ঢাকা ০৭:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান

ট্রাম্পের গাজা শান্তি পরিকল্পনা — মূল পয়েন্টসমূহ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:১৯:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 991

ছবি সংগৃহীত

 

সমঝোতা ও জিম্মি মুক্তি: লড়াই ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে থামাতে হবে। একই সঙ্গে ইসরায়েলি বন্দীদের মুক্তি দিতে হবে।

হামাস নিরস্ত্রীকরণ: তাদের আক্রমণাত্মক অস্ত্র ধ্বংস করা হবে। যারা সহিংসতা ত্যাগ করবে তাদের ক্ষমা দেওয়া হতে পারে। অন্যদের জন্য নিরাপদভাবে দেশের বাইরে চলে যাওয়ার ব্যবস্থা থাকবে।

আরও পড়ুন  গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে বিরোধিতা করলে ইউরোপে শুল্ক আরোপ ‘১০০%’ বাস্তবায়নের হুমকি ট্রাম্পের

মানবিক সহায়তা ও পুনর্গঠন: যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বে হাসপাতাল, বাড়ি ও অবকাঠামো পুনর্গঠনে কাজ করা হবে। তদারকি করবে জাতিসংঘ ও নিরপেক্ষ সংস্থানগুলো।

অস্থায়ী শাসন: গাজা “যোগ্য” ফিলিস্তিনিদের দ্বারা চালানো হবে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক থাকবেন। এটি তখন পর্যন্ত থাকবে যতক্ষণ না ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ সংস্কার করা হয়।

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বাহিনী: আরব ও আন্তর্জাতিক বাহিনী গাজার নিরাপত্তা দেখবে।
ধীরে ধীরে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার করা হবে।

বন্দি বিনিময়: ইসরায়েলি বন্দি মুক্তির পরে ইসরায়েল তার হাতে থাকা ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি দেবে।

ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের পথ: ভবিষ্যতে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র নিয়ে আলোচনা হতে পারে। কিন্তু তা হবে পুনর্গঠন ও সংস্কারের পরে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্রাম্পের গাজা শান্তি পরিকল্পনা — মূল পয়েন্টসমূহ

আপডেট সময় ০৭:১৯:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

সমঝোতা ও জিম্মি মুক্তি: লড়াই ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে থামাতে হবে। একই সঙ্গে ইসরায়েলি বন্দীদের মুক্তি দিতে হবে।

হামাস নিরস্ত্রীকরণ: তাদের আক্রমণাত্মক অস্ত্র ধ্বংস করা হবে। যারা সহিংসতা ত্যাগ করবে তাদের ক্ষমা দেওয়া হতে পারে। অন্যদের জন্য নিরাপদভাবে দেশের বাইরে চলে যাওয়ার ব্যবস্থা থাকবে।

আরও পড়ুন  ‎ট্রাম্পের মাথার দাম ১২৩ কোটি টাকা ঘোষণা

মানবিক সহায়তা ও পুনর্গঠন: যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বে হাসপাতাল, বাড়ি ও অবকাঠামো পুনর্গঠনে কাজ করা হবে। তদারকি করবে জাতিসংঘ ও নিরপেক্ষ সংস্থানগুলো।

অস্থায়ী শাসন: গাজা “যোগ্য” ফিলিস্তিনিদের দ্বারা চালানো হবে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক থাকবেন। এটি তখন পর্যন্ত থাকবে যতক্ষণ না ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ সংস্কার করা হয়।

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বাহিনী: আরব ও আন্তর্জাতিক বাহিনী গাজার নিরাপত্তা দেখবে।
ধীরে ধীরে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার করা হবে।

বন্দি বিনিময়: ইসরায়েলি বন্দি মুক্তির পরে ইসরায়েল তার হাতে থাকা ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি দেবে।

ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের পথ: ভবিষ্যতে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র নিয়ে আলোচনা হতে পারে। কিন্তু তা হবে পুনর্গঠন ও সংস্কারের পরে।