ঢাকা ০২:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

পেঁয়াজ রফতানিতে ভারত সরকারের ২০ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার, ১ এপ্রিল থেকে হবে কার্যকর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৩১:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫
  • / 277

ছবি সংগৃহীত

 

 

ভারত সরকার পেঁয়াজ রফতানির ওপর আরোপিত ২০ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে। আগামী ১ এপ্রিল থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। শনিবার (২২ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

আরও পড়ুন  অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চাহিদা ও জোগানের ভারসাম্য রক্ষা, ভোক্তাদের স্বস্তি দেওয়া এবং কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে নয়াদিল্লি। প্রায় পাঁচ মাস আগে, গত বছরের ১৩ সেপ্টেম্বর, ভারত সরকার পেঁয়াজ রফতানির ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিল। এর আগে, ৪ মে থেকে ৪০ শতাংশ শুল্ক এবং প্রতিটন পেঁয়াজে ন্যূনতম ৫৫০ ডলার মূল্য নির্ধারণ করেছিল সরকার, যা কার্যকর ছিল সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

সেই সময় দেশজুড়ে পেঁয়াজের দাম দ্রুত বাড়তে থাকায় এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে সংকট তৈরি হওয়ায় এ ধরনের নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপ নেয়া হয়েছিল। তবে শুল্ক বৃদ্ধির ফলে ভারতের রফতানি বাজারে প্রতিযোগিতা হ্রাস পায় এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর বাজারে পেঁয়াজ সরবরাহেও প্রভাব পড়ে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সিদ্ধান্ত ভারতীয় কৃষকদের জন্য যেমন স্বস্তির, তেমনি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশ বিশেষ করে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও নেপালের বাজারেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। কারণ এই দেশগুলো তাদের পেঁয়াজের চাহিদার বড় একটি অংশ ভারত থেকে আমদানি করে থাকে।

ভারতের কৃষি খাত বর্তমানে এক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ইস্যু। মহারাষ্ট্রসহ কয়েকটি রাজ্যে নির্বাচন সামনে থাকায় কৃষকদের সন্তুষ্ট রাখতে এই সিদ্ধান্তে গতি এসেছে বলে মনে করছেন অনেকেই।

বিশ্ববাজারে পেঁয়াজের মূল্য এবং সরবরাহ পরিস্থিতির ওপর এই শুল্ক প্রত্যাহার কতটা প্রভাব ফেলবে, তা জানার জন্য আগামী মাসগুলোতে নজর থাকবে আমদানি নির্ভর দেশগুলোর বাজারের দিকে। তবে আপাতত, রফতানিকারক ও আমদানিকারক উভয়ের মুখেই কিছুটা স্বস্তির হাসি ফুটেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

পেঁয়াজ রফতানিতে ভারত সরকারের ২০ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার, ১ এপ্রিল থেকে হবে কার্যকর

আপডেট সময় ০১:৩১:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫

 

 

ভারত সরকার পেঁয়াজ রফতানির ওপর আরোপিত ২০ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে। আগামী ১ এপ্রিল থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। শনিবার (২২ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

আরও পড়ুন  রাশিয়া থেকে ভারতের সস্তা তেল আমদানির নেপথ্যে মুকেশ আম্বানি

চাহিদা ও জোগানের ভারসাম্য রক্ষা, ভোক্তাদের স্বস্তি দেওয়া এবং কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে নয়াদিল্লি। প্রায় পাঁচ মাস আগে, গত বছরের ১৩ সেপ্টেম্বর, ভারত সরকার পেঁয়াজ রফতানির ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিল। এর আগে, ৪ মে থেকে ৪০ শতাংশ শুল্ক এবং প্রতিটন পেঁয়াজে ন্যূনতম ৫৫০ ডলার মূল্য নির্ধারণ করেছিল সরকার, যা কার্যকর ছিল সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

সেই সময় দেশজুড়ে পেঁয়াজের দাম দ্রুত বাড়তে থাকায় এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে সংকট তৈরি হওয়ায় এ ধরনের নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপ নেয়া হয়েছিল। তবে শুল্ক বৃদ্ধির ফলে ভারতের রফতানি বাজারে প্রতিযোগিতা হ্রাস পায় এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর বাজারে পেঁয়াজ সরবরাহেও প্রভাব পড়ে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সিদ্ধান্ত ভারতীয় কৃষকদের জন্য যেমন স্বস্তির, তেমনি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশ বিশেষ করে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও নেপালের বাজারেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। কারণ এই দেশগুলো তাদের পেঁয়াজের চাহিদার বড় একটি অংশ ভারত থেকে আমদানি করে থাকে।

ভারতের কৃষি খাত বর্তমানে এক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ইস্যু। মহারাষ্ট্রসহ কয়েকটি রাজ্যে নির্বাচন সামনে থাকায় কৃষকদের সন্তুষ্ট রাখতে এই সিদ্ধান্তে গতি এসেছে বলে মনে করছেন অনেকেই।

বিশ্ববাজারে পেঁয়াজের মূল্য এবং সরবরাহ পরিস্থিতির ওপর এই শুল্ক প্রত্যাহার কতটা প্রভাব ফেলবে, তা জানার জন্য আগামী মাসগুলোতে নজর থাকবে আমদানি নির্ভর দেশগুলোর বাজারের দিকে। তবে আপাতত, রফতানিকারক ও আমদানিকারক উভয়ের মুখেই কিছুটা স্বস্তির হাসি ফুটেছে।