ঢাকা ০৬:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
রামেক হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি কমাতে বসছে একক ‘অ্যাম্বুলেন্স সেন্টার’ বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ আজ নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত

আশুলিয়ায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, ভবন ধসে দগ্ধ ৪ সহ আহত ৬

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৩২:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫
  • / 551

ছবি সংগৃহীত

 

সাভারের আশুলিয়ায় গ্যাস লিকেজ থেকে ভয়াবহ বিস্ফোরণে একটি ভবনের দেয়াল ধসে পড়েছে। এতে চারজন দগ্ধসহ ছয়জন আহত হয়েছেন।

বুধবার (১৮ জুন) সকালে আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় মণ্ডল মার্কেটসংলগ্ন বাধিয়ারপাড়ে জুয়েল আহমেদের নির্মিত বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। দগ্ধ চারজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়েছে। বাকি দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন  পাকিস্তানে কয়লা খনিতে বিস্ফোরণ, ১২ শ্রমিক আটকা

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একটি পুরনো দ্বিতল ভবনের নিচতলার একটি কক্ষে গ্যাস লিকেজ থেকে গ্যাস জমে ছিল। সকালে রান্নার চুলা জ্বালানোর সময় হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ভবনের নিচতলার দেয়াল ধসে পড়ে এবং ঘরে আগুন ধরে যায়। মুহূর্তেই ছয়জন আহত হন।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন—জাহানারা (৪০), জুয়েল (২৪), শান্ত (২১), হাওয়া আক্তার (২৩), জহুরুল ইসলাম (২৬) ও নাসির (৩৮)।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বাড়িটি নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল এবং মালিক জুয়েল মিয়া বাড়িটি অপরিকল্পিতভাবে নির্মাণ করে ভাড়া দিয়েছিলেন। ফলে এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে তারা দাবি করেন।

স্থানীয়রা আরও জানান, নিচতলার ভাড়াটিয়া জহুরুল ইসলামের কক্ষের গ্যাস লাইনের রাইজারে লিকেজ ছিল। দরজা-জানালা বন্ধ থাকার কারণে সারারাত গ্যাস ঘরে জমে থাকে। সকাল ৭টা ১৫ মিনিটের দিকে রান্না শুরু করলে আগুন জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গেই বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে দেয়াল ভেঙে পড়ে এবং দরজা-জানালাও উড়ে যায়।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে নারী ও শিশু হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালের ম্যানেজার হারুন রশিদ জানান, প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে দুজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে এবং দগ্ধ চারজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়েছে।

ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার আল রিফাত তালুকদার বলেন, এখানে কোনো গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটেনি। রান্নাঘরের লিকেজ থেকে গ্যাস জমে বিস্ফোরণ হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং দুর্ঘটনাকবলিত ভবনটি বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আশুলিয়ায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, ভবন ধসে দগ্ধ ৪ সহ আহত ৬

আপডেট সময় ১২:৩২:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫

 

সাভারের আশুলিয়ায় গ্যাস লিকেজ থেকে ভয়াবহ বিস্ফোরণে একটি ভবনের দেয়াল ধসে পড়েছে। এতে চারজন দগ্ধসহ ছয়জন আহত হয়েছেন।

বুধবার (১৮ জুন) সকালে আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় মণ্ডল মার্কেটসংলগ্ন বাধিয়ারপাড়ে জুয়েল আহমেদের নির্মিত বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। দগ্ধ চারজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়েছে। বাকি দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন  ভারতের মেঘালয়ে অবৈধ কয়লা খনিতে বিস্ফোরণ, নিহত অন্তত ১৮

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একটি পুরনো দ্বিতল ভবনের নিচতলার একটি কক্ষে গ্যাস লিকেজ থেকে গ্যাস জমে ছিল। সকালে রান্নার চুলা জ্বালানোর সময় হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ভবনের নিচতলার দেয়াল ধসে পড়ে এবং ঘরে আগুন ধরে যায়। মুহূর্তেই ছয়জন আহত হন।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন—জাহানারা (৪০), জুয়েল (২৪), শান্ত (২১), হাওয়া আক্তার (২৩), জহুরুল ইসলাম (২৬) ও নাসির (৩৮)।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বাড়িটি নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল এবং মালিক জুয়েল মিয়া বাড়িটি অপরিকল্পিতভাবে নির্মাণ করে ভাড়া দিয়েছিলেন। ফলে এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে তারা দাবি করেন।

স্থানীয়রা আরও জানান, নিচতলার ভাড়াটিয়া জহুরুল ইসলামের কক্ষের গ্যাস লাইনের রাইজারে লিকেজ ছিল। দরজা-জানালা বন্ধ থাকার কারণে সারারাত গ্যাস ঘরে জমে থাকে। সকাল ৭টা ১৫ মিনিটের দিকে রান্না শুরু করলে আগুন জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গেই বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে দেয়াল ভেঙে পড়ে এবং দরজা-জানালাও উড়ে যায়।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে নারী ও শিশু হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালের ম্যানেজার হারুন রশিদ জানান, প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে দুজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে এবং দগ্ধ চারজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়েছে।

ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার আল রিফাত তালুকদার বলেন, এখানে কোনো গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটেনি। রান্নাঘরের লিকেজ থেকে গ্যাস জমে বিস্ফোরণ হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং দুর্ঘটনাকবলিত ভবনটি বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।