ঢাকা ০৬:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
রামেক হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি কমাতে বসছে একক ‘অ্যাম্বুলেন্স সেন্টার’ বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ আজ নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত

শান্তি চাইলে হোয়াইট হাউসে ফিরে আসতে পারেন, জেলেনস্কিকে ট্রাম্পের বার্তা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৪৫:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ মার্চ ২০২৫
  • / 488

ছবি সংগৃহীত

 

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে মার্কিন সম্পৃক্ততা নিয়ে এক উত্তপ্ত বৈঠকে জড়ালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে অনুষ্ঠিত এ বৈঠক চিৎকার-চেঁচামেচির পর্যায়ে পৌঁছে গেলে শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত যৌথ সংবাদ সম্মেলন বাতিল করা হয়।

বৈঠকের শুরুতেই সাংবাদিকদের সামনে জেলেনস্কিকে আক্রমণ করে ট্রাম্প বলেন, “আপনার দেশের মানুষ সাহসী, কিন্তু আপনাকে হয় রাশিয়ার সঙ্গে একটি চুক্তি করতে হবে, নতুবা আমরা আপনাদের সঙ্গে নেই।” তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, জেলেনস্কি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঝুঁকি বাড়াচ্ছেন।

আরও পড়ুন  রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইউক্রেনে ১২ সেনা নিহত, আহত ৬০’র বেশি

জেলেনস্কি পাল্টা জবাবে বলেন, যুদ্ধবিরতি চান তিনি, তবে পুতিনের সঙ্গে কোনো আপস নয়। তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্টকে ‘খুনি’ আখ্যা দিয়ে বলেন, “একজন খুনিকে ছাড় দেওয়া উচিত নয়।”

তবে, ট্রাম্পের সঙ্গে তার সহকারী জেডি ভ্যান্সও জেলেনস্কির ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন। ভ্যান্স বলেন, “জেলেনস্কির মধ্যে কৃতজ্ঞতাবোধ নেই।” জবাবে জেলেনস্কি উচ্চস্বরে বলেন, “ইউক্রেন বহুবার যুক্তরাষ্ট্রের জনগণকে ধন্যবাদ জানিয়েছে।”

বৈঠকের পর ট্রাম্প তার সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লেখেন, “যতক্ষণ যুক্তরাষ্ট্র সম্পৃক্ত থাকবে, ততক্ষণ জেলেনস্কি শান্তির জন্য প্রস্তুত নন। তিনি ওভাল অফিসকেও অসম্মান করেছেন।” ট্রাম্প আরও লেখেন, জেলেনস্কি ‘যুক্তরাষ্ট্র ও এ দেশের শ্রদ্ধার জায়গা ওভাল অফিসকে অসম্মান’ করেছেন। যেদিন তিনি (জেলেনস্কি) শান্তির জন্য প্রস্তুত হবেন, আবার হোয়াইট হাউসে ফিরে আসতে পারেন।

এ বৈঠকের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে যে, ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে দুই নেতার অবস্থান একেবারেই বিপরীত। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেবে, তা এখন সময়ই বলে দেবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

শান্তি চাইলে হোয়াইট হাউসে ফিরে আসতে পারেন, জেলেনস্কিকে ট্রাম্পের বার্তা

আপডেট সময় ১০:৪৫:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ মার্চ ২০২৫

 

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে মার্কিন সম্পৃক্ততা নিয়ে এক উত্তপ্ত বৈঠকে জড়ালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে অনুষ্ঠিত এ বৈঠক চিৎকার-চেঁচামেচির পর্যায়ে পৌঁছে গেলে শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত যৌথ সংবাদ সম্মেলন বাতিল করা হয়।

বৈঠকের শুরুতেই সাংবাদিকদের সামনে জেলেনস্কিকে আক্রমণ করে ট্রাম্প বলেন, “আপনার দেশের মানুষ সাহসী, কিন্তু আপনাকে হয় রাশিয়ার সঙ্গে একটি চুক্তি করতে হবে, নতুবা আমরা আপনাদের সঙ্গে নেই।” তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, জেলেনস্কি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঝুঁকি বাড়াচ্ছেন।

আরও পড়ুন  ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়াকে নিঃশর্ত সমর্থনের বার্তা কিম জং উনের

জেলেনস্কি পাল্টা জবাবে বলেন, যুদ্ধবিরতি চান তিনি, তবে পুতিনের সঙ্গে কোনো আপস নয়। তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্টকে ‘খুনি’ আখ্যা দিয়ে বলেন, “একজন খুনিকে ছাড় দেওয়া উচিত নয়।”

তবে, ট্রাম্পের সঙ্গে তার সহকারী জেডি ভ্যান্সও জেলেনস্কির ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন। ভ্যান্স বলেন, “জেলেনস্কির মধ্যে কৃতজ্ঞতাবোধ নেই।” জবাবে জেলেনস্কি উচ্চস্বরে বলেন, “ইউক্রেন বহুবার যুক্তরাষ্ট্রের জনগণকে ধন্যবাদ জানিয়েছে।”

বৈঠকের পর ট্রাম্প তার সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লেখেন, “যতক্ষণ যুক্তরাষ্ট্র সম্পৃক্ত থাকবে, ততক্ষণ জেলেনস্কি শান্তির জন্য প্রস্তুত নন। তিনি ওভাল অফিসকেও অসম্মান করেছেন।” ট্রাম্প আরও লেখেন, জেলেনস্কি ‘যুক্তরাষ্ট্র ও এ দেশের শ্রদ্ধার জায়গা ওভাল অফিসকে অসম্মান’ করেছেন। যেদিন তিনি (জেলেনস্কি) শান্তির জন্য প্রস্তুত হবেন, আবার হোয়াইট হাউসে ফিরে আসতে পারেন।

এ বৈঠকের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে যে, ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে দুই নেতার অবস্থান একেবারেই বিপরীত। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেবে, তা এখন সময়ই বলে দেবে।