ঢাকা ০৪:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
ছাত্রদলের পুস্তিকা ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম উদ্বোধন করলেন রিজভী সাংবাদিকের লেখায় যেন কারও জীবন, ক্যারিয়ার ও মানসম্মান ক্ষতিগ্রস্ত না হয়: তথ্যমন্ত্রী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির উন্নতি হবে দুই সপ্তাহের মধ্যে: প্রতিমন্ত্রী অমিত জন্মের ১০০ বছরে উত্তম কুমার, দুই বাংলার দর্শকের ভালোবাসায় অমর মহানায়ক বিশ্ব ইজতেমা দুই পর্বে হবে, তারিখ ঘোষণা ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সন্ধ্যার মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ো হাওয়া, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত শেখ হাসিনাসহ ৩০ জনকে আত্মসমর্পণে বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ তাবলিগ জামাতের মাওলানা এহসানুল হক আর নেই বৃষ্টির ফোঁটা থেকেই বিদ্যুৎ! নতুন সম্ভাবনা দেখছেন গবেষকরা

ফেডারেল তহবিল স্থগিতের প্রতিবাদে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে হার্ভার্ডের মামলা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:২২:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল ২০২৫
  • / 494

ছবি সংগৃহীত

 

যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম শীর্ষ বিদ্যাপীঠ হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে একটি ফেডারেল মামলা দায়ের করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়টির অভিযোগ, সরকার বেআইনিভাবে শত কোটি ডলারের ফেডারেল তহবিল স্থগিত করেছে, যা তাদের সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন করেছে। সোমবার (২১ এপ্রিল) হার্ভার্ডের সভাপতি অ্যালান গার্বার এক বিবৃতিতে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। খবর আল জাজিরার।

গার্বার বলেন, ‘আমরা কিছুক্ষণ আগেই সরকারকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে মামলা দায়ের করেছি। কারণ এই তহবিল স্থগিতের সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ বেআইনি এবং সংবিধানবিরোধী। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবিকে আমরা অগ্রাহ্য করার পরপরই তারা একাধিক শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেয়, যার মধ্যে ২.২ বিলিয়ন ডলারের গবেষণা তহবিল স্থগিত অন্যতম।’

আরও পড়ুন  হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সকল অনুদান বন্ধ করল ট্রাম্প প্রশাসন

তিনি আরও জানান, এই তহবিল স্থগিতের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা কার্যক্রম হুমকির মুখে পড়েছে। বিশেষ করে শিশুদের ক্যান্সার, সংক্রামক রোগ এবং আহত সেনাদের ব্যথা উপশম সংক্রান্ত গবেষণাগুলো এখন অনিশ্চয়তায়।

হার্ভার্ডের পক্ষ থেকে দায়েরকৃত ৫১ পৃষ্ঠার মামলাটি ম্যাসাচুসেটসের ফেডারেল জেলা আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। এতে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে প্রথম সংশোধনী এবং অন্যান্য ফেডারেল আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলায় রাষ্ট্রপতির ‘স্থির আদেশ’কে অসাংবিধানিক ঘোষণা করার জন্য আদালতের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে এবং সরকারের তহবিল স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের নির্দেশ চাওয়া হয়েছে।

মামলায় যেসব সরকারি সংস্থার নাম উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে শিক্ষা বিভাগ, স্বাস্থ্য বিভাগ, জ্বালানি বিভাগ, বিচার বিভাগ এবং জেনারেল সার্ভিসেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, এই তহবিল বন্ধ করার মাধ্যমে সরকার মূলত শিক্ষাব্যবস্থার ওপর রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে চাইছে, যাতে তারা সরকারের অগ্রহণযোগ্য হস্তক্ষেপ মেনে নিতে বাধ্য হয়।

হার্ভার্ড ও ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যে এই উত্তেজনা ইতোমধ্যেই দেশজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, আদালত এই মামলায় কী রায় দেয় এবং তা যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চশিক্ষা ও ফেডারেল নীতিনির্ধারণে কতটা প্রভাব ফেলবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ফেডারেল তহবিল স্থগিতের প্রতিবাদে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে হার্ভার্ডের মামলা

আপডেট সময় ১১:২২:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল ২০২৫

 

যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম শীর্ষ বিদ্যাপীঠ হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে একটি ফেডারেল মামলা দায়ের করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়টির অভিযোগ, সরকার বেআইনিভাবে শত কোটি ডলারের ফেডারেল তহবিল স্থগিত করেছে, যা তাদের সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন করেছে। সোমবার (২১ এপ্রিল) হার্ভার্ডের সভাপতি অ্যালান গার্বার এক বিবৃতিতে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। খবর আল জাজিরার।

গার্বার বলেন, ‘আমরা কিছুক্ষণ আগেই সরকারকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে মামলা দায়ের করেছি। কারণ এই তহবিল স্থগিতের সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ বেআইনি এবং সংবিধানবিরোধী। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবিকে আমরা অগ্রাহ্য করার পরপরই তারা একাধিক শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেয়, যার মধ্যে ২.২ বিলিয়ন ডলারের গবেষণা তহবিল স্থগিত অন্যতম।’

আরও পড়ুন  তিন দিনের সফরে আজ ঢাকা আসছেন ট্রাম্প প্রশাসনের দুই কর্মকর্তা

তিনি আরও জানান, এই তহবিল স্থগিতের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা কার্যক্রম হুমকির মুখে পড়েছে। বিশেষ করে শিশুদের ক্যান্সার, সংক্রামক রোগ এবং আহত সেনাদের ব্যথা উপশম সংক্রান্ত গবেষণাগুলো এখন অনিশ্চয়তায়।

হার্ভার্ডের পক্ষ থেকে দায়েরকৃত ৫১ পৃষ্ঠার মামলাটি ম্যাসাচুসেটসের ফেডারেল জেলা আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। এতে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে প্রথম সংশোধনী এবং অন্যান্য ফেডারেল আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলায় রাষ্ট্রপতির ‘স্থির আদেশ’কে অসাংবিধানিক ঘোষণা করার জন্য আদালতের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে এবং সরকারের তহবিল স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের নির্দেশ চাওয়া হয়েছে।

মামলায় যেসব সরকারি সংস্থার নাম উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে শিক্ষা বিভাগ, স্বাস্থ্য বিভাগ, জ্বালানি বিভাগ, বিচার বিভাগ এবং জেনারেল সার্ভিসেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, এই তহবিল বন্ধ করার মাধ্যমে সরকার মূলত শিক্ষাব্যবস্থার ওপর রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে চাইছে, যাতে তারা সরকারের অগ্রহণযোগ্য হস্তক্ষেপ মেনে নিতে বাধ্য হয়।

হার্ভার্ড ও ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যে এই উত্তেজনা ইতোমধ্যেই দেশজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, আদালত এই মামলায় কী রায় দেয় এবং তা যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চশিক্ষা ও ফেডারেল নীতিনির্ধারণে কতটা প্রভাব ফেলবে।