ঢাকা ০৪:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :

১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন একনেকে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৩১:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
  • / 16

ছবি: সংগৃহীত

 

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মোট ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকা ব্যয়ে আটটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে তিনটি নতুন এবং পাঁচটি সংশোধিত প্রকল্প। এসব প্রকল্পে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ১০ হাজার ৪৯৪ কোটি ৩১ লাখ টাকা, বৈদেশিক ঋণ ৩ হাজার ৫৫০ কোটি ৪৪ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা।

বুধবার, ২২ জুলাই বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম এবং বর্তমান সরকারের ষষ্ঠ একনেক সভায় প্রকল্পগুলোর অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আরও পড়ুন  এবার ‘প্রবাসী কার্ড’ চালুর উদ্যোগ সরকারের

নতুন অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বাস্তবায়নে ‘বৃহত্তর দিনাজপুর (দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়) জেলা সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্প’। ১ হাজার ৪৯২ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে ২০৩০ সালের জুন পর্যন্ত প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। এর মাধ্যমে তিন জেলার গ্রামীণ যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া ২ হাজার ৮২ কোটি ১২ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘পল্লী সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ ও কর্মসংস্থান প্রকল্প’ অনুমোদন পেয়েছে। জুলাই ২০২৬ থেকে ডিসেম্বর ২০২৯ পর্যন্ত বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পের আওতায় দেশের আট বিভাগের ৬৪ জেলার ৪৯৫ উপজেলায় ৯১ হাজার ৫৬০ কিলোমিটার পল্লী সড়কের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে। একই সঙ্গে পরিবারপ্রধান ৪৫ হাজার ৭৮০ জন দুঃস্থ নারীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের আওতায় বাপেক্স ও পেট্রোবাংলার উদ্যোগে ৭২৯ কোটি ২২ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘১টি মূল্যায়ন কূপ (বেগমগঞ্জ-৫) এবং ২টি অনুসন্ধান কূপ (বেগমগঞ্জ-৬ ও সুনেত্র-২) খনন’ প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে। প্রকল্পটি সরকারি ও সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়িত হবে।

সভায় এলজিইডির ‘সার্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন-২ (জিএসআইডিপি-২)’ প্রকল্পের প্রথম সংশোধনী অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সংশোধনের ফলে প্রকল্পটির ব্যয় ৩৬৮ কোটি টাকা বেড়ে ১ হাজার ৪৫০ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে।

‘দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, সংস্কার ও উন্নয়ন’ প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধনীরও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে প্রকল্পটির ব্যয় ১ হাজার ২৩ কোটি ৩১ লাখ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, সংস্কার ও উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

সভায় সবচেয়ে বড় সংশোধনী অনুমোদন পায় ‘ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্প’। দ্বিতীয় সংশোধনীর মাধ্যমে প্রকল্পটির ব্যয় ৯ হাজার ৪৯২ কোটি ৬৪ লাখ টাকা বেড়ে মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ৪৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। সংশোধিত প্রকল্পে সরকারি অর্থায়ন ১৩ হাজার ৮০৩ কোটি ১৬ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক ঋণ ১৩ হাজার ২৪২ কোটি ৫২ লাখ টাকা।

একনেক সভায় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের ‘বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা উন্নয়ন প্রকল্প, সিলেট বিভাগ’-এর তৃতীয় সংশোধনীও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ সংশোধনের ফলে প্রকল্পটির ব্যয় ১১৭ কোটি ৪১ লাখ টাকা কমেছে।

এ ছাড়া স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের আওতায় ‘মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসমূহে বিদ্যমান কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার ৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ এবং জেলা সদর হাসপাতালসমূহে ১০ শয্যার কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপন’ প্রকল্পের দ্বিতীয় সংশোধনী অনুমোদন করা হয়েছে। এতে প্রকল্পটির ব্যয় ৮১ কোটি ৩১ লাখ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে গ্রামীণ যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন, জ্বালানি অনুসন্ধান এবং বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একনেকের অনুমোদনের পর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলো নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন শুরু করবে।

সভায় অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়নমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, শিল্প, বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকিসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন একনেকে

আপডেট সময় ০৩:৩১:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

 

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মোট ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকা ব্যয়ে আটটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে তিনটি নতুন এবং পাঁচটি সংশোধিত প্রকল্প। এসব প্রকল্পে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ১০ হাজার ৪৯৪ কোটি ৩১ লাখ টাকা, বৈদেশিক ঋণ ৩ হাজার ৫৫০ কোটি ৪৪ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা।

বুধবার, ২২ জুলাই বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম এবং বর্তমান সরকারের ষষ্ঠ একনেক সভায় প্রকল্পগুলোর অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আরও পড়ুন  এবার ‘প্রবাসী কার্ড’ চালুর উদ্যোগ সরকারের

নতুন অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বাস্তবায়নে ‘বৃহত্তর দিনাজপুর (দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়) জেলা সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্প’। ১ হাজার ৪৯২ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে ২০৩০ সালের জুন পর্যন্ত প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। এর মাধ্যমে তিন জেলার গ্রামীণ যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া ২ হাজার ৮২ কোটি ১২ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘পল্লী সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ ও কর্মসংস্থান প্রকল্প’ অনুমোদন পেয়েছে। জুলাই ২০২৬ থেকে ডিসেম্বর ২০২৯ পর্যন্ত বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পের আওতায় দেশের আট বিভাগের ৬৪ জেলার ৪৯৫ উপজেলায় ৯১ হাজার ৫৬০ কিলোমিটার পল্লী সড়কের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে। একই সঙ্গে পরিবারপ্রধান ৪৫ হাজার ৭৮০ জন দুঃস্থ নারীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের আওতায় বাপেক্স ও পেট্রোবাংলার উদ্যোগে ৭২৯ কোটি ২২ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘১টি মূল্যায়ন কূপ (বেগমগঞ্জ-৫) এবং ২টি অনুসন্ধান কূপ (বেগমগঞ্জ-৬ ও সুনেত্র-২) খনন’ প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে। প্রকল্পটি সরকারি ও সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়িত হবে।

সভায় এলজিইডির ‘সার্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন-২ (জিএসআইডিপি-২)’ প্রকল্পের প্রথম সংশোধনী অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সংশোধনের ফলে প্রকল্পটির ব্যয় ৩৬৮ কোটি টাকা বেড়ে ১ হাজার ৪৫০ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে।

‘দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, সংস্কার ও উন্নয়ন’ প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধনীরও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে প্রকল্পটির ব্যয় ১ হাজার ২৩ কোটি ৩১ লাখ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, সংস্কার ও উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

সভায় সবচেয়ে বড় সংশোধনী অনুমোদন পায় ‘ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্প’। দ্বিতীয় সংশোধনীর মাধ্যমে প্রকল্পটির ব্যয় ৯ হাজার ৪৯২ কোটি ৬৪ লাখ টাকা বেড়ে মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ৪৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। সংশোধিত প্রকল্পে সরকারি অর্থায়ন ১৩ হাজার ৮০৩ কোটি ১৬ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক ঋণ ১৩ হাজার ২৪২ কোটি ৫২ লাখ টাকা।

একনেক সভায় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের ‘বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা উন্নয়ন প্রকল্প, সিলেট বিভাগ’-এর তৃতীয় সংশোধনীও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ সংশোধনের ফলে প্রকল্পটির ব্যয় ১১৭ কোটি ৪১ লাখ টাকা কমেছে।

এ ছাড়া স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের আওতায় ‘মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসমূহে বিদ্যমান কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার ৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ এবং জেলা সদর হাসপাতালসমূহে ১০ শয্যার কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপন’ প্রকল্পের দ্বিতীয় সংশোধনী অনুমোদন করা হয়েছে। এতে প্রকল্পটির ব্যয় ৮১ কোটি ৩১ লাখ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে গ্রামীণ যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন, জ্বালানি অনুসন্ধান এবং বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একনেকের অনুমোদনের পর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলো নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন শুরু করবে।

সভায় অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়নমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, শিল্প, বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকিসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।