ঢাকা ০২:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রথমার্ধে গোলশূন্য; রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত আর্জেন্টিনা ‎বিতর্ক এড়াতে ফাইনালে সাত দেশের রেফারি জুলাই সনদ বিতর্কের ইতি টানার উচিত: মির্জা ফখরুলের ‎শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত: চিফ প্রসিকিউটর জিম্বাবুয়েকে ১৪৩ রানে থামাল বাংলাদেশ, লক্ষ্য ১৪৪ রাজনৈতিক পক্ষপাত ছাড়াই দায়িত্ব পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‎গণমাধ্যমের তোষামোদী সংস্কৃতি এখনো রয়ে গেছে— মির্জা ফখরুল ‎সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টস হেরে বোলিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে দুই পরিবর্তন জুলাই বিপ্লবে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলন সফল হয়েছে: রিজভী জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পর নতুন দাবি তেহরানের

ট্রাম্পের নতুন সিদ্ধান্তে যুক্তরাষ্ট্রে পাঁচ লাখ অভিবাসীর অনিশ্চয়তা, যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:০৭:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ মার্চ ২০২৫
  • / 369

ছবি সংগৃহীত

 

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত কিউবা, হাইতি, নিকারাগুয়া ও ভেনিজুয়েলার নাগরিকদের জন্য বড় ধরনের ধাক্কা নিয়ে এল দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন সিদ্ধান্ত। প্রায় পাঁচ লাখ ৩০ হাজার অভিবাসীর অস্থায়ী আইনি মর্যাদা বাতিল করে তাদের ২৪ এপ্রিলের মধ্যে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (২১ মার্চ) মার্কিন ফেডারেল রেজিস্ট্রারে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এর ফলে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আমলে চালু হওয়া ‘প্যারোল’ প্রক্রিয়ার ইতি ঘটবে, যার আওতায় স্থানীয় স্পন্সরের সহায়তায় এসব অভিবাসী যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের সুযোগ পেতেন।

আরও পড়ুন  মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর থেকে ১,৩৫০ কর্মকর্তা ছাঁটাই করলো ট্রাম্প প্রশাসন

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, ট্রাম্প প্রশাসন অভিবাসননীতিতে আরও কঠোর অবস্থান নিচ্ছে এবং এ পদক্ষেপ তার সর্বশেষ উদ্যোগ।

যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ঘোষণায় বলা হয়েছে, কিউবা, হাইতি, নিকারাগুয়া ও ভেনিজুয়েলা থেকে আগত যেসব অভিবাসী বর্তমানে অস্থায়ী বৈধ মর্যাদায় রয়েছেন, তাদের মর্যাদা ২৪ এপ্রিলের পর বাতিল বলে গণ্য হবে। এই সময়সীমার মধ্যে দেশ না ছাড়লে তাদের পারমিট ও বহিষ্কার সুরক্ষা (ডিপোর্টেশন প্রোটেকশন) বাতিল করে দেওয়া হবে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, বাইডেন প্রশাসনের প্যারোল কর্মসূচি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আইনকে লঙ্ঘন করেছে। সে কারণেই চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি এক নির্বাহী আদেশ জারি করে তিনি এই কর্মসূচি বন্ধের নির্দেশ দেন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, আগামী নির্বাচনের আগেই ট্রাম্প তার কড়া অভিবাসন নীতির বার্তা তুলে ধরতে চান, আর এ সিদ্ধান্ত তারই ইঙ্গিত। তবে হঠাৎ এই সিদ্ধান্তে লক্ষাধিক মানুষ পড়েছেন চরম অনিশ্চয়তার মুখে, যারা ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করে কর্মসংস্থান ও নিরাপদ জীবনের স্বপ্ন গড়ে তুলেছিলেন।

মানবাধিকার সংস্থাগুলো এ সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করে বলছে, এটি শুধু অমানবিক নয়, বরং অনেক পরিবারকে চরম বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিতে পারে। এখন দেখার বিষয়, আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে আদৌ সিদ্ধান্তটি কার্যকর হয় কিনা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্রাম্পের নতুন সিদ্ধান্তে যুক্তরাষ্ট্রে পাঁচ লাখ অভিবাসীর অনিশ্চয়তা, যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ

আপডেট সময় ০৪:০৭:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ মার্চ ২০২৫

 

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত কিউবা, হাইতি, নিকারাগুয়া ও ভেনিজুয়েলার নাগরিকদের জন্য বড় ধরনের ধাক্কা নিয়ে এল দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন সিদ্ধান্ত। প্রায় পাঁচ লাখ ৩০ হাজার অভিবাসীর অস্থায়ী আইনি মর্যাদা বাতিল করে তাদের ২৪ এপ্রিলের মধ্যে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (২১ মার্চ) মার্কিন ফেডারেল রেজিস্ট্রারে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এর ফলে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আমলে চালু হওয়া ‘প্যারোল’ প্রক্রিয়ার ইতি ঘটবে, যার আওতায় স্থানীয় স্পন্সরের সহায়তায় এসব অভিবাসী যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের সুযোগ পেতেন।

আরও পড়ুন  বিশ্বকাপের আগে যুক্তরাষ্ট্রে মেসির বিরুদ্ধে মামলা

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, ট্রাম্প প্রশাসন অভিবাসননীতিতে আরও কঠোর অবস্থান নিচ্ছে এবং এ পদক্ষেপ তার সর্বশেষ উদ্যোগ।

যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ঘোষণায় বলা হয়েছে, কিউবা, হাইতি, নিকারাগুয়া ও ভেনিজুয়েলা থেকে আগত যেসব অভিবাসী বর্তমানে অস্থায়ী বৈধ মর্যাদায় রয়েছেন, তাদের মর্যাদা ২৪ এপ্রিলের পর বাতিল বলে গণ্য হবে। এই সময়সীমার মধ্যে দেশ না ছাড়লে তাদের পারমিট ও বহিষ্কার সুরক্ষা (ডিপোর্টেশন প্রোটেকশন) বাতিল করে দেওয়া হবে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, বাইডেন প্রশাসনের প্যারোল কর্মসূচি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আইনকে লঙ্ঘন করেছে। সে কারণেই চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি এক নির্বাহী আদেশ জারি করে তিনি এই কর্মসূচি বন্ধের নির্দেশ দেন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, আগামী নির্বাচনের আগেই ট্রাম্প তার কড়া অভিবাসন নীতির বার্তা তুলে ধরতে চান, আর এ সিদ্ধান্ত তারই ইঙ্গিত। তবে হঠাৎ এই সিদ্ধান্তে লক্ষাধিক মানুষ পড়েছেন চরম অনিশ্চয়তার মুখে, যারা ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করে কর্মসংস্থান ও নিরাপদ জীবনের স্বপ্ন গড়ে তুলেছিলেন।

মানবাধিকার সংস্থাগুলো এ সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করে বলছে, এটি শুধু অমানবিক নয়, বরং অনেক পরিবারকে চরম বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিতে পারে। এখন দেখার বিষয়, আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে আদৌ সিদ্ধান্তটি কার্যকর হয় কিনা।