চার মাসের মধ্যে জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে সিদ্ধান্ত
- আপডেট সময় ০৬:০৩:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 29
ভারতের তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও জোড়াফুল প্রতীক কোন পক্ষ পাবে, তা আগামী চার মাসের মধ্যে চূড়ান্ত করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন।
আদালত জানিয়েছে, তৃণমূলের নাম ও প্রতীক নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্য আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে শুনতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। এরপর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য কমিশন আরও তিন মাস সময় পাবে।
অর্থাৎ, আগামী জানুয়ারির মধ্যেই তৃণমূলের নাম ও জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে। এর আগে পুজোর পরের পুরভোটসহ এ সময়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত অন্য নির্বাচনে মমতা ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন দুই পক্ষকে অন্তর্বর্তী নাম ও প্রতীক নিয়েই নির্বাচনে অংশ নিতে হবে।
সোমবারের শুনানিতে মমতা শিবিরের আইনজীবী কপিল সিব্বল ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রতীক নিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত দেওয়ার জন্য আদালতের কাছে আবেদন জানান।
শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট জানতে চায়, নির্বাচন কমিশনে দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে কি না। মমতা শিবির এতে সম্মতি জানালেও ঋতব্রত শিবিরের আইনজীবী মুকুল রোহতগি কমিশনে বক্তব্য দেওয়ার জন্য আরও ছয় সপ্তাহ সময় চান।
তবে আদালত জানিয়ে দেয়, চার সপ্তাহের মধ্যেই দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। এরপর চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য কমিশন তিন মাস সময় পাবে।
মমতা ও ঋতব্রত শিবিরের বিরোধের মধ্যে গত ১৭ সেপ্টেম্বর রাতে নির্বাচন কমিশন একটি অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেয়। এতে আপাতত ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং জোড়াফুল প্রতীক স্থগিত রাখা হয়।
কমিশন জানায়, তৃণমূলের জোড়াফুল প্রতীক আপাতত তাদের কাছে সংরক্ষিত থাকবে। দলটির প্রকৃত মালিকানা, নাম, প্রতীক ও তহবিলের নিয়ন্ত্রণ কোন পক্ষের— এসব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হওয়ার পর প্রতীকটি আবার বরাদ্দ করা হবে।
আগামী ৬ অক্টোবর পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম ও মুর্শিদাবাদের রেজিনগর বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে শুক্রবার নির্বাচন কমিশন দুই পক্ষের জন্য অন্তর্বর্তী নাম ও প্রতীক নির্ধারণ করে।
মমতা শিবিরের নাম দেওয়া হয়েছে ‘মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’। তারা ফুটবল পায়ে ফুটবলার প্রতীকে উপনির্বাচনে লড়বে। অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের নাম হয়েছে ‘গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস’। তাদের প্রতীক দেওয়া হয়েছে খাম।
নন্দীগ্রামে মমতা শিবিরের কোনো প্রার্থী না থাকায় সেখানে তারা কংগ্রেসকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

























