ঢাকা ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
রামেক হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি কমাতে বসছে একক ‘অ্যাম্বুলেন্স সেন্টার’ বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ আজ নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত

যেকোনো মুহূর্তে ইরানে সামরিক হামলার কথা ভাবছেন ট্রাম্প

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৩২:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • / 98

ছবি সংগৃহীত

 

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের আলোচনায় দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থা তৈরি হওয়ায় দেশটিতে পুনরায় সামরিক হামলার কথা গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার (১২ মে) সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, গত কয়েক সপ্তাহের তুলনায় বর্তমানে হামলার বিষয়ে ট্রাম্পকে অনেক বেশি সংকল্পবদ্ধ মনে হচ্ছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, তেহরান মার্কিন দাবিগুলো মেনে না নেওয়ায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চরম হতাশা প্রকাশ করেছেন।
বিশেষ করে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় তিনি অধৈর্য হয়ে পড়েছেন বলে জানা গেছে। ট্রাম্পের ধারণা, ইরানি নেতৃত্বের অভ্যন্তরীণ বিভাজনের ফলে তারা পারমাণবিক কার্যক্রমের বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারছে না।

আরও পড়ুন  ইরান গোপনে পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে: দাবী দ্য টেলিগ্রাফের

আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাবের বিপরীতে ইরানের পক্ষ থেকে যে প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে, তাতে তেহরানের আলোচনার সদিচ্ছা নিয়ে ওয়াশিংটনের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে গভীর সন্দেহ তৈরি হয়েছে।

এদিকে ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক ব্যবস্থা গ্রহণ নিয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বা পেন্টাগনের অভ্যন্তরে দুই ধরনের মত লক্ষ্য করা গেছে।
কর্মকর্তাদের একটি অংশ মনে করেন, আবারও শক্তিশালী হামলা চালানো হলে ইরান আরও দুর্বল হবে এবং শেষ পর্যন্ত আলোচনার টেবিলে বসতে বাধ্য হবে। তবে অন্য পক্ষটি মনে করে, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সামরিক শক্তির পরিবর্তে কূটনীতিকে আরও সময় দেওয়া প্রয়োজন।

সূত্রের দাবি, সংকট নিরসনে পাকিস্তানের মধ্যস্থতা নিয়েও মার্কিন প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা প্রশ্ন তুলেছেন। ট্রাম্পের অসন্তুষ্টির বার্তা পাকিস্তান সঠিকভাবে তেহরানের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে কি না, তা নিয়ে তারা সন্দিহান। কর্মকর্তাদের মতে, ইরান সম্পর্কে ইতিবাচক তথ্যগুলোই কেবল যুক্তরাষ্ট্রের কাছে উপস্থাপন করা হচ্ছে, যার সঙ্গে মাঠপর্যায়ের বাস্তবতার মিল পাওয়া যাচ্ছে না।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

যেকোনো মুহূর্তে ইরানে সামরিক হামলার কথা ভাবছেন ট্রাম্প

আপডেট সময় ০৯:৩২:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

 

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের আলোচনায় দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থা তৈরি হওয়ায় দেশটিতে পুনরায় সামরিক হামলার কথা গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার (১২ মে) সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, গত কয়েক সপ্তাহের তুলনায় বর্তমানে হামলার বিষয়ে ট্রাম্পকে অনেক বেশি সংকল্পবদ্ধ মনে হচ্ছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, তেহরান মার্কিন দাবিগুলো মেনে না নেওয়ায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চরম হতাশা প্রকাশ করেছেন।
বিশেষ করে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় তিনি অধৈর্য হয়ে পড়েছেন বলে জানা গেছে। ট্রাম্পের ধারণা, ইরানি নেতৃত্বের অভ্যন্তরীণ বিভাজনের ফলে তারা পারমাণবিক কার্যক্রমের বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারছে না।

আরও পড়ুন  ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে বসতে রাজি পুতিন, নিরস্ত্রীকরণ আলোচনাও হবে

আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাবের বিপরীতে ইরানের পক্ষ থেকে যে প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে, তাতে তেহরানের আলোচনার সদিচ্ছা নিয়ে ওয়াশিংটনের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে গভীর সন্দেহ তৈরি হয়েছে।

এদিকে ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক ব্যবস্থা গ্রহণ নিয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বা পেন্টাগনের অভ্যন্তরে দুই ধরনের মত লক্ষ্য করা গেছে।
কর্মকর্তাদের একটি অংশ মনে করেন, আবারও শক্তিশালী হামলা চালানো হলে ইরান আরও দুর্বল হবে এবং শেষ পর্যন্ত আলোচনার টেবিলে বসতে বাধ্য হবে। তবে অন্য পক্ষটি মনে করে, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সামরিক শক্তির পরিবর্তে কূটনীতিকে আরও সময় দেওয়া প্রয়োজন।

সূত্রের দাবি, সংকট নিরসনে পাকিস্তানের মধ্যস্থতা নিয়েও মার্কিন প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা প্রশ্ন তুলেছেন। ট্রাম্পের অসন্তুষ্টির বার্তা পাকিস্তান সঠিকভাবে তেহরানের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে কি না, তা নিয়ে তারা সন্দিহান। কর্মকর্তাদের মতে, ইরান সম্পর্কে ইতিবাচক তথ্যগুলোই কেবল যুক্তরাষ্ট্রের কাছে উপস্থাপন করা হচ্ছে, যার সঙ্গে মাঠপর্যায়ের বাস্তবতার মিল পাওয়া যাচ্ছে না।