ঢাকা ১১:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত বিমানবাহিনী ছেড়ে এবার যাত্রীবাহী বিমান চালাবেন অভিনন্দন ‘সুইপার আর হারপিক নিয়ে আসেন, আমি ক্লিন করব’: কৃষিমন্ত্রী বিপিএল অনিশ্চিত, ক্রিকেটারদের সুখবর বিসিবি বসের দেশে ফিরে সংসদ অধিবেশনে যোগ দিলেন মির্জা আব্বাস

ইরানের হুঁশিয়ারি: আক্রমণ হলে কঠোর জবাব পাবে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৩৪:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫
  • / 516

ছবি সংগৃহীত

 

তেহরান তার ভূখণ্ডে যেকোনো ধরনের হামলার বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানাবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক হুমকির জবাবে সোমবার এ হুঁশিয়ারি দেয় ইরান। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

এর আগে রোববার ইসরায়েল অভিযোগ করে, ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের মাধ্যমে তেল আবিবের বেন গুরিয়ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চালানো হামলার সঙ্গে ইরান প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। যদিও এই অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে তেহরান।

আরও পড়ুন  ট্রাম্পের নতুন সিদ্ধান্তে যুক্তরাষ্ট্রে পাঁচ লাখ অভিবাসীর অনিশ্চয়তা, যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অতীতে হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়েছে ইসরায়েল, ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও বলেন, “ইরানের বিরুদ্ধেও সঠিক সময়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” এক্স (সাবেক টুইটার) প্ল্যাটফর্মে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এই হুমকি প্রকাশ করেন।

এই প্রেক্ষাপটে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, তারা জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তেহরান স্পষ্ট করে জানায়, যদি তাদের ভূখণ্ডে সরাসরি কোনো হামলা চালানো হয়, তাহলে এর দায়দায়িত্ব ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে নিতে হবে এবং তারা কঠোর পরিণামের মুখোমুখি হবে।

ইরান বরাবরই বলে আসছে, হুতি বিদ্রোহীদের সঙ্গে তাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক থাকলেও, সামরিক অভিযান বা হামলার পরিকল্পনায় তাদের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। অন্যদিকে, ইসরায়েল মনে করছে হুতিদের ব্যবহার করে মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের প্রভাব বাড়ানোর চেষ্টায় রয়েছে তেহরান।

তবে নতুন করে এই হুমকি-পাল্টা হুমকি দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই অবস্থার অবনতি হলে তা পুরো মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে।

বর্তমানে গাজা ও লেবানন সীমান্তে চলমান সংঘর্ষের মধ্যেই ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যকার এই নতুন উত্তেজনা আরও বড় পরিসরের সংঘাতে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মহল পরিস্থিতির শান্তিপূর্ণ সমাধানে আহ্বান জানালেও, দুই দেশই নিজেদের অবস্থানে অনড়।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানের হুঁশিয়ারি: আক্রমণ হলে কঠোর জবাব পাবে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় ১০:৩৪:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫

 

তেহরান তার ভূখণ্ডে যেকোনো ধরনের হামলার বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানাবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক হুমকির জবাবে সোমবার এ হুঁশিয়ারি দেয় ইরান। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

এর আগে রোববার ইসরায়েল অভিযোগ করে, ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের মাধ্যমে তেল আবিবের বেন গুরিয়ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চালানো হামলার সঙ্গে ইরান প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। যদিও এই অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে তেহরান।

আরও পড়ুন  ইসরায়েল–সিরিয়ার নিরাপত্তা চুক্তি নিয়ে বড় অগ্রগতি

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অতীতে হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়েছে ইসরায়েল, ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও বলেন, “ইরানের বিরুদ্ধেও সঠিক সময়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” এক্স (সাবেক টুইটার) প্ল্যাটফর্মে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এই হুমকি প্রকাশ করেন।

এই প্রেক্ষাপটে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, তারা জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তেহরান স্পষ্ট করে জানায়, যদি তাদের ভূখণ্ডে সরাসরি কোনো হামলা চালানো হয়, তাহলে এর দায়দায়িত্ব ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে নিতে হবে এবং তারা কঠোর পরিণামের মুখোমুখি হবে।

ইরান বরাবরই বলে আসছে, হুতি বিদ্রোহীদের সঙ্গে তাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক থাকলেও, সামরিক অভিযান বা হামলার পরিকল্পনায় তাদের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। অন্যদিকে, ইসরায়েল মনে করছে হুতিদের ব্যবহার করে মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের প্রভাব বাড়ানোর চেষ্টায় রয়েছে তেহরান।

তবে নতুন করে এই হুমকি-পাল্টা হুমকি দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই অবস্থার অবনতি হলে তা পুরো মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে।

বর্তমানে গাজা ও লেবানন সীমান্তে চলমান সংঘর্ষের মধ্যেই ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যকার এই নতুন উত্তেজনা আরও বড় পরিসরের সংঘাতে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মহল পরিস্থিতির শান্তিপূর্ণ সমাধানে আহ্বান জানালেও, দুই দেশই নিজেদের অবস্থানে অনড়।