ঢাকা ১০:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ

চুয়াডাঙ্গায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ফার্নিচার কারখানাসহ বহু দোকান পুড়ে ছাই, কোটি টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:২৪:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ মার্চ ২০২৫
  • / 2146

ছবি সংগৃহীত

 

চুয়াডাঙ্গার সদর উপজেলার বদরগঞ্জ বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে কয়েকটি ফার্নিচার কারখানা ও দোকান পুড়ে গেছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাত পৌনে ১২টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়, যা দ্রুতই আশপাশের দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। ফায়ার সার্ভিসের প্রায় দেড় ঘণ্টার প্রচেষ্টায় রাত দেড়টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে, তবে এরই মধ্যে কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাজারের একটি ফার্নিচার কারখানায় প্রথম আগুন দেখতে পান স্থানীয়রা। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করে এবং পাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। তবে কাঠের তৈরি ফার্নিচারের কারখানাগুলোয় থাকা দাহ্য পদার্থের কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, যা নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হয় দমকল বাহিনীকে।

আরও পড়ুন  চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে প্রায় ৪ কোটি টাকার স্বর্ণসহ পাচারকারী আটক

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, অগ্নিকাণ্ডে বাজারের চারটি ফার্নিচারের কারখানা, একটি চায়ের দোকান ও একটি সেলুন সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে। এতে কোটি টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন তারা। রাতারাতি ব্যবসার এভাবে ধ্বংস হয়ে যাওয়া অনেক ব্যবসায়ীকে হতাশায় ফেলেছে।

ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার জাহাঙ্গীর আলম সরকার জানান, প্রাথমিকভাবে বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে কাজ চলছে।

এ অগ্নিকাণ্ডে বদরগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই দাবি করছেন, বাজারে অগ্নি-নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল ছিল, যা এত বড় ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ব্যবসায়ীরা সরকারের কাছে ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন এবং বাজারে পর্যাপ্ত অগ্নি-নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

চুয়াডাঙ্গায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ফার্নিচার কারখানাসহ বহু দোকান পুড়ে ছাই, কোটি টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি

আপডেট সময় ১২:২৪:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ মার্চ ২০২৫

 

চুয়াডাঙ্গার সদর উপজেলার বদরগঞ্জ বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে কয়েকটি ফার্নিচার কারখানা ও দোকান পুড়ে গেছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাত পৌনে ১২টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়, যা দ্রুতই আশপাশের দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। ফায়ার সার্ভিসের প্রায় দেড় ঘণ্টার প্রচেষ্টায় রাত দেড়টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে, তবে এরই মধ্যে কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাজারের একটি ফার্নিচার কারখানায় প্রথম আগুন দেখতে পান স্থানীয়রা। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করে এবং পাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। তবে কাঠের তৈরি ফার্নিচারের কারখানাগুলোয় থাকা দাহ্য পদার্থের কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, যা নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হয় দমকল বাহিনীকে।

আরও পড়ুন  বুসান বিমানবন্দরে যাত্রীবাহী বিমানে অগ্নিকাণ্ড, অল্পের জন্য রক্ষা

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, অগ্নিকাণ্ডে বাজারের চারটি ফার্নিচারের কারখানা, একটি চায়ের দোকান ও একটি সেলুন সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে। এতে কোটি টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন তারা। রাতারাতি ব্যবসার এভাবে ধ্বংস হয়ে যাওয়া অনেক ব্যবসায়ীকে হতাশায় ফেলেছে।

ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার জাহাঙ্গীর আলম সরকার জানান, প্রাথমিকভাবে বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে কাজ চলছে।

এ অগ্নিকাণ্ডে বদরগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই দাবি করছেন, বাজারে অগ্নি-নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল ছিল, যা এত বড় ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ব্যবসায়ীরা সরকারের কাছে ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন এবং বাজারে পর্যাপ্ত অগ্নি-নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।