ঢাকা ০২:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত বিমানবাহিনী ছেড়ে এবার যাত্রীবাহী বিমান চালাবেন অভিনন্দন ‘সুইপার আর হারপিক নিয়ে আসেন, আমি ক্লিন করব’: কৃষিমন্ত্রী

প্রধান উপদেষ্টার চীন সফর দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতায় মাইলফলক হয়ে থাকবে : চীনা রাষ্ট্রদূত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:১১:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫
  • / 479

ছবি সংগৃহীত

 

 

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আসন্ন চীন সফর বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন

আরও পড়ুন  নিক্কিই ফোরাম: ফিউচার অব এশিয়া’-তে অংশগ্রহনে জাপান যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা

তিনি বলেন, “প্রধান উপদেষ্টার এই সফর দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতার একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। আমরা এ সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।”

আগামী ২৬ মার্চ ড. ইউনূস তিনদিনের সরকারি সফরে চীনের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। এই সফরকে সামনে রেখে পররাষ্ট্র সচিব এম জসীম উদ্দিনের সঙ্গে একটি সৌজন্য বৈঠক করেছেন চীনা রাষ্ট্রদূত। বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, “২০২৫ সালে বাংলাদেশ ও চীনের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্ণ হচ্ছে। এ উপলক্ষে আমরা একটি স্মরণীয় ঘোষণা দেওয়ার জন্য কাজ করছি। প্রধান উপদেষ্টার সফর সেই ঘোষণা আসার সম্ভাবনাকে আরও জোরালো করছে।”

তিনি আরও বলেন, “চীন সবসময় বাংলাদেশকে তার গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে দেখে। আমরা চাই, দুই দেশ মিলে পারস্পরিক কল্যাণে কাজ করুক। এ সফরের মাধ্যমে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং চিকিৎসা ও অবকাঠামো খাতে সহযোগিতার নতুন পথ খুলে যাবে।”

রাষ্ট্রদূত জানান, সফর সফল করতে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। সফরের প্রতিটি ধাপে ফলপ্রসূ আলোচনার মাধ্যমে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা ও যৌথ উদ্যোগ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের বর্তমান গতিধারায় এই সফর হতে পারে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁক, যা আগামী দশকে দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন সহযোগিতাকে আরও শক্ত ভিত্তি দেবে বলে আশা করছেন কূটনৈতিক মহল।

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রধান উপদেষ্টার চীন সফর দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতায় মাইলফলক হয়ে থাকবে : চীনা রাষ্ট্রদূত

আপডেট সময় ০৫:১১:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫

 

 

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আসন্ন চীন সফর বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন

আরও পড়ুন  "চীনের যুদ্ধ-বিজয়ের ৮০তম বার্ষিকীতে প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের ভাষণ"

তিনি বলেন, “প্রধান উপদেষ্টার এই সফর দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতার একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। আমরা এ সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।”

আগামী ২৬ মার্চ ড. ইউনূস তিনদিনের সরকারি সফরে চীনের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। এই সফরকে সামনে রেখে পররাষ্ট্র সচিব এম জসীম উদ্দিনের সঙ্গে একটি সৌজন্য বৈঠক করেছেন চীনা রাষ্ট্রদূত। বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, “২০২৫ সালে বাংলাদেশ ও চীনের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্ণ হচ্ছে। এ উপলক্ষে আমরা একটি স্মরণীয় ঘোষণা দেওয়ার জন্য কাজ করছি। প্রধান উপদেষ্টার সফর সেই ঘোষণা আসার সম্ভাবনাকে আরও জোরালো করছে।”

তিনি আরও বলেন, “চীন সবসময় বাংলাদেশকে তার গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে দেখে। আমরা চাই, দুই দেশ মিলে পারস্পরিক কল্যাণে কাজ করুক। এ সফরের মাধ্যমে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং চিকিৎসা ও অবকাঠামো খাতে সহযোগিতার নতুন পথ খুলে যাবে।”

রাষ্ট্রদূত জানান, সফর সফল করতে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। সফরের প্রতিটি ধাপে ফলপ্রসূ আলোচনার মাধ্যমে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা ও যৌথ উদ্যোগ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের বর্তমান গতিধারায় এই সফর হতে পারে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁক, যা আগামী দশকে দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন সহযোগিতাকে আরও শক্ত ভিত্তি দেবে বলে আশা করছেন কূটনৈতিক মহল।