ঢাকা ০২:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সিভিল সার্জনদের উদ্যোগেই স্বাস্থ্যসেবায় ২৫% উন্নতি সম্ভব: প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:১২:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ মে ২০২৫
  • / 549

ছবি: সংগৃহীত

 

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করলে সীমিত সম্পদেও দেশের স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসেবায় ২৫ শতাংশ উন্নয়ন সম্ভব। শুধু স্বাস্থ্যখাতে প্রচলিত নিয়ম-কানুন যথাযথভাবে মেনে চললেই এই অগ্রগতি নিশ্চিত করা যায়।

সোমবার (১২ মে) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রথমবারের মতো আয়োজিত সিভিল সার্জন সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আরও পড়ুন  জুলাই ‘পুনর্জাগরণ’ অনুষ্ঠানে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট কর্মসূচি বাতিল: সংস্কৃতি উপদেষ্টা

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “জনবল বা যন্ত্রপাতির অভাবের অজুহাতে হাত গুটিয়ে বসে থাকা চলবে না। যা কিছু আছে, তাই দিয়ে চিকিৎসাসেবা চালিয়ে যেতে হবে। পাশাপাশি সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসতে হবে।”

সিভিল সার্জন সম্মেলন নিয়ে তিনি বলেন, “এতদিন এই ধরনের সম্মেলন কেন হয়নি, তা সত্যিই বোধগম্য নয়। এই সম্মেলনের মাধ্যমে সরাসরি মতবিনিময় ও সমস্যার সমাধানের পথ তৈরি হবে।”

স্বাস্থ্যখাতকে ঢেলে সাজানোর লক্ষ্যে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের আদলে এবারই প্রথমবার ৬৪ জেলার সিভিল সার্জনদের নিয়ে দুই দিনব্যাপী এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। সম্মেলনে স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন সমস্যা, চ্যালেঞ্জ এবং সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হবে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ সম্মেলনে অংশ নিতে সিভিল সার্জনদের পূর্বেই নিজ নিজ জেলার স্বাস্থ্যসেবার চিত্র তুলে ধরে মতামত পাঠাতে বলা হয়। তারা সেইমতো প্রতিবেদনও দিয়েছেন।

সম্মেলনের বিভিন্ন অধিবেশনে অংশ নেবেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের উপদেষ্টা, সচিব, সিনিয়র কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞরা। তারা স্বাস্থ্যসেবার কাঠামো উন্নয়নে বাস্তবভিত্তিক পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দেবেন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এই সম্মেলন দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার ভেতর থেকে উঠে আসা অভিজ্ঞতাকে নীতিনির্ধারণে কাজে লাগানোর এক অনন্য সুযোগ করে দেবে। এতে করে মাঠপর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার কাঠামো আরও সুসংহত ও কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে এই সম্মেলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং ভবিষ্যতেও এমন আয়োজন নিয়মিত করার দাবি উঠছে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সিভিল সার্জনদের উদ্যোগেই স্বাস্থ্যসেবায় ২৫% উন্নতি সম্ভব: প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

আপডেট সময় ০১:১২:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ মে ২০২৫

 

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করলে সীমিত সম্পদেও দেশের স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসেবায় ২৫ শতাংশ উন্নয়ন সম্ভব। শুধু স্বাস্থ্যখাতে প্রচলিত নিয়ম-কানুন যথাযথভাবে মেনে চললেই এই অগ্রগতি নিশ্চিত করা যায়।

সোমবার (১২ মে) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রথমবারের মতো আয়োজিত সিভিল সার্জন সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আরও পড়ুন  ড. ইউনূস ও আসিফ নজরুলসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “জনবল বা যন্ত্রপাতির অভাবের অজুহাতে হাত গুটিয়ে বসে থাকা চলবে না। যা কিছু আছে, তাই দিয়ে চিকিৎসাসেবা চালিয়ে যেতে হবে। পাশাপাশি সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসতে হবে।”

সিভিল সার্জন সম্মেলন নিয়ে তিনি বলেন, “এতদিন এই ধরনের সম্মেলন কেন হয়নি, তা সত্যিই বোধগম্য নয়। এই সম্মেলনের মাধ্যমে সরাসরি মতবিনিময় ও সমস্যার সমাধানের পথ তৈরি হবে।”

স্বাস্থ্যখাতকে ঢেলে সাজানোর লক্ষ্যে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের আদলে এবারই প্রথমবার ৬৪ জেলার সিভিল সার্জনদের নিয়ে দুই দিনব্যাপী এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। সম্মেলনে স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন সমস্যা, চ্যালেঞ্জ এবং সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হবে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ সম্মেলনে অংশ নিতে সিভিল সার্জনদের পূর্বেই নিজ নিজ জেলার স্বাস্থ্যসেবার চিত্র তুলে ধরে মতামত পাঠাতে বলা হয়। তারা সেইমতো প্রতিবেদনও দিয়েছেন।

সম্মেলনের বিভিন্ন অধিবেশনে অংশ নেবেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের উপদেষ্টা, সচিব, সিনিয়র কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞরা। তারা স্বাস্থ্যসেবার কাঠামো উন্নয়নে বাস্তবভিত্তিক পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দেবেন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এই সম্মেলন দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার ভেতর থেকে উঠে আসা অভিজ্ঞতাকে নীতিনির্ধারণে কাজে লাগানোর এক অনন্য সুযোগ করে দেবে। এতে করে মাঠপর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার কাঠামো আরও সুসংহত ও কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে এই সম্মেলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং ভবিষ্যতেও এমন আয়োজন নিয়মিত করার দাবি উঠছে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে।