ঢাকা ০২:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ১২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঈদকে কেন্দ্র করে বাড়ছে দুর্ঘটনা , ঝুঁকি এড়াতে যা যা করবেন হাদি হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্তদের ফেরাতে অনুরোধপত্র পাঠিয়েছি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দৌলতদিয়ায় বাস ডুবিতে বাড়ল মৃতের সংখ্যা, প্রাণ গেল আরও তিন মেডিকেল ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর বিশ্বকাপ টিকিটের শেষ সুযোগ: সময়–প্রক্রিয়া জানাল ফিফা হরমুজ প্রণালীতে টোল আরোপের পথে ইরান, উদ্বেগে বিশ্ববাজার ঈদের উৎসব পরবর্তী গ্যাস ও বদহজম দূর করার সহজ কিছু উপায় জিয়াউর রহমানের সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন প্রশাসনের শীর্ষস্তরে বড় রদবদল: ১২ জন নতুন সচিব, ৫ জনকে প্রত্যাহার তেলআবিবের আকাশে হাজার হাজার কাক, যে কারণে আতঙ্কে ইসরাইলিরা রাজারবাগে হামলা ও স্বাধীনতার ঘোষণার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তৈরি করে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বাধীনতার ৫৬ বছরে বাংলাদেশ: গৌরব, ত্যাগ আর অগ্রযাত্রার দিন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৪৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
  • / 9

ছবি: সংগৃহীত

আজ ২৬ মার্চ, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের ভয়াল রাতের পর প্রথম প্রহরে শুরু হয় বাঙালির সশস্ত্র মুক্তির লড়াই। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ, ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগ এবং দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত হয় স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ।

দিবসটি উপলক্ষে সারা দেশে নেওয়া হয়েছে নানা কর্মসূচি। ভোরে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিনের সূচনা হয়। সূর্যোদয়ের পর মো. সাহাবুদ্দিন এবং তারেক রহমান জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এরপর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধা, বীরশ্রেষ্ঠ পরিবারের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

দেশের বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন, কুচকাওয়াজ ও ছাত্রসমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

আরও পড়ুন  বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামালের ৫৪তম শাহাদাত বার্ষিকী

সরকারি-বেসরকারি সব ভবনে উত্তোলন করা হয়েছে জাতীয় পতাকা, আর রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো সেজেছে আলোকসজ্জায়।

গণমাধ্যমগুলো প্রচার করছে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা ও স্মরণীয় আয়োজন।

বিশেষ কর্মসূচির অংশ হিসেবে নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডের জাহাজ দেশের বিভিন্ন সমুদ্র ও নদীবন্দরে সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং দেশাত্মবোধক সংগীত পরিবেশনার আয়োজনও করা হয়েছে দেশজুড়ে।

শহীদদের আত্মার শান্তি কামনায় মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডায় বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। হাসপাতাল, কারাগার, এতিমখানা ও আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে পরিবেশন করা হচ্ছে বিশেষ খাবার।

রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে দেশের চলমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বৈষম্যহীন, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

মহান স্বাধীনতা দিবস শুধু অতীতের গৌরব স্মরণের দিন নয়, বরং নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেম, ত্যাগ ও দায়িত্ববোধে উজ্জীবিত করার এক অনন্য উপলক্ষ।

নিউজটি শেয়ার করুন

স্বাধীনতার ৫৬ বছরে বাংলাদেশ: গৌরব, ত্যাগ আর অগ্রযাত্রার দিন

আপডেট সময় ১০:৪৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

আজ ২৬ মার্চ, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের ভয়াল রাতের পর প্রথম প্রহরে শুরু হয় বাঙালির সশস্ত্র মুক্তির লড়াই। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ, ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগ এবং দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত হয় স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ।

দিবসটি উপলক্ষে সারা দেশে নেওয়া হয়েছে নানা কর্মসূচি। ভোরে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিনের সূচনা হয়। সূর্যোদয়ের পর মো. সাহাবুদ্দিন এবং তারেক রহমান জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এরপর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধা, বীরশ্রেষ্ঠ পরিবারের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

দেশের বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন, কুচকাওয়াজ ও ছাত্রসমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

আরও পড়ুন  জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের জন্য মাসিক ভাতা ও আজীবন চিকিৎসা সুবিধা ঘোষণা

সরকারি-বেসরকারি সব ভবনে উত্তোলন করা হয়েছে জাতীয় পতাকা, আর রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো সেজেছে আলোকসজ্জায়।

গণমাধ্যমগুলো প্রচার করছে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা ও স্মরণীয় আয়োজন।

বিশেষ কর্মসূচির অংশ হিসেবে নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডের জাহাজ দেশের বিভিন্ন সমুদ্র ও নদীবন্দরে সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং দেশাত্মবোধক সংগীত পরিবেশনার আয়োজনও করা হয়েছে দেশজুড়ে।

শহীদদের আত্মার শান্তি কামনায় মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডায় বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। হাসপাতাল, কারাগার, এতিমখানা ও আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে পরিবেশন করা হচ্ছে বিশেষ খাবার।

রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে দেশের চলমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বৈষম্যহীন, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

মহান স্বাধীনতা দিবস শুধু অতীতের গৌরব স্মরণের দিন নয়, বরং নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেম, ত্যাগ ও দায়িত্ববোধে উজ্জীবিত করার এক অনন্য উপলক্ষ।