ঢাকা ১০:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

সরকার গঠন থেকে মাত্র ১১ আসন দূরে থালাপতি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:২৭:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬
  • / 119

ছবি সংগৃহীত

 

ভারতের তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া থালাপতি বিজয়ের দল ‘তামিলাগা ভেট্রি কাজাগাম’ (টিভিকে) এক অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে। ২৩৪ সদস্যের তামিলনাড়ু বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য ম্যাজিক ফিগার বা প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা হলো ১১৮টি আসন।

বর্তমানে ১০৭টি আসন নিয়ে বিজয় সরকার গঠন থেকে আর মাত্র ১১টি আসন দূরে অবস্থান করছেন। একক বৃহত্তম দল হিসেবে টিভিকে আত্মপ্রকাশ করায় রাজ্যপালের পক্ষ থেকে তাদের সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানানোর জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুন  তরুণ প্রজন্ম এখন আর নির্বাচনী ভাগ-বাটোয়ারায় বিশ্বাস করে না: নাহিদ ইসলাম

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলেও ছোট দলগুলোর সমর্থনে সংখ্যালঘু সরকার গঠনের পথে হাঁটতে পারেন বিজয়। এক্ষেত্রে ডিএমকে জোটের বর্তমান শরিকদের দিকেই নজর রয়েছে টিভিকের।

বিশেষ করে ৫টি আসন পাওয়া কংগ্রেস এবং ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিআই), সিপিআইএম ও ভিসিকে-র মতো দলগুলোর সমর্থন আদায়ের ব্যাপারে বিজয়ের দলের অভ্যন্তরীণ নেতারা আত্মবিশ্বাসী। এর আগে ২০০৬ সালেও তামিলনাড়ুতে বাইরের সমর্থনে ডিএমকে-র সংখ্যালঘু সরকার গঠনের নজির রয়েছে।

সরকার গঠনের জন্য টিভিকের সামনে আরেকটি পথ হলো পাট্টালি মাক্কাল কাচ্চির (পিএমকে) সমর্থন নেওয়া, যাদের হাতে ৫টি আসন রয়েছে। তবে প্রধান বিরোধী দল এআইএডিএমকে-র সঙ্গে জোটের সম্ভাবনা আপাতত ক্ষীণ বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ, আদর্শগতভাবে বিজেপি-র সঙ্গে জোটবদ্ধ কোনো শক্তির সঙ্গে আপস না করার ঘোষণা আগেই দিয়েছেন বিজয়। এছাড়া গত কয়েক মাসের তিক্ততা ও আক্রমণাত্মক প্রচারণার ফলে এআইএডিএমকে ও টিভিকের মধ্যেকার দূরত্ব আরও বেড়েছে।

বর্তমানে তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে বড় প্রশ্ন হলো—বিজয় কি ডিএমকে নেতৃত্বাধীন জোট ভেঙে নতুন কোনো সমীকরণ তৈরি করতে পারবেন? কংগ্রেসের মতো বড় শরিক দলগুলো যদি বিজয়ের টিভিকের সঙ্গে হাত মেলায়, তবে রাজ্যটিতে দীর্ঘদিনের দ্রাবিড় রাজনীতির মেরুকরণে এক বিশাল পরিবর্তন আসতে পারে। আপাতত সবার নজর এখন রাজ্যপাল এবং বিজয়ের পরবর্তী রাজনৈতিক পদক্ষেপের দিকে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সরকার গঠন থেকে মাত্র ১১ আসন দূরে থালাপতি

আপডেট সময় ০২:২৭:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

 

ভারতের তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া থালাপতি বিজয়ের দল ‘তামিলাগা ভেট্রি কাজাগাম’ (টিভিকে) এক অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে। ২৩৪ সদস্যের তামিলনাড়ু বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য ম্যাজিক ফিগার বা প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা হলো ১১৮টি আসন।

বর্তমানে ১০৭টি আসন নিয়ে বিজয় সরকার গঠন থেকে আর মাত্র ১১টি আসন দূরে অবস্থান করছেন। একক বৃহত্তম দল হিসেবে টিভিকে আত্মপ্রকাশ করায় রাজ্যপালের পক্ষ থেকে তাদের সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানানোর জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুন  জামায়াতের ঐক্যের সরকারে তারেক রহমানের ‘না’, নির্বাচনে জয় নিয়ে যা বললেন রয়টার্সকে

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলেও ছোট দলগুলোর সমর্থনে সংখ্যালঘু সরকার গঠনের পথে হাঁটতে পারেন বিজয়। এক্ষেত্রে ডিএমকে জোটের বর্তমান শরিকদের দিকেই নজর রয়েছে টিভিকের।

বিশেষ করে ৫টি আসন পাওয়া কংগ্রেস এবং ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিআই), সিপিআইএম ও ভিসিকে-র মতো দলগুলোর সমর্থন আদায়ের ব্যাপারে বিজয়ের দলের অভ্যন্তরীণ নেতারা আত্মবিশ্বাসী। এর আগে ২০০৬ সালেও তামিলনাড়ুতে বাইরের সমর্থনে ডিএমকে-র সংখ্যালঘু সরকার গঠনের নজির রয়েছে।

সরকার গঠনের জন্য টিভিকের সামনে আরেকটি পথ হলো পাট্টালি মাক্কাল কাচ্চির (পিএমকে) সমর্থন নেওয়া, যাদের হাতে ৫টি আসন রয়েছে। তবে প্রধান বিরোধী দল এআইএডিএমকে-র সঙ্গে জোটের সম্ভাবনা আপাতত ক্ষীণ বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ, আদর্শগতভাবে বিজেপি-র সঙ্গে জোটবদ্ধ কোনো শক্তির সঙ্গে আপস না করার ঘোষণা আগেই দিয়েছেন বিজয়। এছাড়া গত কয়েক মাসের তিক্ততা ও আক্রমণাত্মক প্রচারণার ফলে এআইএডিএমকে ও টিভিকের মধ্যেকার দূরত্ব আরও বেড়েছে।

বর্তমানে তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে বড় প্রশ্ন হলো—বিজয় কি ডিএমকে নেতৃত্বাধীন জোট ভেঙে নতুন কোনো সমীকরণ তৈরি করতে পারবেন? কংগ্রেসের মতো বড় শরিক দলগুলো যদি বিজয়ের টিভিকের সঙ্গে হাত মেলায়, তবে রাজ্যটিতে দীর্ঘদিনের দ্রাবিড় রাজনীতির মেরুকরণে এক বিশাল পরিবর্তন আসতে পারে। আপাতত সবার নজর এখন রাজ্যপাল এবং বিজয়ের পরবর্তী রাজনৈতিক পদক্ষেপের দিকে।