগ্রহ না করলে আগামী ১ এপ্রিল থেকে কোনো মোটরসাইকেল চালককে জ্বালানি তেল দেওয়া হবে না।

আরও পড়ুন  দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা চুয়াডাঙ্গায়, ঢাকায় ছুঁইছুঁই ৪০ ডিগ্রি

আগামী ১ এপ্রিল থেকে জেলার ২২টি পেট্রোল পাম্পে সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে তেল বিক্রি করা হবে। তবে কৃষকদের জন্য ডিজেল সংগ্রহের ক্ষেত্রে বিশেষ শিথিলতা দেওয়া হয়েছে; তারা কার্ড ছাড়াই ২৪ ঘণ্টা যেকোনো সময় পাম্প থেকে ডিজেল সংগ্রহ করতে পারবেন। জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট রোধে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে প্রতিটি পাম্পে একজন করে ‘ট্যাগ অফিসার’ নিয়োগ দিয়েছেন জেলা প্রশাসক।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বিপণনে অনিয়ম প্রতিরোধ করতেই এই ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। কার্ড পেতে চালকদের যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন নম্বর, ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি জমা দিতে হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা করছে, প্রাথমিক এই জটিলতা কাটিয়ে উঠলে জেলার জ্বালানি ব্যবস্থাপনা আরও সুশৃঙ্খল হবে।