ঢাকা ১১:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

গাজার ত্রাণকেন্দ্রের কাছে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ২৭

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:২৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫
  • / 452

ছবি সংগৃহীত

 

 

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় একটি ত্রাণ বিতরণকেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলের চালানো হামলায় অন্তত ২৭ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেকেই। স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।

আরও পড়ুন  সবার নজর ইরানে, গাজায় ২৪ ঘণ্টায় নিহত ১৪০: ত্রাণের অপেক্ষায় ঝরলো প্রাণ

হামাস পরিচালিত গাজার সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল বলেন, গাজার আল-আলম চত্বরে ট্যাঙ্ক, ড্রোন ও হেলিকপ্টার থেকে বেসামরিক মানুষদের ওপর সরাসরি গুলি চালানো হয়। এই চত্বরটি একটি ত্রাণ বিতরণকেন্দ্র থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ত্রাণ সংগ্রহ করতে আসা মানুষদের লক্ষ্য করেই হামলাটি চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ঘটনার ব্যাপারে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ) জানায়, নির্ধারিত রুট থেকে সরে এসে সেনাদের দিকে এগিয়ে যাওয়া কিছু সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে লক্ষ্য করেই গুলি চালানো হয়। তবে মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, যেকোনো ধরনের সন্দেহের মধ্যেও বেসামরিক মানুষদের জীবন রক্ষাই আন্তর্জাতিক আইনে অগ্রাধিকার পায়।

এর আগে রোববার একই রকমের ঘটনায় বহু ফিলিস্তিনি হতাহত হন। সে সময়ও ইসরায়েল দায় অস্বীকার করে জানায়, তারা গুলি চালায়নি। অথচ গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যমতে, ওই ঘটনায় ৩১ জন নিহত এবং প্রায় ২০০ জন আহত হয়েছিলেন।

মঙ্গলবার ভোরে নতুন করে চালানো হামলার পর খান ইউনিসের নাসের হাসপাতালের পরিচালক ড. আতেফ আল-হুত জানান, হাসপাতালে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ৩৭ জনকে ভর্তি করা হয়েছে এবং এর মধ্যে ২৪ জনকে মৃত অবস্থায় আনা হয়।

গাজা উপত্যকায় মানবিক পরিস্থিতি দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। ত্রাণ নেওয়ার জন্য জড়ো হওয়া অসহায় মানুষদের ওপর হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে নিন্দার ঝড় উঠেছে। কিন্তু সংঘাত থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি যুদ্ধাপরাধের শামিল হতে পারে এবং এটি আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের স্পষ্ট উদাহরণ।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজার ত্রাণকেন্দ্রের কাছে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ২৭

আপডেট সময় ১১:২৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫

 

 

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় একটি ত্রাণ বিতরণকেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলের চালানো হামলায় অন্তত ২৭ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেকেই। স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।

আরও পড়ুন  গাজাজুড়ে ইসরায়েলি বাহিনীর টানা হামলায় নিহত ১১০ ফিলিস্তিনি

হামাস পরিচালিত গাজার সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল বলেন, গাজার আল-আলম চত্বরে ট্যাঙ্ক, ড্রোন ও হেলিকপ্টার থেকে বেসামরিক মানুষদের ওপর সরাসরি গুলি চালানো হয়। এই চত্বরটি একটি ত্রাণ বিতরণকেন্দ্র থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ত্রাণ সংগ্রহ করতে আসা মানুষদের লক্ষ্য করেই হামলাটি চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ঘটনার ব্যাপারে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ) জানায়, নির্ধারিত রুট থেকে সরে এসে সেনাদের দিকে এগিয়ে যাওয়া কিছু সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে লক্ষ্য করেই গুলি চালানো হয়। তবে মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, যেকোনো ধরনের সন্দেহের মধ্যেও বেসামরিক মানুষদের জীবন রক্ষাই আন্তর্জাতিক আইনে অগ্রাধিকার পায়।

এর আগে রোববার একই রকমের ঘটনায় বহু ফিলিস্তিনি হতাহত হন। সে সময়ও ইসরায়েল দায় অস্বীকার করে জানায়, তারা গুলি চালায়নি। অথচ গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যমতে, ওই ঘটনায় ৩১ জন নিহত এবং প্রায় ২০০ জন আহত হয়েছিলেন।

মঙ্গলবার ভোরে নতুন করে চালানো হামলার পর খান ইউনিসের নাসের হাসপাতালের পরিচালক ড. আতেফ আল-হুত জানান, হাসপাতালে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ৩৭ জনকে ভর্তি করা হয়েছে এবং এর মধ্যে ২৪ জনকে মৃত অবস্থায় আনা হয়।

গাজা উপত্যকায় মানবিক পরিস্থিতি দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। ত্রাণ নেওয়ার জন্য জড়ো হওয়া অসহায় মানুষদের ওপর হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে নিন্দার ঝড় উঠেছে। কিন্তু সংঘাত থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি যুদ্ধাপরাধের শামিল হতে পারে এবং এটি আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের স্পষ্ট উদাহরণ।