ঢাকা ১০:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পুঁজিবাজারে সপ্তাহের শুরুতেই সূচকের পতন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৪৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 178

ছবি: সংগৃহীত

 

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে বড় ধাক্কা খেল দেশের দুই পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)। রবিবার লেনদেনের শুরুতে কিছুটা স্থিতিশীলতা দেখা গেলেও দিনশেষে উভয় বাজারেই সূচক নিম্নমুখী ছিল।

ডিএসই ও সিএসই সূত্রে জানা গেছে, এদিন বেশিরভাগ শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দাম কমেছে। ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৩.২৯ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫,১৬৫ পয়েন্টে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৪.২৫ পয়েন্ট কমে ১,১৪৩ পয়েন্টে এবং ডিএস৩০ সূচক ১.০৬ পয়েন্ট কমে ১,৯১১ পয়েন্টে নেমেছে।

আরও পড়ুন  শেয়ারবাজারে বড় উত্থান: ডিএসইএক্স ১০০ পয়েন্ট বেড়ে ৪,৯০০ ছাড়াল

লেনদেনের হিসাবে ডিএসইতে মোট ৩৯৫টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট কেনাবেচা হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৯২টির, কমেছে ২৪০টির, আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৬৩টি। যদিও ডিএসইতে আগের দিনের তুলনায় লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা কমেছে, সিএসইতে লেনদেনের গতি ছিল তুলনামূলক বেশি।

বিশ্লেষকদের মতে, বিনিয়োগকারীদের মাঝে অনিশ্চয়তা ও বাজারে তারল্যের সংকটের কারণে সূচকে এ ধস নেমেছে। তবে বাজারের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। আগামী দিনের লেনদেন পরিস্থিতিই ঠিক করবে বাজারের পরবর্তী দিকনির্দেশনা।

নিউজটি শেয়ার করুন

পুঁজিবাজারে সপ্তাহের শুরুতেই সূচকের পতন

আপডেট সময় ১০:৪৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে বড় ধাক্কা খেল দেশের দুই পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)। রবিবার লেনদেনের শুরুতে কিছুটা স্থিতিশীলতা দেখা গেলেও দিনশেষে উভয় বাজারেই সূচক নিম্নমুখী ছিল।

ডিএসই ও সিএসই সূত্রে জানা গেছে, এদিন বেশিরভাগ শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দাম কমেছে। ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৩.২৯ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫,১৬৫ পয়েন্টে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৪.২৫ পয়েন্ট কমে ১,১৪৩ পয়েন্টে এবং ডিএস৩০ সূচক ১.০৬ পয়েন্ট কমে ১,৯১১ পয়েন্টে নেমেছে।

আরও পড়ুন  শেয়ারবাজারে বড় ধাক্কা, একদিনেই সূচক হারাল ১৪৯ পয়েন্ট

লেনদেনের হিসাবে ডিএসইতে মোট ৩৯৫টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট কেনাবেচা হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৯২টির, কমেছে ২৪০টির, আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৬৩টি। যদিও ডিএসইতে আগের দিনের তুলনায় লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা কমেছে, সিএসইতে লেনদেনের গতি ছিল তুলনামূলক বেশি।

বিশ্লেষকদের মতে, বিনিয়োগকারীদের মাঝে অনিশ্চয়তা ও বাজারে তারল্যের সংকটের কারণে সূচকে এ ধস নেমেছে। তবে বাজারের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। আগামী দিনের লেনদেন পরিস্থিতিই ঠিক করবে বাজারের পরবর্তী দিকনির্দেশনা।