ঢাকা ০১:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

মোবাইল ব্যাংকিংয়ে নতুন রেকর্ড, ডিজিটাল অর্থনীতিতে বাংলাদেশ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:০০:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ ২০২৫
  • / 161

ছবি: সংগৃহীত

 

দেশের ডিজিটাল লেনদেনে নতুন ইতিহাস তৈরি করেছে মোবাইল ব্যাংকিং খাত। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে এ খাতে ১ লাখ ৭১ হাজার ৬৬৪ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন তথ্য।

এর আগে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে সর্বোচ্চ লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১ দশমিক ৬৪ লাখ কোটি টাকা। কিন্তু জানুয়ারিতে গড় দৈনিক লেনদেনের পরিমাণও আগের মাসের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫ হাজার ৭২২ কোটি টাকায়।

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্র থেকে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স, জানুয়ারিতে প্রবাসী আয় ২১৮ কোটি ডলার

গত সাত মাস ধরে ধারাবাহিকভাবে লেনদেনের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছরের জুনে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১ দশমিক ৫৫ লাখ কোটি টাকা, সেপ্টেম্বরে যা কিছুটা কমলেও নভেম্বরে ফের তা বেড়ে ১ দশমিক ৫৬ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছেছিল।

বর্তমানে দেশে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা প্রদান করছে বিকাশ, নগদ ও রকেটসহ মোট ১৩টি প্রতিষ্ঠান। বেতন-ভাতা পরিশোধ, প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স), ইউটিলিটি বিল প্রদান থেকে শুরু করে অনলাইন কেনাকাটা সব ক্ষেত্রেই মোবাইল ব্যাংকিংয়ের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে।

উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে গ্রাহকসংখ্যাও। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে দেশে মোবাইল ব্যাংকিং গ্রাহক ছিল মাত্র ৬ দশমিক ৭৬ কোটি। কিন্তু বর্তমানে তা প্রায় চার গুণ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ দশমিক ৯৩ কোটিতে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রযুক্তি ও আর্থিক সেবায় সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়ার কারণেই মোবাইল ব্যাংকিং সবার ঘরে ঘরে পৌঁছে গেছে। নগদ টাকার ব্যবহার কমিয়ে এটি দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির ভিতকে মজবুত করছে। এই প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই বাংলাদেশ পুরোপুরি নগদবিহীন অর্থনীতির পথে এগিয়ে যাবে বলেও ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সংশ্লিষ্টদের মতে, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের এমন ব্যাপক জনপ্রিয়তা দেশে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতি বাড়িয়ে দেবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মোবাইল ব্যাংকিংয়ে নতুন রেকর্ড, ডিজিটাল অর্থনীতিতে বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০৩:০০:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ ২০২৫

 

দেশের ডিজিটাল লেনদেনে নতুন ইতিহাস তৈরি করেছে মোবাইল ব্যাংকিং খাত। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে এ খাতে ১ লাখ ৭১ হাজার ৬৬৪ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন তথ্য।

এর আগে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে সর্বোচ্চ লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১ দশমিক ৬৪ লাখ কোটি টাকা। কিন্তু জানুয়ারিতে গড় দৈনিক লেনদেনের পরিমাণও আগের মাসের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫ হাজার ৭২২ কোটি টাকায়।

আরও পড়ুন  প্রবাসীদের ভোটাধিকার: ভোটাধিকারের দাবিতে সোচ্চার রেমিট্যান্স যোদ্ধারা

গত সাত মাস ধরে ধারাবাহিকভাবে লেনদেনের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছরের জুনে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১ দশমিক ৫৫ লাখ কোটি টাকা, সেপ্টেম্বরে যা কিছুটা কমলেও নভেম্বরে ফের তা বেড়ে ১ দশমিক ৫৬ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছেছিল।

বর্তমানে দেশে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা প্রদান করছে বিকাশ, নগদ ও রকেটসহ মোট ১৩টি প্রতিষ্ঠান। বেতন-ভাতা পরিশোধ, প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স), ইউটিলিটি বিল প্রদান থেকে শুরু করে অনলাইন কেনাকাটা সব ক্ষেত্রেই মোবাইল ব্যাংকিংয়ের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে।

উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে গ্রাহকসংখ্যাও। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে দেশে মোবাইল ব্যাংকিং গ্রাহক ছিল মাত্র ৬ দশমিক ৭৬ কোটি। কিন্তু বর্তমানে তা প্রায় চার গুণ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ দশমিক ৯৩ কোটিতে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রযুক্তি ও আর্থিক সেবায় সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়ার কারণেই মোবাইল ব্যাংকিং সবার ঘরে ঘরে পৌঁছে গেছে। নগদ টাকার ব্যবহার কমিয়ে এটি দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির ভিতকে মজবুত করছে। এই প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই বাংলাদেশ পুরোপুরি নগদবিহীন অর্থনীতির পথে এগিয়ে যাবে বলেও ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সংশ্লিষ্টদের মতে, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের এমন ব্যাপক জনপ্রিয়তা দেশে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতি বাড়িয়ে দেবে।