ঢাকা ১০:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

চার দাবিতে এনবিআরে পূর্ণাঙ্গ কর্মবিরতি চলবে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৪৫:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫
  • / 427

ছবি সংগৃহীত

 

চার দফা দাবি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি না পাওয়ায় পূর্ণাঙ্গ কর্মবিরতি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মকর্তাদের সংগঠন এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদ।

শনিবার (২৪ মে) রাজধানীর এনবিআরের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা এই ঘোষণা দেন। সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত কমিশনার এদিপ বিল্লাহ, উপ-কর কমিশনার মো. মোস্তফিজুর রহমান এবং সহকারী কর কমিশনার মো. ইশতিয়াক হোসেন।

আরও পড়ুন  করদাতা বাড়ছে, রাজস্ব বাড়ছে না, ১০ লাখ ই-রিটার্ন দাখিল করলেও করযোগ্য আয় নেই: এনবিআর চেয়ারম্যান

সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ২৫ মে থেকে আয়কর, কাস্টমস ও ভ্যাট বিভাগের সব দপ্তরে পূর্ণাঙ্গ কর্মবিরতি পালন করা হবে। তবে কাস্টমস হাউস ও এলসি স্টেশনগুলোতে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সীমিত কর্মবিরতি চলবে। রপ্তানি কার্যক্রম ও আন্তর্জাতিক যাত্রীসেবা এ কর্মসূচির আওতামুক্ত থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, ২৫ মে সকাল ৯টা থেকে ঢাকার সব ট্যাক্স, কাস্টমস ও ভ্যাট দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এনবিআর প্রাঙ্গণে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। ওইদিন বিকেল ৪টায় আবারও প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

এছাড়া ২৬ মে (সোমবার) থেকে আন্তর্জাতিক যাত্রীসেবা ব্যতীত সব দপ্তরে পূর্ণাঙ্গ কর্মবিরতি চলবে, বলে ঘোষণায় জানানো হয়।

সংগঠনের নেতারা জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া হবে। তাদের চার দফা দাবির মধ্যে রয়েছে:

১. বেতন বৈষম্য নিরসন, ২. রাজস্ব কর্মকর্তাদের জন্য উন্নত কর্মপরিবেশ, ৩. পদোন্নতির ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রিতা রোধ এবং ৪. স্বাধীন প্রশাসনিক কাঠামো গঠন।

এই কর্মবিরতির ফলে দেশের রাজস্ব আহরণ কার্যক্রমে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে, যা চলমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে সরকারের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

চার দাবিতে এনবিআরে পূর্ণাঙ্গ কর্মবিরতি চলবে

আপডেট সময় ০৮:৪৫:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫

 

চার দফা দাবি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি না পাওয়ায় পূর্ণাঙ্গ কর্মবিরতি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মকর্তাদের সংগঠন এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদ।

শনিবার (২৪ মে) রাজধানীর এনবিআরের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা এই ঘোষণা দেন। সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত কমিশনার এদিপ বিল্লাহ, উপ-কর কমিশনার মো. মোস্তফিজুর রহমান এবং সহকারী কর কমিশনার মো. ইশতিয়াক হোসেন।

আরও পড়ুন  করদাতা বাড়ছে, রাজস্ব বাড়ছে না, ১০ লাখ ই-রিটার্ন দাখিল করলেও করযোগ্য আয় নেই: এনবিআর চেয়ারম্যান

সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ২৫ মে থেকে আয়কর, কাস্টমস ও ভ্যাট বিভাগের সব দপ্তরে পূর্ণাঙ্গ কর্মবিরতি পালন করা হবে। তবে কাস্টমস হাউস ও এলসি স্টেশনগুলোতে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সীমিত কর্মবিরতি চলবে। রপ্তানি কার্যক্রম ও আন্তর্জাতিক যাত্রীসেবা এ কর্মসূচির আওতামুক্ত থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, ২৫ মে সকাল ৯টা থেকে ঢাকার সব ট্যাক্স, কাস্টমস ও ভ্যাট দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এনবিআর প্রাঙ্গণে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। ওইদিন বিকেল ৪টায় আবারও প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

এছাড়া ২৬ মে (সোমবার) থেকে আন্তর্জাতিক যাত্রীসেবা ব্যতীত সব দপ্তরে পূর্ণাঙ্গ কর্মবিরতি চলবে, বলে ঘোষণায় জানানো হয়।

সংগঠনের নেতারা জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া হবে। তাদের চার দফা দাবির মধ্যে রয়েছে:

১. বেতন বৈষম্য নিরসন, ২. রাজস্ব কর্মকর্তাদের জন্য উন্নত কর্মপরিবেশ, ৩. পদোন্নতির ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রিতা রোধ এবং ৪. স্বাধীন প্রশাসনিক কাঠামো গঠন।

এই কর্মবিরতির ফলে দেশের রাজস্ব আহরণ কার্যক্রমে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে, যা চলমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে সরকারের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।