ঢাকা ১১:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশে বিএনপির নীতিগত অবস্থান, চূড়ান্তের প্রক্রিয়া রয়েছে চলমান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:২১:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ মার্চ ২০২৫
  • / 123

ছবি সংগৃহীত

 

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সংস্কার সুপারিশ নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক মতামত দেয়নি বিএনপি। দলটি জানিয়েছে, তারা “রাষ্ট্র সংস্কার করবে নির্বাচিত সংসদ” এই নীতিগত অবস্থান থেকে তাদের মতামত প্রস্তুত করছে।

কমিশনের পাঠানো সুপারিশগুলোর মধ্যে জনপ্রশাসন, বিচার বিভাগ ও দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কারে বিএনপির তেমন আপত্তি নেই। তবে সংবিধানের মৌলিক কাঠামো সংশোধনের বিষয়ে দলটি সতর্ক। বিএনপির নেতাদের আশঙ্কা, এ ধরনের পরিবর্তন নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করতে পারে।

আরও পড়ুন  জনসম্মুখে প্রথমবার বক্তব্য রাখলেন জাইমা রহমান

ঐকমত্য কমিশন ৬ মার্চ ৩৭টি রাজনৈতিক দলকে চিঠি দিয়ে সংবিধান, নির্বাচনব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, দুর্নীতি দমন ও বিচার বিভাগের ১৬৬টি সংস্কার সুপারিশের ওপর মতামত চেয়েছিল। গতকাল পর্যন্ত ১৫টি দল তাদের মত দিয়েছে, বাকিরা সময় নিয়েছে। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ ১৪টি দল দ্রুতই তাদের মতামত দেবে বলে জানা গেছে।

বিএনপি সূত্র জানিয়েছে, ২০২৩ সালে ঘোষিত দলের ৩১ দফার আলোকে এই সংস্কার সুপারিশের বিষয়ে মতামত দিচ্ছে তারা। বিশেষ করে, দলটি সংবিধান ও নির্বাচনব্যবস্থার সংস্কারকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছে। বিএনপির মতে, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার সংবিধানে বারবার পরিবর্তন এনে তা দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করেছে। ফলে নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সংবিধান ও নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কার অপরিহার্য।

দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে কয়েক দফা বৈঠক হয়েছে। স্থায়ী কমিটির বৈঠকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান অংশ নিয়ে সুপারিশগুলো পর্যালোচনা করেছেন। বিএনপি মনে করছে, সংবিধান সংস্কারের এখতিয়ার শুধুমাত্র নির্বাচিত সংসদেরই থাকা উচিত। এ কারণেই তারা নির্বাচন ও প্রশাসনিক সংস্কারের দিকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।

বিএনপি সমমনা দলগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে অভিন্ন মতামত দেওয়ার চেষ্টা করছে। ইতিমধ্যে যুগপৎ আন্দোলনের তিনটি শরিক দল মতামত জমা দিয়েছে। বিএনপিসহ অন্য মিত্র দলগুলোও শিগগিরই তাদের মত দেবে বলে জানা গেছে।

সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে বিএনপির নেতারা বিশেষজ্ঞদের সঙ্গেও পরামর্শ করছেন। গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি জানিয়েছেন, তারা দ্রুত মতামত জমা দেবে। তিনি মনে করেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সর্বসম্মত সুপারিশ “জাতীয় সনদ” হিসেবে গ্রহণ করা হবে, আর বিরোধপূর্ণ বিষয়গুলোর ওপর আরও জনমত গঠন করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশে বিএনপির নীতিগত অবস্থান, চূড়ান্তের প্রক্রিয়া রয়েছে চলমান

আপডেট সময় ১২:২১:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ মার্চ ২০২৫

 

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সংস্কার সুপারিশ নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক মতামত দেয়নি বিএনপি। দলটি জানিয়েছে, তারা “রাষ্ট্র সংস্কার করবে নির্বাচিত সংসদ” এই নীতিগত অবস্থান থেকে তাদের মতামত প্রস্তুত করছে।

কমিশনের পাঠানো সুপারিশগুলোর মধ্যে জনপ্রশাসন, বিচার বিভাগ ও দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কারে বিএনপির তেমন আপত্তি নেই। তবে সংবিধানের মৌলিক কাঠামো সংশোধনের বিষয়ে দলটি সতর্ক। বিএনপির নেতাদের আশঙ্কা, এ ধরনের পরিবর্তন নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করতে পারে।

আরও পড়ুন  জনসম্মুখে প্রথমবার বক্তব্য রাখলেন জাইমা রহমান

ঐকমত্য কমিশন ৬ মার্চ ৩৭টি রাজনৈতিক দলকে চিঠি দিয়ে সংবিধান, নির্বাচনব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, দুর্নীতি দমন ও বিচার বিভাগের ১৬৬টি সংস্কার সুপারিশের ওপর মতামত চেয়েছিল। গতকাল পর্যন্ত ১৫টি দল তাদের মত দিয়েছে, বাকিরা সময় নিয়েছে। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ ১৪টি দল দ্রুতই তাদের মতামত দেবে বলে জানা গেছে।

বিএনপি সূত্র জানিয়েছে, ২০২৩ সালে ঘোষিত দলের ৩১ দফার আলোকে এই সংস্কার সুপারিশের বিষয়ে মতামত দিচ্ছে তারা। বিশেষ করে, দলটি সংবিধান ও নির্বাচনব্যবস্থার সংস্কারকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছে। বিএনপির মতে, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার সংবিধানে বারবার পরিবর্তন এনে তা দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করেছে। ফলে নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সংবিধান ও নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কার অপরিহার্য।

দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে কয়েক দফা বৈঠক হয়েছে। স্থায়ী কমিটির বৈঠকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান অংশ নিয়ে সুপারিশগুলো পর্যালোচনা করেছেন। বিএনপি মনে করছে, সংবিধান সংস্কারের এখতিয়ার শুধুমাত্র নির্বাচিত সংসদেরই থাকা উচিত। এ কারণেই তারা নির্বাচন ও প্রশাসনিক সংস্কারের দিকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।

বিএনপি সমমনা দলগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে অভিন্ন মতামত দেওয়ার চেষ্টা করছে। ইতিমধ্যে যুগপৎ আন্দোলনের তিনটি শরিক দল মতামত জমা দিয়েছে। বিএনপিসহ অন্য মিত্র দলগুলোও শিগগিরই তাদের মত দেবে বলে জানা গেছে।

সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে বিএনপির নেতারা বিশেষজ্ঞদের সঙ্গেও পরামর্শ করছেন। গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি জানিয়েছেন, তারা দ্রুত মতামত জমা দেবে। তিনি মনে করেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সর্বসম্মত সুপারিশ “জাতীয় সনদ” হিসেবে গ্রহণ করা হবে, আর বিরোধপূর্ণ বিষয়গুলোর ওপর আরও জনমত গঠন করা হবে।