ঢাকা ০৯:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর চালানো হামলায় নিহত ৫১, আহত বহু

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৩৫:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুলাই ২০২৫
  • / 585

ছবি সংগৃহীত

 

 

দক্ষিণ গাজার রাফাহ শহরে খাবার সংগ্রহ করতে গিয়ে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে অন্তত ১৪ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। শুক্রবার সারা গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর চালানো হামলায় মোট প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫১ জনে। এসব ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ।

আরও পড়ুন  গরু কিনে বাড়ি ফেরা হলো না, মাদারীপুরে বাবা-ছেলেসহ ৫ জন নিহত

আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, গাজার রাফাহ শহরের একটি খাদ্য বিতরণ কেন্দ্রে গুলি চালায় ইসরায়েলি সেনারা। হতাহতরা সেখানেই খাদ্য সহায়তার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এই সহায়তা কেন্দ্রটি পরিচালিত হচ্ছিল গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশন (জিএইচএফ)-এর অধীনে।

মানবিক সহায়তার জন্য অপেক্ষা করাকালীন প্রাণ হারানোর ঘটনা গাজায় নতুন নয়। মে মাসের শেষদিক থেকে এ পর্যন্ত এমনভাবে অন্তত ৯০০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহতদের বেশিরভাগই বিভিন্ন সহায়তা কেন্দ্রের আশপাশে অবস্থান করছিলেন।

এর আগে বুধবার, দক্ষিণ গাজার আরেকটি সহায়তা বিতরণ কেন্দ্রে পদদলনের ঘটনায় অন্তত ২১ জন ফিলিস্তিনি প্রাণ হারান। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, সহায়তা নেওয়ার সময় ভিড়ের চাপে পদদলনের ঘটনা ঘটে, যা এতগুলো প্রাণ কেড়ে নেয়।

গাজার মানবিক সংকট দিনকে দিন ভয়াবহ হয়ে উঠছে। খাদ্য, পানি ও ওষুধের সংকট তীব্রতর হচ্ছে। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) জানিয়েছে, গাজার হাজার হাজার মানুষ এখন চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছে। সেখানে শরণার্থী শিবিরগুলোতে প্রতি তিনজনের মধ্যে একজন মানুষ দিনের পর দিন না খেয়ে কাটাতে বাধ্য হচ্ছেন।

মানবিক সহায়তা পৌঁছাতে না পারায় এবং সহায়তা কেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তার অভাবে অনেকেই জীবনের ঝুঁকি নিয়েই সেখানে ভিড় করছেন। এই প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক মহল থেকে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি এবং মানবিক করিডোর খোলার আহ্বান ক্রমেই জোরালো হচ্ছে।

গাজার পরিস্থিতি যে কোন মুহূর্তে আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করছে মানবাধিকার সংস্থাগুলো। বর্তমান পরিস্থিতিতে জীবন বাঁচানোর জন্য সবচেয়ে জরুরি হয়ে উঠেছে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন মানবিক সহায়তার ব্যবস্থা।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর চালানো হামলায় নিহত ৫১, আহত বহু

আপডেট সময় ১২:৩৫:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুলাই ২০২৫

 

 

দক্ষিণ গাজার রাফাহ শহরে খাবার সংগ্রহ করতে গিয়ে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে অন্তত ১৪ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। শুক্রবার সারা গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর চালানো হামলায় মোট প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫১ জনে। এসব ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ।

আরও পড়ুন  মধ্যপ্রাচ্যে ৩৫০০ মার্কিন মেরিন সেনা, ইরান বলছে—কফিন প্রস্তুত

আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, গাজার রাফাহ শহরের একটি খাদ্য বিতরণ কেন্দ্রে গুলি চালায় ইসরায়েলি সেনারা। হতাহতরা সেখানেই খাদ্য সহায়তার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এই সহায়তা কেন্দ্রটি পরিচালিত হচ্ছিল গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশন (জিএইচএফ)-এর অধীনে।

মানবিক সহায়তার জন্য অপেক্ষা করাকালীন প্রাণ হারানোর ঘটনা গাজায় নতুন নয়। মে মাসের শেষদিক থেকে এ পর্যন্ত এমনভাবে অন্তত ৯০০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহতদের বেশিরভাগই বিভিন্ন সহায়তা কেন্দ্রের আশপাশে অবস্থান করছিলেন।

এর আগে বুধবার, দক্ষিণ গাজার আরেকটি সহায়তা বিতরণ কেন্দ্রে পদদলনের ঘটনায় অন্তত ২১ জন ফিলিস্তিনি প্রাণ হারান। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, সহায়তা নেওয়ার সময় ভিড়ের চাপে পদদলনের ঘটনা ঘটে, যা এতগুলো প্রাণ কেড়ে নেয়।

গাজার মানবিক সংকট দিনকে দিন ভয়াবহ হয়ে উঠছে। খাদ্য, পানি ও ওষুধের সংকট তীব্রতর হচ্ছে। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) জানিয়েছে, গাজার হাজার হাজার মানুষ এখন চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছে। সেখানে শরণার্থী শিবিরগুলোতে প্রতি তিনজনের মধ্যে একজন মানুষ দিনের পর দিন না খেয়ে কাটাতে বাধ্য হচ্ছেন।

মানবিক সহায়তা পৌঁছাতে না পারায় এবং সহায়তা কেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তার অভাবে অনেকেই জীবনের ঝুঁকি নিয়েই সেখানে ভিড় করছেন। এই প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক মহল থেকে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি এবং মানবিক করিডোর খোলার আহ্বান ক্রমেই জোরালো হচ্ছে।

গাজার পরিস্থিতি যে কোন মুহূর্তে আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করছে মানবাধিকার সংস্থাগুলো। বর্তমান পরিস্থিতিতে জীবন বাঁচানোর জন্য সবচেয়ে জরুরি হয়ে উঠেছে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন মানবিক সহায়তার ব্যবস্থা।