ঢাকা ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

পেঁয়াজ রফতানিতে ভারত সরকারের ২০ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার, ১ এপ্রিল থেকে হবে কার্যকর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৩১:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫
  • / 371

ছবি সংগৃহীত

 

 

ভারত সরকার পেঁয়াজ রফতানির ওপর আরোপিত ২০ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে। আগামী ১ এপ্রিল থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। শনিবার (২২ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

আরও পড়ুন  যুক্তরাজ্যে জব্দকৃত সম্পদ ফেরাতে আইনি উদ্যোগ নেবে সরকার: গভর্নর

চাহিদা ও জোগানের ভারসাম্য রক্ষা, ভোক্তাদের স্বস্তি দেওয়া এবং কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে নয়াদিল্লি। প্রায় পাঁচ মাস আগে, গত বছরের ১৩ সেপ্টেম্বর, ভারত সরকার পেঁয়াজ রফতানির ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিল। এর আগে, ৪ মে থেকে ৪০ শতাংশ শুল্ক এবং প্রতিটন পেঁয়াজে ন্যূনতম ৫৫০ ডলার মূল্য নির্ধারণ করেছিল সরকার, যা কার্যকর ছিল সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

সেই সময় দেশজুড়ে পেঁয়াজের দাম দ্রুত বাড়তে থাকায় এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে সংকট তৈরি হওয়ায় এ ধরনের নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপ নেয়া হয়েছিল। তবে শুল্ক বৃদ্ধির ফলে ভারতের রফতানি বাজারে প্রতিযোগিতা হ্রাস পায় এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর বাজারে পেঁয়াজ সরবরাহেও প্রভাব পড়ে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সিদ্ধান্ত ভারতীয় কৃষকদের জন্য যেমন স্বস্তির, তেমনি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশ বিশেষ করে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও নেপালের বাজারেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। কারণ এই দেশগুলো তাদের পেঁয়াজের চাহিদার বড় একটি অংশ ভারত থেকে আমদানি করে থাকে।

ভারতের কৃষি খাত বর্তমানে এক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ইস্যু। মহারাষ্ট্রসহ কয়েকটি রাজ্যে নির্বাচন সামনে থাকায় কৃষকদের সন্তুষ্ট রাখতে এই সিদ্ধান্তে গতি এসেছে বলে মনে করছেন অনেকেই।

বিশ্ববাজারে পেঁয়াজের মূল্য এবং সরবরাহ পরিস্থিতির ওপর এই শুল্ক প্রত্যাহার কতটা প্রভাব ফেলবে, তা জানার জন্য আগামী মাসগুলোতে নজর থাকবে আমদানি নির্ভর দেশগুলোর বাজারের দিকে। তবে আপাতত, রফতানিকারক ও আমদানিকারক উভয়ের মুখেই কিছুটা স্বস্তির হাসি ফুটেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

পেঁয়াজ রফতানিতে ভারত সরকারের ২০ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার, ১ এপ্রিল থেকে হবে কার্যকর

আপডেট সময় ০১:৩১:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫

 

 

ভারত সরকার পেঁয়াজ রফতানির ওপর আরোপিত ২০ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে। আগামী ১ এপ্রিল থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। শনিবার (২২ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

আরও পড়ুন  ভারতের কাছে ব্যর্থতার পর পাকিস্তান ম্যাচে জয়ের প্রতিশ্রুতি জাকেরের

চাহিদা ও জোগানের ভারসাম্য রক্ষা, ভোক্তাদের স্বস্তি দেওয়া এবং কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে নয়াদিল্লি। প্রায় পাঁচ মাস আগে, গত বছরের ১৩ সেপ্টেম্বর, ভারত সরকার পেঁয়াজ রফতানির ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিল। এর আগে, ৪ মে থেকে ৪০ শতাংশ শুল্ক এবং প্রতিটন পেঁয়াজে ন্যূনতম ৫৫০ ডলার মূল্য নির্ধারণ করেছিল সরকার, যা কার্যকর ছিল সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

সেই সময় দেশজুড়ে পেঁয়াজের দাম দ্রুত বাড়তে থাকায় এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে সংকট তৈরি হওয়ায় এ ধরনের নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপ নেয়া হয়েছিল। তবে শুল্ক বৃদ্ধির ফলে ভারতের রফতানি বাজারে প্রতিযোগিতা হ্রাস পায় এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর বাজারে পেঁয়াজ সরবরাহেও প্রভাব পড়ে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সিদ্ধান্ত ভারতীয় কৃষকদের জন্য যেমন স্বস্তির, তেমনি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশ বিশেষ করে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও নেপালের বাজারেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। কারণ এই দেশগুলো তাদের পেঁয়াজের চাহিদার বড় একটি অংশ ভারত থেকে আমদানি করে থাকে।

ভারতের কৃষি খাত বর্তমানে এক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ইস্যু। মহারাষ্ট্রসহ কয়েকটি রাজ্যে নির্বাচন সামনে থাকায় কৃষকদের সন্তুষ্ট রাখতে এই সিদ্ধান্তে গতি এসেছে বলে মনে করছেন অনেকেই।

বিশ্ববাজারে পেঁয়াজের মূল্য এবং সরবরাহ পরিস্থিতির ওপর এই শুল্ক প্রত্যাহার কতটা প্রভাব ফেলবে, তা জানার জন্য আগামী মাসগুলোতে নজর থাকবে আমদানি নির্ভর দেশগুলোর বাজারের দিকে। তবে আপাতত, রফতানিকারক ও আমদানিকারক উভয়ের মুখেই কিছুটা স্বস্তির হাসি ফুটেছে।