ঢাকা ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
রামেক হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি কমাতে বসছে একক ‘অ্যাম্বুলেন্স সেন্টার’ বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ আজ নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত

কঙ্গোতে ১৫০ বন্দির গণধর্ষণ ও অগ্নিদাহ: মানবাধিকার সংকট

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৩৬:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 542

ছবি: সংগৃহীত

 

কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের গোমা অঞ্চলের একটি কারাগারে ১৫০ জনের বেশি নারী বন্দিকে গণধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, পালিয়ে যাওয়া পুরুষ বন্দিরা ওই কারাগারে আগুন লাগিয়ে দেয়।

জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয়ের মুখপাত্র সাইফ ম্যাঙ্গাঙ্গো সিএনএনকে জানান, ধর্ষণের শিকার ১৬৫ জন নারীর মধ্যে বেশিরভাগই আগুনে পুড়ে মারা গেছেন। তিনি আরও জানান, আগুন থেকে বেঁচে যাওয়া ৯ থেকে ১৩ জন নারীও ধর্ষণের শিকার হয়েছেন।

আরও পড়ুন  নোয়াখালীতে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে যাওয়া এক বিধবাকে গণধর্ষণ

বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই খবর জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।

ম্যাঙ্গাঙ্গো বলেন, “আমরা স্বাধীনভাবে এই প্রতিবেদন যাচাই করতে পারিনি, তবে এটি নির্ভরযোগ্য বলে বিবেচনা করছি।”

জাতিসংঘের সহযোগী গণমাধ্যম রেডিও ওকাপি জানিয়েছে, ২৭ জানুয়ারি এম২৩ বিদ্রোহীরা কঙ্গোর সরকারি বাহিনীর সঙ্গে লড়াই করার সময় ৪,০০০-এর বেশি বন্দি মুজেঞ্জে কারাগার থেকে পালিয়ে যায়। এই ঘটনার সময় কিছু পুরুষ বন্দিকে কারারক্ষীরা হত্যা করলেও অধিকাংশ বন্দি পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। বর্তমানে পুরো কারাগারটি ধ্বংস হয়ে গেছে।

কঙ্গোর যোগাযোগমন্ত্রী প্যাট্রিক মুইয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সরকার এই বর্বর অপরাধের তীব্র নিন্দা জানায়। মধ্য আফ্রিকার এই দেশটিতে যুদ্ধ ও সংঘাতের কারণে দীর্ঘদিন ধরেই যৌন সহিংসতা একটি সাধারণ ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এদিকে, জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয়ের আরেক মুখপাত্র জেরেমি লরেন্স জানান, কঙ্গোর সেনাবাহিনী এবং তাদের মিত্র বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে ৫২ জন নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে, যার মধ্যে গণধর্ষণের ঘটনাও রয়েছে। বর্তমানে গোমা অঞ্চল দখলের দাবি করা বিদ্রোহীগোষ্ঠী এম২৩ যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে। সেখানে গত এক সপ্তাহের সংঘর্ষে প্রায় ৩,০০০ মানুষ নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

কঙ্গোতে ১৫০ বন্দির গণধর্ষণ ও অগ্নিদাহ: মানবাধিকার সংকট

আপডেট সময় ১২:৩৬:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের গোমা অঞ্চলের একটি কারাগারে ১৫০ জনের বেশি নারী বন্দিকে গণধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, পালিয়ে যাওয়া পুরুষ বন্দিরা ওই কারাগারে আগুন লাগিয়ে দেয়।

জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয়ের মুখপাত্র সাইফ ম্যাঙ্গাঙ্গো সিএনএনকে জানান, ধর্ষণের শিকার ১৬৫ জন নারীর মধ্যে বেশিরভাগই আগুনে পুড়ে মারা গেছেন। তিনি আরও জানান, আগুন থেকে বেঁচে যাওয়া ৯ থেকে ১৩ জন নারীও ধর্ষণের শিকার হয়েছেন।

আরও পড়ুন  গণধর্ষণের হুমকির ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বহিষ্কৃত

বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই খবর জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।

ম্যাঙ্গাঙ্গো বলেন, “আমরা স্বাধীনভাবে এই প্রতিবেদন যাচাই করতে পারিনি, তবে এটি নির্ভরযোগ্য বলে বিবেচনা করছি।”

জাতিসংঘের সহযোগী গণমাধ্যম রেডিও ওকাপি জানিয়েছে, ২৭ জানুয়ারি এম২৩ বিদ্রোহীরা কঙ্গোর সরকারি বাহিনীর সঙ্গে লড়াই করার সময় ৪,০০০-এর বেশি বন্দি মুজেঞ্জে কারাগার থেকে পালিয়ে যায়। এই ঘটনার সময় কিছু পুরুষ বন্দিকে কারারক্ষীরা হত্যা করলেও অধিকাংশ বন্দি পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। বর্তমানে পুরো কারাগারটি ধ্বংস হয়ে গেছে।

কঙ্গোর যোগাযোগমন্ত্রী প্যাট্রিক মুইয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সরকার এই বর্বর অপরাধের তীব্র নিন্দা জানায়। মধ্য আফ্রিকার এই দেশটিতে যুদ্ধ ও সংঘাতের কারণে দীর্ঘদিন ধরেই যৌন সহিংসতা একটি সাধারণ ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এদিকে, জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয়ের আরেক মুখপাত্র জেরেমি লরেন্স জানান, কঙ্গোর সেনাবাহিনী এবং তাদের মিত্র বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে ৫২ জন নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে, যার মধ্যে গণধর্ষণের ঘটনাও রয়েছে। বর্তমানে গোমা অঞ্চল দখলের দাবি করা বিদ্রোহীগোষ্ঠী এম২৩ যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে। সেখানে গত এক সপ্তাহের সংঘর্ষে প্রায় ৩,০০০ মানুষ নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।