ঢাকা ০৭:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬
শিরোনাম :
নির্বাচনের আগে যেভাবে একসঙ্গে কাজ করেছি, দেশ গঠনেও থাকতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ‘২৯ বছর বয়সেই রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের জন্য ব্যাকুল কেউ কেউ’: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী সালমান শাহ হ/ত্যা মা/ম/লায় গ্রে/প্তার ডনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ কলকাতায় মমতার গাড়ি লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল, অল্পের জন্য রক্ষা পাওয়ার দাবি বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চু*রির মা*ম*লায় তদন্ত প্রতিবেদন ৯৭ বার পেছাল হেফাজত আমিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে বাবুনগর মাদ্রাসায় প্রধানমন্ত্রী সালমান শাহ হ/ত্যা মা*ম*লা, ডন আ*টক সাতক্ষীরায় ছাত্রদলের ১০ নেতাকর্মীকে পি*টি*য়ে হাসপাতালে পাঠাল নি/ষি/দ্ধ ছাত্রলীগ ‘বিভ্রান্ত করে জনগণের শান্তি নষ্ট করবেন না’: প্রধানমন্ত্রী চাঁদপুরে হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, সিভিল সার্জনকে বদলির নির্দেশ

আগাম রিটার্নে করছাড়, দেরি হলে জরিমানার বিধান করছে এনবিআর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৩৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • / 52

ছবিসংগৃহীত

 

আয়কর রিটার্ন দাখিলে নতুন প্রণোদনা ও জরিমানার ব্যবস্থা চালু করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। নতুন বিধান অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে করদাতারা সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ বা ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত করছাড় পাবেন। তবে নির্ধারিত সময়ের পরে রিটার্ন দাখিল করলে অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ করতে হবে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিক অর্থাৎ জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রিটার্ন দাখিল করলে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ অথবা সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা—যেটি কম, সেই পরিমাণ করছাড় মিলবে।

আরও পড়ুন  নির্মাণশিল্পে মন্দা, শুল্ক-কর হ্রাসের দাবি উদ্যোক্তাদের

উদাহরণ হিসেবে, কোনো করদাতার পরিশোধযোগ্য কর এক লাখ টাকা হলে তিনি ৫ হাজার টাকা করছাড় পেয়ে ৯৫ হাজার টাকা পরিশোধ করবেন। একইভাবে ৫০ হাজার টাকা কর হলে ২ হাজার ৫০০ টাকা ছাড় পাবেন।

এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে সোয়া এক কোটির বেশি কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন)ধারী রয়েছেন। গত অর্থবছরে ৪৫ লাখের বেশি করদাতা অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করেছেন।

নতুন বিধানে সারা বছরই আয়কর রিটার্ন দাখিলের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত রিটার্ন জমা দিলে কোনো করছাড় বা অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ করতে হবে না।

অন্যদিকে জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত রিটার্ন দাখিল করলে পরিশোধযোগ্য করের ২ শতাংশ অথবা ৩ হাজার টাকা—যেটি বেশি, সেই পরিমাণ অতিরিক্ত অর্থ দিতে হবে। তবে অতিরিক্ত অর্থের পরিমাণ ৩ হাজার টাকার বেশি হবে না।

এ ছাড়া এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত রিটার্ন দাখিল করলে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ অথবা ৫ হাজার টাকা—যেটি বেশি, সেই পরিমাণ অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্থের সর্বোচ্চ সীমা ৫ হাজার টাকা।

এনবিআরের উদাহরণ অনুযায়ী, এক লাখ টাকা করযোগ্য কোনো করদাতা জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে তাকে এক লাখ দুই হাজার টাকা এবং এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে দাখিল করলে এক লাখ পাঁচ হাজার টাকা পরিশোধ করতে হবে।

করদাতারা এনবিআরের ই-রিটার্ন পোর্টালে বার্ষিক আয়, বিনিয়োগ, ব্যয়, সম্পদ ও দায়-সংক্রান্ত তথ্য দিয়ে অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন। রিটার্ন জমা দেওয়ার পর ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড এবং বিকাশ, রকেট ও নগদের মতো মোবাইল আর্থিক সেবার মাধ্যমে কর পরিশোধের সুযোগ থাকবে। সফলভাবে রিটার্ন জমা হলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রাপ্তি স্বীকারপত্র ও আয়কর সনদ সংগ্রহ করা যাবে।

এনবিআরের আশা, আগাম রিটার্ন দাখিলে করছাড় এবং বিলম্বে অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধের এই ব্যবস্থা করদাতাদের সময়মতো রিটার্ন জমা দিতে আরও উৎসাহিত করবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আগাম রিটার্নে করছাড়, দেরি হলে জরিমানার বিধান করছে এনবিআর

আপডেট সময় ০৯:৩৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

 

আয়কর রিটার্ন দাখিলে নতুন প্রণোদনা ও জরিমানার ব্যবস্থা চালু করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। নতুন বিধান অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে করদাতারা সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ বা ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত করছাড় পাবেন। তবে নির্ধারিত সময়ের পরে রিটার্ন দাখিল করলে অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ করতে হবে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিক অর্থাৎ জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রিটার্ন দাখিল করলে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ অথবা সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা—যেটি কম, সেই পরিমাণ করছাড় মিলবে।

আরও পড়ুন  টিউলিপ সিদ্দিকের আয়কর ও ফ্ল্যাট সংক্রান্ত নথি জব্দ

উদাহরণ হিসেবে, কোনো করদাতার পরিশোধযোগ্য কর এক লাখ টাকা হলে তিনি ৫ হাজার টাকা করছাড় পেয়ে ৯৫ হাজার টাকা পরিশোধ করবেন। একইভাবে ৫০ হাজার টাকা কর হলে ২ হাজার ৫০০ টাকা ছাড় পাবেন।

এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে সোয়া এক কোটির বেশি কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন)ধারী রয়েছেন। গত অর্থবছরে ৪৫ লাখের বেশি করদাতা অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করেছেন।

নতুন বিধানে সারা বছরই আয়কর রিটার্ন দাখিলের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত রিটার্ন জমা দিলে কোনো করছাড় বা অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ করতে হবে না।

অন্যদিকে জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত রিটার্ন দাখিল করলে পরিশোধযোগ্য করের ২ শতাংশ অথবা ৩ হাজার টাকা—যেটি বেশি, সেই পরিমাণ অতিরিক্ত অর্থ দিতে হবে। তবে অতিরিক্ত অর্থের পরিমাণ ৩ হাজার টাকার বেশি হবে না।

এ ছাড়া এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত রিটার্ন দাখিল করলে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ অথবা ৫ হাজার টাকা—যেটি বেশি, সেই পরিমাণ অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্থের সর্বোচ্চ সীমা ৫ হাজার টাকা।

এনবিআরের উদাহরণ অনুযায়ী, এক লাখ টাকা করযোগ্য কোনো করদাতা জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে তাকে এক লাখ দুই হাজার টাকা এবং এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে দাখিল করলে এক লাখ পাঁচ হাজার টাকা পরিশোধ করতে হবে।

করদাতারা এনবিআরের ই-রিটার্ন পোর্টালে বার্ষিক আয়, বিনিয়োগ, ব্যয়, সম্পদ ও দায়-সংক্রান্ত তথ্য দিয়ে অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন। রিটার্ন জমা দেওয়ার পর ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড এবং বিকাশ, রকেট ও নগদের মতো মোবাইল আর্থিক সেবার মাধ্যমে কর পরিশোধের সুযোগ থাকবে। সফলভাবে রিটার্ন জমা হলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রাপ্তি স্বীকারপত্র ও আয়কর সনদ সংগ্রহ করা যাবে।

এনবিআরের আশা, আগাম রিটার্ন দাখিলে করছাড় এবং বিলম্বে অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধের এই ব্যবস্থা করদাতাদের সময়মতো রিটার্ন জমা দিতে আরও উৎসাহিত করবে।