ঢাকা ১০:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩৩ অধ্যাদেশ, বেশির ভাগ অধ্যাদেশ উঠবে না সংসদে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:০৮:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 179

ছবি সংগৃহীত

 

সদ্যবিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের বেশির ভাগই আইনে রূপান্তর হচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, কয়েকটি ছাড়া বাকি অধ্যাদেশগুলো অনুমোদনের জন্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে তোলা হবে না।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসবে আগামী ১২ মার্চ। সংবিধান অনুযায়ী, সংসদ অধিবেশন শুরুর ৩০ দিনের মধ্যে জারি করা অধ্যাদেশ আইনে রূপান্তর করতে না পারলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যায়। এ অবস্থায় অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধিকাংশ অধ্যাদেশ বাতিলের পথেই হাঁটছে বর্তমান বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার।

আরও পড়ুন  জুলাই সনদের বাস্তবায়ন: ডেপুটি স্পিকার হচ্ছেন ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান

তবে যেসব অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করার প্রয়োজন হতে পারে, সেগুলোর যাচাই-বাছাই চলছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে এ বিষয়ে মতামত দিতে বলা হয়েছে। তালিকা চূড়ান্ত হলে তা প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হবে। অধিবেশন শুরুর আগেই যেসব অধ্যাদেশ আইনে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত হবে, সেগুলোর খসড়া চূড়ান্ত করা হবে।

অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ৫৫৯ দিনে মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করে। গড়ে প্রতি ৪ দশমিক ২০ দিনে একটি করে অধ্যাদেশ জারি হয়। সংবিধানের বিধান মেনে সবগুলো আইনে রূপ দিতে হলে বর্তমান সরকারকে দিনে গড়ে সাড়ে চারটি করে অধ্যাদেশ পাস করতে হবে, যা বাস্তবে কঠিন বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সূত্রগুলো জানায়, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তড়িঘড়ি করে বেশ কিছু অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। কিছু ক্ষেত্রে উপদেষ্টাদের ব্যক্তিগত আগ্রহ বা প্রভাবের অভিযোগও রয়েছে।

সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ ভেঙে গেলে বা অধিবেশন না থাকলে জরুরি প্রয়োজন দেখা দিলে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সত্যিই কতগুলো অধ্যাদেশ জরুরি প্রয়োজনে জারি হয়েছিল, এখন তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। পুরো প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছিল কি না, সেটিও আলোচনায় রয়েছে।

সাবেক সচিব এ কে এম আবদুল আউয়াল মজুমদার বলেন, বেশির ভাগ অধ্যাদেশ সংসদ গ্রহণ করবে না। তাঁর মতে, হাতে গোনা কয়েকটি ছাড়া অনেক অধ্যাদেশ অপ্রয়োজনীয়ভাবে জারি করা হয়েছে। তিনি বলেন, সরকার চাইলে সব অধ্যাদেশ সংসদে তুলতেই বাধ্য নয়। বাছাই করে কিছু অধ্যাদেশ উপস্থাপন করে সংসদ সদস্যদের মতামত নিয়ে সেগুলো আইনে পরিণত করা হতে পারে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে কোনগুলো আইনে রূপান্তর প্রয়োজন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। চূড়ান্ত তালিকা অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাবে। যেগুলো আইনে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত হবে, সেগুলো বর্তমান প্রেক্ষাপট ও সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বিবেচনায় সংশোধন করে আনা হতে পারে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ৮ আগস্ট দায়িত্ব নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। আইন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, তারা ২০২৪ সালে ১৭টি, ২০২৫ সালে ৮০টি এবং ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৩৬টি অধ্যাদেশ জারি করে। ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নেয়।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বাজেট-সম্পর্কিত বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি ও নির্দিষ্টকরণ আইনের সঙ্গে যুক্ত কয়েকটি অধ্যাদেশ আইনে রূপান্তর করা প্রয়োজন হতে পারে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সাবেক সরকারি কর্মকর্তা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা সংক্রান্ত একটি অধ্যাদেশ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। ওই অধ্যাদেশে কিছু পরিবর্তন আনা হয়, যা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে।

অতীতে ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ সামরিক আইন জারির পর প্রয়াত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের আমলে জারি করা ৫৯৫টি অধ্যাদেশ ২০১০ সালে উচ্চ আদালত অবৈধ ঘোষণা করেছিলেন। তবে রাষ্ট্রীয় শূন্যতা এড়াতে কিছু সমাপ্ত কার্যক্রম বহাল রাখা হয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতেও কিছু ক্ষেত্রে অনুরূপ নীতি অনুসরণ করা হতে পারে।

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, রাজধানীর সাত সরকারি কলেজ নিয়ে গঠিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ পর্যালোচনায় একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। অধ্যাদেশটি তড়িঘড়ি করে জারি হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে।

২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি থেকে ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ১২২টি অধ্যাদেশ জারি করেছিল। পরে নবম জাতীয় সংসদে সেগুলো একসঙ্গে উপস্থাপন করা হয় এবং পর্যালোচনার জন্য বিশেষ সংসদীয় কমিটি গঠন করা হয়। সেই কমিটি ৫৪টি অধ্যাদেশ আইনে রূপান্তরের সুপারিশ করেছিল।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, বর্তমান সরকার অধ্যাদেশগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করতে পারে—যেগুলো আইনে রূপান্তর করা হবে এবং যেগুলো করা হবে না। সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় সরকার যে অধ্যাদেশগুলো আইনে পরিণত করতে চাইবে, সেগুলোই শেষ পর্যন্ত পাস হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

নিউজটি শেয়ার করুন

অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩৩ অধ্যাদেশ, বেশির ভাগ অধ্যাদেশ উঠবে না সংসদে

আপডেট সময় ০৪:০৮:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

সদ্যবিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের বেশির ভাগই আইনে রূপান্তর হচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, কয়েকটি ছাড়া বাকি অধ্যাদেশগুলো অনুমোদনের জন্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে তোলা হবে না।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসবে আগামী ১২ মার্চ। সংবিধান অনুযায়ী, সংসদ অধিবেশন শুরুর ৩০ দিনের মধ্যে জারি করা অধ্যাদেশ আইনে রূপান্তর করতে না পারলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যায়। এ অবস্থায় অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধিকাংশ অধ্যাদেশ বাতিলের পথেই হাঁটছে বর্তমান বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার।

আরও পড়ুন  সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ নিয়ে প্রধান বিবিসিকে উপদেষ্টার গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য

তবে যেসব অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করার প্রয়োজন হতে পারে, সেগুলোর যাচাই-বাছাই চলছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে এ বিষয়ে মতামত দিতে বলা হয়েছে। তালিকা চূড়ান্ত হলে তা প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হবে। অধিবেশন শুরুর আগেই যেসব অধ্যাদেশ আইনে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত হবে, সেগুলোর খসড়া চূড়ান্ত করা হবে।

অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ৫৫৯ দিনে মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করে। গড়ে প্রতি ৪ দশমিক ২০ দিনে একটি করে অধ্যাদেশ জারি হয়। সংবিধানের বিধান মেনে সবগুলো আইনে রূপ দিতে হলে বর্তমান সরকারকে দিনে গড়ে সাড়ে চারটি করে অধ্যাদেশ পাস করতে হবে, যা বাস্তবে কঠিন বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সূত্রগুলো জানায়, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তড়িঘড়ি করে বেশ কিছু অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। কিছু ক্ষেত্রে উপদেষ্টাদের ব্যক্তিগত আগ্রহ বা প্রভাবের অভিযোগও রয়েছে।

সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ ভেঙে গেলে বা অধিবেশন না থাকলে জরুরি প্রয়োজন দেখা দিলে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সত্যিই কতগুলো অধ্যাদেশ জরুরি প্রয়োজনে জারি হয়েছিল, এখন তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। পুরো প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছিল কি না, সেটিও আলোচনায় রয়েছে।

সাবেক সচিব এ কে এম আবদুল আউয়াল মজুমদার বলেন, বেশির ভাগ অধ্যাদেশ সংসদ গ্রহণ করবে না। তাঁর মতে, হাতে গোনা কয়েকটি ছাড়া অনেক অধ্যাদেশ অপ্রয়োজনীয়ভাবে জারি করা হয়েছে। তিনি বলেন, সরকার চাইলে সব অধ্যাদেশ সংসদে তুলতেই বাধ্য নয়। বাছাই করে কিছু অধ্যাদেশ উপস্থাপন করে সংসদ সদস্যদের মতামত নিয়ে সেগুলো আইনে পরিণত করা হতে পারে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে কোনগুলো আইনে রূপান্তর প্রয়োজন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। চূড়ান্ত তালিকা অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাবে। যেগুলো আইনে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত হবে, সেগুলো বর্তমান প্রেক্ষাপট ও সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বিবেচনায় সংশোধন করে আনা হতে পারে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ৮ আগস্ট দায়িত্ব নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। আইন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, তারা ২০২৪ সালে ১৭টি, ২০২৫ সালে ৮০টি এবং ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৩৬টি অধ্যাদেশ জারি করে। ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নেয়।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বাজেট-সম্পর্কিত বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি ও নির্দিষ্টকরণ আইনের সঙ্গে যুক্ত কয়েকটি অধ্যাদেশ আইনে রূপান্তর করা প্রয়োজন হতে পারে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সাবেক সরকারি কর্মকর্তা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা সংক্রান্ত একটি অধ্যাদেশ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। ওই অধ্যাদেশে কিছু পরিবর্তন আনা হয়, যা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে।

অতীতে ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ সামরিক আইন জারির পর প্রয়াত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের আমলে জারি করা ৫৯৫টি অধ্যাদেশ ২০১০ সালে উচ্চ আদালত অবৈধ ঘোষণা করেছিলেন। তবে রাষ্ট্রীয় শূন্যতা এড়াতে কিছু সমাপ্ত কার্যক্রম বহাল রাখা হয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতেও কিছু ক্ষেত্রে অনুরূপ নীতি অনুসরণ করা হতে পারে।

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, রাজধানীর সাত সরকারি কলেজ নিয়ে গঠিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ পর্যালোচনায় একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। অধ্যাদেশটি তড়িঘড়ি করে জারি হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে।

২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি থেকে ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ১২২টি অধ্যাদেশ জারি করেছিল। পরে নবম জাতীয় সংসদে সেগুলো একসঙ্গে উপস্থাপন করা হয় এবং পর্যালোচনার জন্য বিশেষ সংসদীয় কমিটি গঠন করা হয়। সেই কমিটি ৫৪টি অধ্যাদেশ আইনে রূপান্তরের সুপারিশ করেছিল।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, বর্তমান সরকার অধ্যাদেশগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করতে পারে—যেগুলো আইনে রূপান্তর করা হবে এবং যেগুলো করা হবে না। সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় সরকার যে অধ্যাদেশগুলো আইনে পরিণত করতে চাইবে, সেগুলোই শেষ পর্যন্ত পাস হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।