শিরোনাম :
মুক্তি পেলেন অভিজিৎ দীপকেসহ সিজেপির তিন নেতা
খবরের কথা ডেস্ক
- আপডেট সময় ১১:২৮:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
- / 16
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে তরুণদের দিল্লির যন্তর মন্তরে জড়ো হওয়ার আহ্বান জানানোর অভিযোগে আটক ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) তিন নেতাকে মুক্তি দিয়েছেন আদালত। মুক্তি পাওয়া নেতারা হলেন অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। রোববার (১১ অক্টোবর) সকালে দিল্লি ক্যান্টনমেন্টের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত তাঁদের মুক্তির আদেশ দেন।
শনিবার (১০ অক্টোবর) দিল্লিতে পৌঁছানোর পর উড়োজাহাজের ভেতর থেকেই তাঁদের আটক করা হয়েছিল। সিজেপি একটি ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক সংগঠন, যার কার্যক্রমের সূচনা হয়েছিল অনলাইন প্রচারণার মধ্য দিয়ে।
শনিবার দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে রাজনীতিবিদ, অভিনেতাসহ তিন হাজারের বেশি মানুষকে আটক করে পুলিশ। পরে রাতেই তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়। রাজধানীর কেন্দ্রস্থল যন্তর মন্তরে বিশৃঙ্খলা ঠেকানোর কথা জানিয়ে শহরজুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তোলে পুলিশ। এতে বিক্ষোভকারীরা নির্ধারিত স্থানে একত্র হতে না পেরে দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে প্রতিবাদ জানান।
ভারতের জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট (এনডিএ) সরকারের কড়া সমালোচক হিসেবে পরিচিত ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিও আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন। শনিবার গভীর রাতে তাঁকেও মুক্তি দেওয়া হয়।
এদিকে, দিল্লির একাধিক মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা এবং ট্রেন চলাচল স্থগিতের সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে আদালত অবমাননার আবেদনের শুনানিতে রোববার সুপ্রিম কোর্টের বিশেষ বেঞ্চ বসতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
রোববার সকালে দিল্লিতে মেট্রো চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও বিভিন্ন স্টেশনের প্রবেশ ও বের হওয়ার পথে বিপুলসংখ্যক নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন ছিলেন। আশপাশে বাসও রাখা হয়, যাতে আটক ব্যক্তিদের সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া যায়।
এর আগে শুক্রবার (৯ অক্টোবর) ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের একটি বেঞ্চ শনিবারের বিক্ষোভের আগে মেট্রো পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ না রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন। বেঞ্চের অন্য দুই সদস্য ছিলেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি মোহনা।
অন্যদিকে, সিজেপির নেতারা জানিয়েছেন, ভোটার তালিকা থেকে ১৩ কোটি ভোটারের নাম বাদ দেওয়া এবং তালিকায় কারসাজির অভিযোগের জবাবদিহি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন চলবে।
সংগঠনটির নেতাদের অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ জমায়েত ঠেকাতে দিল্লিতে ‘অঘোষিত জরুরি অবস্থা’ জারি করা হয়েছে। তাঁদের দাবি, ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে ওঠা অভিযোগের সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে।
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি।



















