ঢাকা ১০:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

অর্থনীতি সংস্কারে বড় পরিকল্পনা: শেয়ারবাজার ও বিনিয়োগ নিয়ে অর্থমন্ত্রীর ঘোষণা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৩২:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 150

ছবি: সংগৃহীত

দেশের শেয়ারবাজার এবং সার্বিক অর্থনীতি নিয়ে বড় ধরনের সংস্কারের পরিকল্পনা ব্যক্ত করেছেন নবনিযুক্ত অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রামে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, বর্তমান অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে উঠতে এবং বিনিয়োগ বাড়াতে সরকার গতানুগতিক ধারার বাইরে গিয়ে কাজ করবে। স্বাধীনতার পর চট্টগ্রাম থেকে প্রথমবারের মতো অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পর এটিই ছিল তাঁর প্রথম চট্টগ্রাম সফর। বিমানবন্দরে শত শত নেতা-কর্মী তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।

শেয়ারবাজারে ‘বিপ্লব’ ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি
শেয়ারবাজার নিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাজারে বড় ধরনের বিপ্লব ঘটানোর পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। তবে কেবল সূচকের সামান্য উত্থানই যথেষ্ট নয়; বরং আইনকানুন পরিবর্তন করে একটি স্বচ্ছ পরিবেশ তৈরি করা হবে। তাঁর লক্ষ্য:
ভালো মানের শেয়ার বাজারে আনা যাতে সাধারণ মানুষ বিনিয়োগে উৎসাহিত হয়।
শেয়ারবাজারের উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের শিল্প খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো।
উৎপাদন ও রপ্তানি বৃদ্ধির মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা এবং দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখা।

অর্থনীতির বর্তমান চিত্র ও উত্তরণ
দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে ‘খুবই খারাপ’ হিসেবে উল্লেখ করে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বর্তমানে দারিদ্র্য বাড়ছে এবং বিনিয়োগ কমছে। বেসরকারি খাত মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানি কমিয়ে দেওয়ায় ঋণের চাহিদাও কমে গেছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সরকার অর্থনীতিকে ‘মুক্ত’ করতে চায় এবং সুযোগ-সুবিধা জনগণের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছাতে চায়।

আরও পড়ুন  রাষ্ট্রীয় শিল্পে বেসরকারি বিনিয়োগের আহ্বান বিডা চেয়ারম্যানের

বাজেট ও সুশাসন নিয়ে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি
বাজেট প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন যে, তিনি কোনো গতানুগতিক বাজেট পেশ করতে চান না। তাঁর ঘোষিত লক্ষ্যসমূহ:
অংশগ্রহণমূলক অর্থনীতি: দেশের সব মানুষের জন্য সমান সুযোগ বা ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করা।
পৃষ্ঠপোষকতার রাজনীতির অবসান: নির্দিষ্ট কিছু গোষ্ঠী বা ব্যক্তির বিশেষ সুবিধা পাওয়ার দিন শেষ। যারা এতদিন সাধারণ মানুষকে বঞ্চিত করেছে, তাদের একচেটিয়া প্রভাব আর থাকবে না।
জনকল্যাণমুখী লক্ষ্য: উন্নয়নের সুফল যেন সরাসরি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায়, সেটাই হবে আগামী বাজেটের মূল লক্ষ্য।
বিকালে তিনি চট্টগ্রাম বন্দরকে আরও গতিশীল ও আধুনিক করার লক্ষ্যে বন্দর সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অংশীজন ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হন।

নিউজটি শেয়ার করুন

অর্থনীতি সংস্কারে বড় পরিকল্পনা: শেয়ারবাজার ও বিনিয়োগ নিয়ে অর্থমন্ত্রীর ঘোষণা

আপডেট সময় ০৪:৩২:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দেশের শেয়ারবাজার এবং সার্বিক অর্থনীতি নিয়ে বড় ধরনের সংস্কারের পরিকল্পনা ব্যক্ত করেছেন নবনিযুক্ত অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রামে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, বর্তমান অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে উঠতে এবং বিনিয়োগ বাড়াতে সরকার গতানুগতিক ধারার বাইরে গিয়ে কাজ করবে। স্বাধীনতার পর চট্টগ্রাম থেকে প্রথমবারের মতো অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পর এটিই ছিল তাঁর প্রথম চট্টগ্রাম সফর। বিমানবন্দরে শত শত নেতা-কর্মী তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।

শেয়ারবাজারে ‘বিপ্লব’ ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি
শেয়ারবাজার নিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাজারে বড় ধরনের বিপ্লব ঘটানোর পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। তবে কেবল সূচকের সামান্য উত্থানই যথেষ্ট নয়; বরং আইনকানুন পরিবর্তন করে একটি স্বচ্ছ পরিবেশ তৈরি করা হবে। তাঁর লক্ষ্য:
ভালো মানের শেয়ার বাজারে আনা যাতে সাধারণ মানুষ বিনিয়োগে উৎসাহিত হয়।
শেয়ারবাজারের উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের শিল্প খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো।
উৎপাদন ও রপ্তানি বৃদ্ধির মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা এবং দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখা।

অর্থনীতির বর্তমান চিত্র ও উত্তরণ
দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে ‘খুবই খারাপ’ হিসেবে উল্লেখ করে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বর্তমানে দারিদ্র্য বাড়ছে এবং বিনিয়োগ কমছে। বেসরকারি খাত মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানি কমিয়ে দেওয়ায় ঋণের চাহিদাও কমে গেছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সরকার অর্থনীতিকে ‘মুক্ত’ করতে চায় এবং সুযোগ-সুবিধা জনগণের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছাতে চায়।

আরও পড়ুন  টানা দামে আগুন: ভরিতে ২.৪৭ লাখ ছাড়াল স্বর্ণ, চাপে ক্রেতারা

বাজেট ও সুশাসন নিয়ে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি
বাজেট প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন যে, তিনি কোনো গতানুগতিক বাজেট পেশ করতে চান না। তাঁর ঘোষিত লক্ষ্যসমূহ:
অংশগ্রহণমূলক অর্থনীতি: দেশের সব মানুষের জন্য সমান সুযোগ বা ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করা।
পৃষ্ঠপোষকতার রাজনীতির অবসান: নির্দিষ্ট কিছু গোষ্ঠী বা ব্যক্তির বিশেষ সুবিধা পাওয়ার দিন শেষ। যারা এতদিন সাধারণ মানুষকে বঞ্চিত করেছে, তাদের একচেটিয়া প্রভাব আর থাকবে না।
জনকল্যাণমুখী লক্ষ্য: উন্নয়নের সুফল যেন সরাসরি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায়, সেটাই হবে আগামী বাজেটের মূল লক্ষ্য।
বিকালে তিনি চট্টগ্রাম বন্দরকে আরও গতিশীল ও আধুনিক করার লক্ষ্যে বন্দর সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অংশীজন ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হন।