ঢাকা ০৮:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

ই*স*রা*য়ে*লে দাবানলে তাণ্ডব, জনপদ খালি, রুট ৩৮ বন্ধ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৩৫:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫
  • / 465

ছবি সংগৃহীত

 

ইসরায়েলের বিভিন্ন অঞ্চলে হঠাৎ করে ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। প্রচণ্ড তাপদাহ এবং প্রবল বাতাসের কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খাচ্ছে দেশটির ফায়ার সার্ভিস। আগুন নিয়ন্ত্রণে বিমান ও হেলিকপ্টার নামিয়েও পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা যাচ্ছে না।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েলের তথ্য মতে, বুধবার (২৩ এপ্রিল) দিনের শুরু থেকেই ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে আগুনের প্রকোপ বাড়তে থাকে। বিশেষ করে বেইত শেমেশ এলাকার আশপাশে দাবানলের ভয়াবহতা চরমে পৌঁছেছে। আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় এশতাওল, বেইত মেইর এবং মেসিলাত জিওন এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া নিরাপত্তার স্বার্থে জেরুজালেমের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনকারী রুট ৩৮ বন্ধ করে দিয়েছে পুলিশ।

আরও পড়ুন  গাজায় আবারও ইসরায়েলি হামলা: নারীসহ নিহত আরও ১২ ফিলিস্তিনি

প্রথমে মোশাভ তারুম এলাকার কাছে আগুনের সূত্রপাত হয়। বাতাসের গতিবেগ বেশি থাকায় মুহূর্তেই আগুন বিস্তৃত হয়ে পড়ে। দমকল বাহিনী আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করলে হঠাৎ করে আগুনের মাত্রা আরও বেড়ে যায়।

ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দাবানলে এখন পর্যন্ত নয়জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাতজন দমকল কর্মী এবং দুজন স্থানীয় বাসিন্দা রয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ছয়টি জেলার দমকল বাহিনীকে একত্রিত করা হয়েছে। এছাড়া ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) ও ফায়ার সার্ভিস যৌথভাবে কাজ করছে। বেইত শেমেশ অঞ্চলের উত্তরে ১১০টি দমকল ইউনিট, আটটি অগ্নিনির্বাপক বিমান এবং একটি হেলিকপ্টার দিন-রাত কাজ করছে।

স্থানীয় প্রশাসন বলছে, আবহাওয়ার অবনতির কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। নাগরিকদের নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করতে বলা হয়েছে এবং জরুরি পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।

অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ জানা না গেলেও কর্তৃপক্ষ বলছে, চলমান তাপদাহ এবং শুষ্ক আবহাওয়া দাবানলের মূল কারণ। যত দ্রুত সম্ভব আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে প্রশাসন।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইসরায়েলে দাবানলের প্রকোপ বেড়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো। এই ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় আরও প্রস্তুতির তাগিদ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ই*স*রা*য়ে*লে দাবানলে তাণ্ডব, জনপদ খালি, রুট ৩৮ বন্ধ

আপডেট সময় ০১:৩৫:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫

 

ইসরায়েলের বিভিন্ন অঞ্চলে হঠাৎ করে ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। প্রচণ্ড তাপদাহ এবং প্রবল বাতাসের কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খাচ্ছে দেশটির ফায়ার সার্ভিস। আগুন নিয়ন্ত্রণে বিমান ও হেলিকপ্টার নামিয়েও পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা যাচ্ছে না।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েলের তথ্য মতে, বুধবার (২৩ এপ্রিল) দিনের শুরু থেকেই ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে আগুনের প্রকোপ বাড়তে থাকে। বিশেষ করে বেইত শেমেশ এলাকার আশপাশে দাবানলের ভয়াবহতা চরমে পৌঁছেছে। আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় এশতাওল, বেইত মেইর এবং মেসিলাত জিওন এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া নিরাপত্তার স্বার্থে জেরুজালেমের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনকারী রুট ৩৮ বন্ধ করে দিয়েছে পুলিশ।

আরও পড়ুন  গাল গ্যাডটের ‘ওয়াক অব ফেম’ সম্মাননা ঘিরে উত্তেজনা, অনুষ্ঠান ঘিরে মুখোমুখি ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনপন্থীরা

প্রথমে মোশাভ তারুম এলাকার কাছে আগুনের সূত্রপাত হয়। বাতাসের গতিবেগ বেশি থাকায় মুহূর্তেই আগুন বিস্তৃত হয়ে পড়ে। দমকল বাহিনী আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করলে হঠাৎ করে আগুনের মাত্রা আরও বেড়ে যায়।

ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দাবানলে এখন পর্যন্ত নয়জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাতজন দমকল কর্মী এবং দুজন স্থানীয় বাসিন্দা রয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ছয়টি জেলার দমকল বাহিনীকে একত্রিত করা হয়েছে। এছাড়া ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) ও ফায়ার সার্ভিস যৌথভাবে কাজ করছে। বেইত শেমেশ অঞ্চলের উত্তরে ১১০টি দমকল ইউনিট, আটটি অগ্নিনির্বাপক বিমান এবং একটি হেলিকপ্টার দিন-রাত কাজ করছে।

স্থানীয় প্রশাসন বলছে, আবহাওয়ার অবনতির কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। নাগরিকদের নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করতে বলা হয়েছে এবং জরুরি পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।

অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ জানা না গেলেও কর্তৃপক্ষ বলছে, চলমান তাপদাহ এবং শুষ্ক আবহাওয়া দাবানলের মূল কারণ। যত দ্রুত সম্ভব আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে প্রশাসন।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইসরায়েলে দাবানলের প্রকোপ বেড়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো। এই ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় আরও প্রস্তুতির তাগিদ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।