০৮:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
‘২ হাজার টাকার কার্ড পেতে ১ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হবে না তো?’—নাহিদ ইসলাম ইতোকোতর্মিতো – বরফের রাজ্যে মানুষের বসতি উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদন পেল ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ নিরাপত্তার কারণেই ভারতে খেলবে না বাংলাদেশ, ক্রিকেটারদের সঙ্গে সরকারও সিদ্ধান্তে অটল কেউ চিরদিন বাঁচে না’—হাসিনা যুগ নিয়ে জয়ের বক্তব্য আপনারা ভালা আছেন নি?’ সিলেটে তারেক রহমান সিলেট থেকে বিএনপির সিলেট থেকে বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণা শুরু, আলিয়া মাদরাসা মাঠে জনসমুদ্র প্রচারণা শুরু, আলিয়া মাদরাসা মাঠে জনসমুদ্র ফাইনালের টিকিট রাজশাহীর, হতাশ সিলেট গাজায় একদিনে ইসরায়েলি হামলায় ৩ সাংবাদিকসহ নিহত ১১ ডা. জুবাইদার মতো আমিও আপনাদের সন্তান: তারেক রহমান

নতুন সংবিধানে সময় লাগবে ২-৩ বছর: আসিফ নজরুল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৩৪:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫
  • / 93

ছবি সংগৃহীত

 

নতুন সংবিধান প্রণয়নে দুই থেকে তিন বছর সময় লাগতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। রোববার রাজধানীর মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে নাগরিক উদ্যোগ ‘নাগরিক কোয়ালিশন’ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। সভার বিষয় ছিল ‘সংবিধান সংস্কারে নাগরিক জোটের ৭ প্রস্তাব’।

ড. আসিফ নজরুল বলেন, “জাতীয় সংসদই সংবিধান প্রণয়ন করে। একটি নতুন সংবিধান তৈরি করতে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর অভিজ্ঞতা অনুযায়ী প্রায় ৮-৯ বছর পর্যন্ত লেগেছে। আমাদের ক্ষেত্রেও এটি দীর্ঘ সময়ের প্রক্রিয়া হতে পারে।”

[bsa_pro_ad_space id=2]

তিনি আরও বলেন, “যতদিন না পর্যন্ত নতুন সংবিধান কার্যকর হচ্ছে, ততদিন ১৯৭২ সালের সংবিধানকেই সংশোধন করে সামনে এগোতে হবে। এই সময়টাতে সংসদই কার্যত সংবিধান পরিচালকের ভূমিকা পালন করবে।”

সংবিধান প্রণয়নের জন্য গণপরিষদ গঠন এবং এর ভূমিকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “গণপরিষদ কাজ শুরু করলে নতুন সংবিধানের খসড়া প্রণয়নেও ২-৩ বছর সময় লেগে যেতে পারে। সেই সময়কালে ১৯৭২ সালের সংবিধানের ভিত্তিতেই চলতে হবে। তবে সেই সময়ের মধ্যেই কিছু মৌলিক পরিবর্তন যেমন প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা হ্রাস, উচ্চ আদালতের বিকেন্দ্রীকরণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং সংবিধানের আর্টিকেল ১৭—এসব বিষয়ের সংস্কার আনতে হবে।”

আলোচনায় ‘জুলাই সনদ’ নিয়ে প্রশ্ন উঠলে আসিফ নজরুল বলেন, “জুলাই সনদের ওপর অনেক গুরুত্ব দেওয়া হলেও আমরা ধরে নিতে পারি না যে সবাই একমত হবে। তবে এতে কিছু মৌলিক বিষয়ের সংযোজন সম্ভব।”

প্রধানমন্ত্রীর দুই মেয়াদের সীমা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এটি একটি জনপ্রিয় দাবি এবং আমিও তা সমর্থন করি। তবে শুধু দাবি করলেই হবে না, এর পক্ষে যুক্তি দিয়ে মানুষকে বোঝাতে হবে। বিশ্বের অন্যান্য দেশে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমাবদ্ধ করার নজির খুব একটা নেই। ভারত বা যুক্তরাজ্যেও নেই। সুতরাং মূল বিষয় হলো মেয়াদ নির্ধারণ নয়, বরং প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা হ্রাস করা।”

তিনি বলেন, “দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হলে সাংবিধানিক সংস্কার জরুরি। এর জন্য একটি দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা ও সর্বস্তরের মতামতের ভিত্তিতে নতুন সংবিধান প্রণয়ন করতে হবে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

[bsa_pro_ad_space id=4]

নতুন সংবিধানে সময় লাগবে ২-৩ বছর: আসিফ নজরুল

আপডেট সময় ০৮:৩৪:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫

 

নতুন সংবিধান প্রণয়নে দুই থেকে তিন বছর সময় লাগতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। রোববার রাজধানীর মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে নাগরিক উদ্যোগ ‘নাগরিক কোয়ালিশন’ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। সভার বিষয় ছিল ‘সংবিধান সংস্কারে নাগরিক জোটের ৭ প্রস্তাব’।

ড. আসিফ নজরুল বলেন, “জাতীয় সংসদই সংবিধান প্রণয়ন করে। একটি নতুন সংবিধান তৈরি করতে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর অভিজ্ঞতা অনুযায়ী প্রায় ৮-৯ বছর পর্যন্ত লেগেছে। আমাদের ক্ষেত্রেও এটি দীর্ঘ সময়ের প্রক্রিয়া হতে পারে।”

[bsa_pro_ad_space id=2]

তিনি আরও বলেন, “যতদিন না পর্যন্ত নতুন সংবিধান কার্যকর হচ্ছে, ততদিন ১৯৭২ সালের সংবিধানকেই সংশোধন করে সামনে এগোতে হবে। এই সময়টাতে সংসদই কার্যত সংবিধান পরিচালকের ভূমিকা পালন করবে।”

সংবিধান প্রণয়নের জন্য গণপরিষদ গঠন এবং এর ভূমিকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “গণপরিষদ কাজ শুরু করলে নতুন সংবিধানের খসড়া প্রণয়নেও ২-৩ বছর সময় লেগে যেতে পারে। সেই সময়কালে ১৯৭২ সালের সংবিধানের ভিত্তিতেই চলতে হবে। তবে সেই সময়ের মধ্যেই কিছু মৌলিক পরিবর্তন যেমন প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা হ্রাস, উচ্চ আদালতের বিকেন্দ্রীকরণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং সংবিধানের আর্টিকেল ১৭—এসব বিষয়ের সংস্কার আনতে হবে।”

আলোচনায় ‘জুলাই সনদ’ নিয়ে প্রশ্ন উঠলে আসিফ নজরুল বলেন, “জুলাই সনদের ওপর অনেক গুরুত্ব দেওয়া হলেও আমরা ধরে নিতে পারি না যে সবাই একমত হবে। তবে এতে কিছু মৌলিক বিষয়ের সংযোজন সম্ভব।”

প্রধানমন্ত্রীর দুই মেয়াদের সীমা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এটি একটি জনপ্রিয় দাবি এবং আমিও তা সমর্থন করি। তবে শুধু দাবি করলেই হবে না, এর পক্ষে যুক্তি দিয়ে মানুষকে বোঝাতে হবে। বিশ্বের অন্যান্য দেশে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমাবদ্ধ করার নজির খুব একটা নেই। ভারত বা যুক্তরাজ্যেও নেই। সুতরাং মূল বিষয় হলো মেয়াদ নির্ধারণ নয়, বরং প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা হ্রাস করা।”

তিনি বলেন, “দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হলে সাংবিধানিক সংস্কার জরুরি। এর জন্য একটি দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা ও সর্বস্তরের মতামতের ভিত্তিতে নতুন সংবিধান প্রণয়ন করতে হবে।”