০৬:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
‘২ হাজার টাকার কার্ড পেতে ১ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হবে না তো?’—নাহিদ ইসলাম ইতোকোতর্মিতো – বরফের রাজ্যে মানুষের বসতি উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদন পেল ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ নিরাপত্তার কারণেই ভারতে খেলবে না বাংলাদেশ, ক্রিকেটারদের সঙ্গে সরকারও সিদ্ধান্তে অটল কেউ চিরদিন বাঁচে না’—হাসিনা যুগ নিয়ে জয়ের বক্তব্য আপনারা ভালা আছেন নি?’ সিলেটে তারেক রহমান সিলেট থেকে বিএনপির সিলেট থেকে বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণা শুরু, আলিয়া মাদরাসা মাঠে জনসমুদ্র প্রচারণা শুরু, আলিয়া মাদরাসা মাঠে জনসমুদ্র ফাইনালের টিকিট রাজশাহীর, হতাশ সিলেট গাজায় একদিনে ইসরায়েলি হামলায় ৩ সাংবাদিকসহ নিহত ১১ ডা. জুবাইদার মতো আমিও আপনাদের সন্তান: তারেক রহমান

ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিলেই ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে ইন্দোনেশিয়ার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৩৭:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫
  • / 89

ছবি: সংগৃহীত

 

ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিলে ইসরায়েলকে কূটনৈতিকভাবে স্বীকৃতি দিতে প্রস্তুত ইন্দোনেশিয়া। বুধবার (২৮ মে) জাকার্তায় সফররত ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে বৈঠকে এ ঘোষণা দেন দেশটির প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো।

প্রাবোও স্পষ্ট করে বলেন, ‘ইসরায়েল যদি একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়, তাহলে ইন্দোনেশিয়া ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিতে এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করতে প্রস্তুত।’ তিনি আরও আশা প্রকাশ করেন, ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতির বিষয়ে ফ্রান্স তাদের আগের অবস্থান ধরে রাখবে।

[bsa_pro_ad_space id=2]

সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট প্রাবোও বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার একমাত্র উপায় হচ্ছে দ্বিরাষ্ট্র সমাধান। এর মাধ্যমে ফিলিস্তিনকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে এবং একইসঙ্গে ইসরায়েলের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।’

বর্তমানে ইন্দোনেশিয়ার ইসরায়েলের সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হিসেবে ইন্দোনেশিয়া দীর্ঘদিন ধরে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছে।

ইসরায়েলের সঙ্গে পূর্ববর্তী সরকার সীমিত পর্যায়ে, বিশেষ করে বাণিজ্যিক খাতে কিছু যোগাযোগ রাখলেও, উন্মুক্ত কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে বরাবরই অনাগ্রহ দেখিয়েছে। তবে গাজায় ইসরায়েলি হামলার পর দেশটির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কঠোর পদক্ষেপ নিতে দেখা যায় ইন্দোনেশিয়াকে।

গত বছরের শুরুতে গাজায় ইসরায়েলি সামরিক আগ্রাসনের প্রেক্ষিতে ইন্দোনেশিয়া সরকার ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে মামলা দায়ের করে, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোড়ন তোলে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইন্দোনেশিয়ার এই অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে। তেল আবিব যদি সত্যিই ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়, তবে মুসলিম বিশ্বের আরও কিছু দেশ ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়নের পথে হাঁটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: রয়টার্স ও টাইমস অব ইসরাইল

নিউজটি শেয়ার করুন

[bsa_pro_ad_space id=4]

ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিলেই ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে ইন্দোনেশিয়ার

আপডেট সময় ০৩:৩৭:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫

 

ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিলে ইসরায়েলকে কূটনৈতিকভাবে স্বীকৃতি দিতে প্রস্তুত ইন্দোনেশিয়া। বুধবার (২৮ মে) জাকার্তায় সফররত ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে বৈঠকে এ ঘোষণা দেন দেশটির প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো।

প্রাবোও স্পষ্ট করে বলেন, ‘ইসরায়েল যদি একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়, তাহলে ইন্দোনেশিয়া ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিতে এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করতে প্রস্তুত।’ তিনি আরও আশা প্রকাশ করেন, ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতির বিষয়ে ফ্রান্স তাদের আগের অবস্থান ধরে রাখবে।

[bsa_pro_ad_space id=2]

সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট প্রাবোও বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার একমাত্র উপায় হচ্ছে দ্বিরাষ্ট্র সমাধান। এর মাধ্যমে ফিলিস্তিনকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে এবং একইসঙ্গে ইসরায়েলের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।’

বর্তমানে ইন্দোনেশিয়ার ইসরায়েলের সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হিসেবে ইন্দোনেশিয়া দীর্ঘদিন ধরে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছে।

ইসরায়েলের সঙ্গে পূর্ববর্তী সরকার সীমিত পর্যায়ে, বিশেষ করে বাণিজ্যিক খাতে কিছু যোগাযোগ রাখলেও, উন্মুক্ত কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে বরাবরই অনাগ্রহ দেখিয়েছে। তবে গাজায় ইসরায়েলি হামলার পর দেশটির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কঠোর পদক্ষেপ নিতে দেখা যায় ইন্দোনেশিয়াকে।

গত বছরের শুরুতে গাজায় ইসরায়েলি সামরিক আগ্রাসনের প্রেক্ষিতে ইন্দোনেশিয়া সরকার ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে মামলা দায়ের করে, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোড়ন তোলে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইন্দোনেশিয়ার এই অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে। তেল আবিব যদি সত্যিই ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়, তবে মুসলিম বিশ্বের আরও কিছু দেশ ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়নের পথে হাঁটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: রয়টার্স ও টাইমস অব ইসরাইল