ঢাকা ০৯:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

জার্মানিতে পার্লামেন্ট নির্বাচন রবিবার: ক্ষমতার পালাবদলে নতুন সমীকরণ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:২৮:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 463

ছবি সংগৃহীত

 

জার্মানিতে ২১তম পার্লামেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে রবিবার। প্রায় সাড়ে আট কোটি জনসংখ্যার দেশটিতে এবার ভোটারের সংখ্যা ৫ কোটি ৯২ লাখ, যার মধ্যে নারী ভোটার ৩ কোটি ৬ লাখ এবং পুরুষ ভোটার ২ কোটি ৮৬ লাখ। সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ।

নির্বাচনে ৬৩০টি আসনের জন্য ২৯টি রাজনৈতিক দল মোট ৪ হাজার ৫০৬ জন প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে। তবে সরকার গঠনের ঐতিহ্যগত নিয়ম অনুযায়ী, এবারও কোনো দল নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে ক্ষমতায় যেতে হলে জোট গঠনই একমাত্র পথ।

আরও পড়ুন  নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ভারতকে আমন্ত্রণ জানাল বাংলাদেশ

সর্বশেষ জনমত জরিপ অনুযায়ী, ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন (CDU) এগিয়ে রয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে কট্টর ডানপন্থী অভিবাসনবিরোধী দল অল্টারনেটিভ ফর জার্মানি (AfD)। তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে রয়েছে বর্তমান ক্ষমতাসীন সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (SPD) এবং পরিবেশবাদী গ্রিন পার্টি।

AfD-এর উত্থান নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্ক চলছে। দলটির বিরুদ্ধে জার্মানির বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ করেছেন এবং অন্যান্য গণতান্ত্রিক দলগুলোকে AfD-এর সঙ্গে জোট না করার আহ্বান জানিয়েছেন। বর্তমান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎজের নেতৃত্বাধীন জোট সরকার নানা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। করোনা-পরবর্তী অর্থনৈতিক সংকট, উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি, অভিবাসন ও নিরাপত্তা ইস্যুতে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণে ধীরগতির কারণে সরকার সমালোচিত হয়েছে, যা CDU-র প্রতি জনসমর্থন বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

CDU-এর নেতা ফ্রিডরিখ মের্ৎসকে সম্ভাব্য পরবর্তী চ্যান্সেলর হিসেবে দেখা হচ্ছে। তিনি নির্বাচনী প্রচারে অর্থনীতির পুনরুদ্ধার, কর সংস্কার ও নাগরিক নিরাপত্তা জোরদারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তবে সরকার গঠনে SPD বা গ্রিন পার্টির সঙ্গে জোট বাধতে হতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

রবিবারের নির্বাচন জার্মান রাজনীতির নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। ভোটের ফল কী হবে এবং জোট সরকার কেমন হবে, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

নিউজটি শেয়ার করুন

জার্মানিতে পার্লামেন্ট নির্বাচন রবিবার: ক্ষমতার পালাবদলে নতুন সমীকরণ

আপডেট সময় ১০:২৮:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

জার্মানিতে ২১তম পার্লামেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে রবিবার। প্রায় সাড়ে আট কোটি জনসংখ্যার দেশটিতে এবার ভোটারের সংখ্যা ৫ কোটি ৯২ লাখ, যার মধ্যে নারী ভোটার ৩ কোটি ৬ লাখ এবং পুরুষ ভোটার ২ কোটি ৮৬ লাখ। সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ।

নির্বাচনে ৬৩০টি আসনের জন্য ২৯টি রাজনৈতিক দল মোট ৪ হাজার ৫০৬ জন প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে। তবে সরকার গঠনের ঐতিহ্যগত নিয়ম অনুযায়ী, এবারও কোনো দল নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে ক্ষমতায় যেতে হলে জোট গঠনই একমাত্র পথ।

আরও পড়ুন  ইউরোভিশন থেকে ইসরায়েল বাদ গেলে জার্মানিও বেরিয়ে যাবে : চ্যান্সেলর মের্ৎস

সর্বশেষ জনমত জরিপ অনুযায়ী, ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন (CDU) এগিয়ে রয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে কট্টর ডানপন্থী অভিবাসনবিরোধী দল অল্টারনেটিভ ফর জার্মানি (AfD)। তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে রয়েছে বর্তমান ক্ষমতাসীন সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (SPD) এবং পরিবেশবাদী গ্রিন পার্টি।

AfD-এর উত্থান নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্ক চলছে। দলটির বিরুদ্ধে জার্মানির বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ করেছেন এবং অন্যান্য গণতান্ত্রিক দলগুলোকে AfD-এর সঙ্গে জোট না করার আহ্বান জানিয়েছেন। বর্তমান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎজের নেতৃত্বাধীন জোট সরকার নানা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। করোনা-পরবর্তী অর্থনৈতিক সংকট, উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি, অভিবাসন ও নিরাপত্তা ইস্যুতে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণে ধীরগতির কারণে সরকার সমালোচিত হয়েছে, যা CDU-র প্রতি জনসমর্থন বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

CDU-এর নেতা ফ্রিডরিখ মের্ৎসকে সম্ভাব্য পরবর্তী চ্যান্সেলর হিসেবে দেখা হচ্ছে। তিনি নির্বাচনী প্রচারে অর্থনীতির পুনরুদ্ধার, কর সংস্কার ও নাগরিক নিরাপত্তা জোরদারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তবে সরকার গঠনে SPD বা গ্রিন পার্টির সঙ্গে জোট বাধতে হতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

রবিবারের নির্বাচন জার্মান রাজনীতির নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। ভোটের ফল কী হবে এবং জোট সরকার কেমন হবে, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।