ঢাকা ০৮:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নতুন রাজনৈতিক দল ‘বাংলাদেশ আজাদ পার্টি’র আত্মপ্রকাশ শান্তি আলোচনা করতে আমার প্রতিনিধিরা পাকিস্তানে যাচ্ছেন: ডোনাল্ড ট্রাম্প ভোলায় প্রবাসীর স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার দেশে মজুত গ্যাসে চলবে আরও ১২ বছর, সংসদে জ্বালানিমন্ত্রীর তথ্য দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু বেলজিয়াম—ইউরোপের হৃদয়ে ইতিহাস, রাজনীতি ও সংস্কৃতির মিলন পোপের সঙ্গে দ্বন্দ্বের আবহেই বাইবেল পাঠের ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প কুড়িগ্রামে ৭৬ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক আওয়ামী লীগকেও পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া উচিত: রাশেদ খান এক মাসে দ্বিতীয়বার বাড়ল এলপিজির দাম, সিলিন্ডার প্রতি ২১২ টাকা

দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৩৯:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / 15

ছবি: সংগৃহীত

দেশে হাম পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, তবে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে এই সময়ে কারো মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি। একই সময়ে নতুন করে হামে আক্রান্ত হয়েছেন ১৬৫ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে সারাদেশে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ১৯৭ জন। আজ রোববার (১৯ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ১৫ মার্চ থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত সারাদেশে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে মোট ৩৮ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া হাম সন্দেহে মৃত্যু হয়েছে আরও ১৮১ জন শিশুর। সব মিলিয়ে গত এক মাসে এই রোগের প্রাদুর্ভাব জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের ভাবিয়ে তুলছে।

বিগত এক মাসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৪৪৩ জনে। এছাড়া হামের উপসর্গ বা সন্দেহজনকভাবে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ২৩ হাজার ৬০৬ জন। আক্রান্তদের মধ্যে বড় একটি অংশই শিশু, যাদের সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা ও আইসোলেশন নিশ্চিত করার পরামর্শ দিয়েছে অধিদপ্তর।

আরও পড়ুন  দালালের খপ্পরে পড়ে মালয়েশিয়ায় যুবকের মৃত্যু, একমাস পর ফিরল মরদেহ

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আক্রান্তের হার ও সন্দেহজনক মৃত্যুর এই পরিসংখ্যান ইঙ্গিত দিচ্ছে যে কমিউনিটি পর্যায়ে সংক্রমণ বাড়ছে। সঠিক সময়ে টিকা না নেওয়া বা পুষ্টির অভাব শিশুদের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে নজরদারি জোরদার এবং টিকাদান কর্মসূচির ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে।

অভিভাবকদের প্রতি পরামর্শ দিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, শিশুর শরীরে জ্বর, লালচে দানা বা ফুসকুড়ি দেখা দিলে বিলম্ব না করে নিকটস্থ হাসপাতালে পরামর্শ নিতে হবে। এছাড়া আক্রান্ত শিশুদের পুষ্টিকর খাবার ও পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

আপডেট সময় ০৬:৩৯:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

দেশে হাম পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, তবে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে এই সময়ে কারো মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি। একই সময়ে নতুন করে হামে আক্রান্ত হয়েছেন ১৬৫ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে সারাদেশে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ১৯৭ জন। আজ রোববার (১৯ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ১৫ মার্চ থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত সারাদেশে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে মোট ৩৮ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া হাম সন্দেহে মৃত্যু হয়েছে আরও ১৮১ জন শিশুর। সব মিলিয়ে গত এক মাসে এই রোগের প্রাদুর্ভাব জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের ভাবিয়ে তুলছে।

বিগত এক মাসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৪৪৩ জনে। এছাড়া হামের উপসর্গ বা সন্দেহজনকভাবে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ২৩ হাজার ৬০৬ জন। আক্রান্তদের মধ্যে বড় একটি অংশই শিশু, যাদের সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা ও আইসোলেশন নিশ্চিত করার পরামর্শ দিয়েছে অধিদপ্তর।

আরও পড়ুন  শিশু সাজিদের মৃত্যু: ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আক্রান্তের হার ও সন্দেহজনক মৃত্যুর এই পরিসংখ্যান ইঙ্গিত দিচ্ছে যে কমিউনিটি পর্যায়ে সংক্রমণ বাড়ছে। সঠিক সময়ে টিকা না নেওয়া বা পুষ্টির অভাব শিশুদের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে নজরদারি জোরদার এবং টিকাদান কর্মসূচির ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে।

অভিভাবকদের প্রতি পরামর্শ দিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, শিশুর শরীরে জ্বর, লালচে দানা বা ফুসকুড়ি দেখা দিলে বিলম্ব না করে নিকটস্থ হাসপাতালে পরামর্শ নিতে হবে। এছাড়া আক্রান্ত শিশুদের পুষ্টিকর খাবার ও পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।