ঢাকা ০৯:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিবৃতি দিলেন পুতিন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:১১:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
  • / 183

ছবি: সংগৃহীত

 

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে ফোনালাপের পর ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে বিবৃতি দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সেই বিবৃতিতে ইরানে যত দ্রুত সম্ভব যুদ্ধ-সহিংসতা বন্ধ করতে এবং কূটনীতির পথে ফিরে আসতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

আজ শনিবার বাংলাদেশ সময় রাত ৩ টার দিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা হয় পুতিনের। ফোনকলে প্রেসিডেন্ট পুতিন ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার ঘটনায় শোক জানান। প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানও রুশ প্রেসিডেন্টকে যুদ্ধের হালনাগাদ পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন তথ্য জানান।

আরও পড়ুন  ইরানকে ‘পৃথিবী থেকে মুছে ফেলার’ হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

তাদের ফোনালাপের কিছু সময় পর একটি বিবৃতি দেওয়া হয় রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের দপ্তর ক্রেমলিন থেকে। সেই বিবৃতিতে বলা হয়, “রাশিয়া জরুরিভিত্তিতে ইরানে যাবতীয় সহিংসতা বন্ধের আহ্বান জানাচ্ছে। সেই সঙ্গে ইরান ও মধ্যপ্রাচ্য ঘিরে বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানের ক্ষেত্রে বলপ্রয়োগের কৌশল ত্যাগ করে রাজনীতি ও কূটনীতির পথে ফিরে আসার ব্যাপারে রাশিয়া তার অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করছে।”

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইরান এবং মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে প্রেসিডেন্ট পুতিন নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন এবং পেজেশকিয়ানের সঙ্গে ফোনালাপে ইরানের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা ও আত্মমর্যাদা রক্ষার এই লড়াইয়ে পূর্ণ সংহতি জানিয়েছেন।

ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।

তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।

হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলোতে দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে ইরান। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যম জানিয়েছে, এ যুদ্ধে ইরানকে গোয়েন্দা সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিবৃতি দিলেন পুতিন

আপডেট সময় ১১:১১:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

 

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে ফোনালাপের পর ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে বিবৃতি দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সেই বিবৃতিতে ইরানে যত দ্রুত সম্ভব যুদ্ধ-সহিংসতা বন্ধ করতে এবং কূটনীতির পথে ফিরে আসতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

আজ শনিবার বাংলাদেশ সময় রাত ৩ টার দিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা হয় পুতিনের। ফোনকলে প্রেসিডেন্ট পুতিন ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার ঘটনায় শোক জানান। প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানও রুশ প্রেসিডেন্টকে যুদ্ধের হালনাগাদ পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন তথ্য জানান।

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করে পরমাণু আলোচনা ‘অর্থহীন’: ইরান

তাদের ফোনালাপের কিছু সময় পর একটি বিবৃতি দেওয়া হয় রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের দপ্তর ক্রেমলিন থেকে। সেই বিবৃতিতে বলা হয়, “রাশিয়া জরুরিভিত্তিতে ইরানে যাবতীয় সহিংসতা বন্ধের আহ্বান জানাচ্ছে। সেই সঙ্গে ইরান ও মধ্যপ্রাচ্য ঘিরে বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানের ক্ষেত্রে বলপ্রয়োগের কৌশল ত্যাগ করে রাজনীতি ও কূটনীতির পথে ফিরে আসার ব্যাপারে রাশিয়া তার অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করছে।”

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইরান এবং মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে প্রেসিডেন্ট পুতিন নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন এবং পেজেশকিয়ানের সঙ্গে ফোনালাপে ইরানের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা ও আত্মমর্যাদা রক্ষার এই লড়াইয়ে পূর্ণ সংহতি জানিয়েছেন।

ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।

তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।

হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলোতে দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে ইরান। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যম জানিয়েছে, এ যুদ্ধে ইরানকে গোয়েন্দা সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া।