ঢাকা ০৩:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত বিমানবাহিনী ছেড়ে এবার যাত্রীবাহী বিমান চালাবেন অভিনন্দন ‘সুইপার আর হারপিক নিয়ে আসেন, আমি ক্লিন করব’: কৃষিমন্ত্রী

গাজার ত্রাণকেন্দ্রের কাছে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ২৭

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:২৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫
  • / 554

ছবি সংগৃহীত

 

 

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় একটি ত্রাণ বিতরণকেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলের চালানো হামলায় অন্তত ২৭ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেকেই। স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।

আরও পড়ুন  গাজায় ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৭৬, আহত ১৮৫

হামাস পরিচালিত গাজার সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল বলেন, গাজার আল-আলম চত্বরে ট্যাঙ্ক, ড্রোন ও হেলিকপ্টার থেকে বেসামরিক মানুষদের ওপর সরাসরি গুলি চালানো হয়। এই চত্বরটি একটি ত্রাণ বিতরণকেন্দ্র থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ত্রাণ সংগ্রহ করতে আসা মানুষদের লক্ষ্য করেই হামলাটি চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ঘটনার ব্যাপারে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ) জানায়, নির্ধারিত রুট থেকে সরে এসে সেনাদের দিকে এগিয়ে যাওয়া কিছু সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে লক্ষ্য করেই গুলি চালানো হয়। তবে মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, যেকোনো ধরনের সন্দেহের মধ্যেও বেসামরিক মানুষদের জীবন রক্ষাই আন্তর্জাতিক আইনে অগ্রাধিকার পায়।

এর আগে রোববার একই রকমের ঘটনায় বহু ফিলিস্তিনি হতাহত হন। সে সময়ও ইসরায়েল দায় অস্বীকার করে জানায়, তারা গুলি চালায়নি। অথচ গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যমতে, ওই ঘটনায় ৩১ জন নিহত এবং প্রায় ২০০ জন আহত হয়েছিলেন।

মঙ্গলবার ভোরে নতুন করে চালানো হামলার পর খান ইউনিসের নাসের হাসপাতালের পরিচালক ড. আতেফ আল-হুত জানান, হাসপাতালে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ৩৭ জনকে ভর্তি করা হয়েছে এবং এর মধ্যে ২৪ জনকে মৃত অবস্থায় আনা হয়।

গাজা উপত্যকায় মানবিক পরিস্থিতি দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। ত্রাণ নেওয়ার জন্য জড়ো হওয়া অসহায় মানুষদের ওপর হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে নিন্দার ঝড় উঠেছে। কিন্তু সংঘাত থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি যুদ্ধাপরাধের শামিল হতে পারে এবং এটি আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের স্পষ্ট উদাহরণ।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজার ত্রাণকেন্দ্রের কাছে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ২৭

আপডেট সময় ১১:২৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫

 

 

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় একটি ত্রাণ বিতরণকেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলের চালানো হামলায় অন্তত ২৭ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেকেই। স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।

আরও পড়ুন  ইরানের মতো ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠীকে বিমান হামলার হুমকি দিলো ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র

হামাস পরিচালিত গাজার সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল বলেন, গাজার আল-আলম চত্বরে ট্যাঙ্ক, ড্রোন ও হেলিকপ্টার থেকে বেসামরিক মানুষদের ওপর সরাসরি গুলি চালানো হয়। এই চত্বরটি একটি ত্রাণ বিতরণকেন্দ্র থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ত্রাণ সংগ্রহ করতে আসা মানুষদের লক্ষ্য করেই হামলাটি চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ঘটনার ব্যাপারে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ) জানায়, নির্ধারিত রুট থেকে সরে এসে সেনাদের দিকে এগিয়ে যাওয়া কিছু সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে লক্ষ্য করেই গুলি চালানো হয়। তবে মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, যেকোনো ধরনের সন্দেহের মধ্যেও বেসামরিক মানুষদের জীবন রক্ষাই আন্তর্জাতিক আইনে অগ্রাধিকার পায়।

এর আগে রোববার একই রকমের ঘটনায় বহু ফিলিস্তিনি হতাহত হন। সে সময়ও ইসরায়েল দায় অস্বীকার করে জানায়, তারা গুলি চালায়নি। অথচ গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যমতে, ওই ঘটনায় ৩১ জন নিহত এবং প্রায় ২০০ জন আহত হয়েছিলেন।

মঙ্গলবার ভোরে নতুন করে চালানো হামলার পর খান ইউনিসের নাসের হাসপাতালের পরিচালক ড. আতেফ আল-হুত জানান, হাসপাতালে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ৩৭ জনকে ভর্তি করা হয়েছে এবং এর মধ্যে ২৪ জনকে মৃত অবস্থায় আনা হয়।

গাজা উপত্যকায় মানবিক পরিস্থিতি দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। ত্রাণ নেওয়ার জন্য জড়ো হওয়া অসহায় মানুষদের ওপর হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে নিন্দার ঝড় উঠেছে। কিন্তু সংঘাত থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি যুদ্ধাপরাধের শামিল হতে পারে এবং এটি আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের স্পষ্ট উদাহরণ।