ঢাকা ১২:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বহু প্রতীক্ষিত জকসু নির্বাচন শুরু, ভোট চলছে ৩৯ কেন্দ্রে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:১৮:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 1632

ছবি সংগৃহীত

 

দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও নানা নাটকীয়তার পর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) এবং হল সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে শিক্ষার্থীরা ভোট দিতে শুরু করেন। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী বিকেল ৩টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলবে এই ভোটগ্রহণ।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, এবারের নির্বাচনে ক্যাম্পাসজুড়ে ৩৯টি ভোটকেন্দ্রে মোট ১৭৮টি বুথ স্থাপন করা হয়েছে। একই দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র নারী হলসহ সব হল সংসদের নির্বাচনও অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

আরও পড়ুন  সরকার গঠনের দ্বারপ্রান্তে ১১ দলীয় জোট: নাহিদ ইসলাম

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের পাশাপাশি দায়িত্ব পালন করছেন রোভার স্কাউট ও বিএনসিসির সদস্যরা। ভোটকেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবারের জকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১৬ হাজার ৬৪৫ জন। কেন্দ্রীয় সংসদের ২১টি পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১৫৭ জন প্রার্থী। পাশাপাশি হল সংসদের ১৩টি পদের বিপরীতে লড়ছেন ৩৩ জন প্রার্থী। শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ হল সংসদের ব্যালটের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সংসদের জন্য পৃথকভাবে ভোট দিচ্ছেন।

ভোটগ্রহণ শেষে ছয়টি গণনা মেশিনের মাধ্যমে ব্যালট গণনা করা হবে। ফলাফল ঘোষণা করা হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে। একই সঙ্গে এলইডি স্ক্রিনে সরাসরি ফল প্রকাশের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

এবারের নির্বাচনে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের প্যানেল অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ছাত্রদল সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’, ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’, ছাত্রশক্তি সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান’ এবং বামপন্থী মওলানা ভাসানী ব্রিগেড। এ ছাড়া বেশ কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থীও ভোটের মাঠে রয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত ৩০ ডিসেম্বর জকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হওয়ার কথা থাকলেও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জরুরি সিন্ডিকেট সভার মাধ্যমে নির্বাচন স্থগিত করা হয়। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও দাবির মুখে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ৬ জানুয়ারি নতুন তারিখ নির্ধারণ করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বহু প্রতীক্ষিত জকসু নির্বাচন শুরু, ভোট চলছে ৩৯ কেন্দ্রে

আপডেট সময় ১১:১৮:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

 

দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও নানা নাটকীয়তার পর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) এবং হল সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে শিক্ষার্থীরা ভোট দিতে শুরু করেন। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী বিকেল ৩টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলবে এই ভোটগ্রহণ।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, এবারের নির্বাচনে ক্যাম্পাসজুড়ে ৩৯টি ভোটকেন্দ্রে মোট ১৭৮টি বুথ স্থাপন করা হয়েছে। একই দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র নারী হলসহ সব হল সংসদের নির্বাচনও অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

আরও পড়ুন  নির্বাচন সামনে রেখে কেরানীগঞ্জে যৌথ বাহিনীর মোটরসাইকেল মহড়া

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের পাশাপাশি দায়িত্ব পালন করছেন রোভার স্কাউট ও বিএনসিসির সদস্যরা। ভোটকেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবারের জকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১৬ হাজার ৬৪৫ জন। কেন্দ্রীয় সংসদের ২১টি পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১৫৭ জন প্রার্থী। পাশাপাশি হল সংসদের ১৩টি পদের বিপরীতে লড়ছেন ৩৩ জন প্রার্থী। শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ হল সংসদের ব্যালটের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সংসদের জন্য পৃথকভাবে ভোট দিচ্ছেন।

ভোটগ্রহণ শেষে ছয়টি গণনা মেশিনের মাধ্যমে ব্যালট গণনা করা হবে। ফলাফল ঘোষণা করা হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে। একই সঙ্গে এলইডি স্ক্রিনে সরাসরি ফল প্রকাশের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

এবারের নির্বাচনে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের প্যানেল অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ছাত্রদল সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’, ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’, ছাত্রশক্তি সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান’ এবং বামপন্থী মওলানা ভাসানী ব্রিগেড। এ ছাড়া বেশ কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থীও ভোটের মাঠে রয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত ৩০ ডিসেম্বর জকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হওয়ার কথা থাকলেও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জরুরি সিন্ডিকেট সভার মাধ্যমে নির্বাচন স্থগিত করা হয়। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও দাবির মুখে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ৬ জানুয়ারি নতুন তারিখ নির্ধারণ করে।