ঢাকা ১০:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ট্রাম্পের গাজা শান্তি পরিকল্পনা — মূল পয়েন্টসমূহ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:১৯:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 371

ছবি সংগৃহীত

 

সমঝোতা ও জিম্মি মুক্তি: লড়াই ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে থামাতে হবে। একই সঙ্গে ইসরায়েলি বন্দীদের মুক্তি দিতে হবে।

হামাস নিরস্ত্রীকরণ: তাদের আক্রমণাত্মক অস্ত্র ধ্বংস করা হবে। যারা সহিংসতা ত্যাগ করবে তাদের ক্ষমা দেওয়া হতে পারে। অন্যদের জন্য নিরাপদভাবে দেশের বাইরে চলে যাওয়ার ব্যবস্থা থাকবে।

আরও পড়ুন  সপ্তাহের প্রথম দিনেই এশিয়ার শেয়ারবাজারে বড় ধস, বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক উদ্বেগের ছায়া

মানবিক সহায়তা ও পুনর্গঠন: যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বে হাসপাতাল, বাড়ি ও অবকাঠামো পুনর্গঠনে কাজ করা হবে। তদারকি করবে জাতিসংঘ ও নিরপেক্ষ সংস্থানগুলো।

অস্থায়ী শাসন: গাজা “যোগ্য” ফিলিস্তিনিদের দ্বারা চালানো হবে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক থাকবেন। এটি তখন পর্যন্ত থাকবে যতক্ষণ না ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ সংস্কার করা হয়।

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বাহিনী: আরব ও আন্তর্জাতিক বাহিনী গাজার নিরাপত্তা দেখবে।
ধীরে ধীরে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার করা হবে।

বন্দি বিনিময়: ইসরায়েলি বন্দি মুক্তির পরে ইসরায়েল তার হাতে থাকা ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি দেবে।

ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের পথ: ভবিষ্যতে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র নিয়ে আলোচনা হতে পারে। কিন্তু তা হবে পুনর্গঠন ও সংস্কারের পরে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্রাম্পের গাজা শান্তি পরিকল্পনা — মূল পয়েন্টসমূহ

আপডেট সময় ০৭:১৯:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

সমঝোতা ও জিম্মি মুক্তি: লড়াই ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে থামাতে হবে। একই সঙ্গে ইসরায়েলি বন্দীদের মুক্তি দিতে হবে।

হামাস নিরস্ত্রীকরণ: তাদের আক্রমণাত্মক অস্ত্র ধ্বংস করা হবে। যারা সহিংসতা ত্যাগ করবে তাদের ক্ষমা দেওয়া হতে পারে। অন্যদের জন্য নিরাপদভাবে দেশের বাইরে চলে যাওয়ার ব্যবস্থা থাকবে।

আরও পড়ুন  ইউক্রেনে প্যাট্রিয়ট পাঠাচ্ছেন ট্রাম্প, পুতিনের আচরণে হতাশা প্রকাশ

মানবিক সহায়তা ও পুনর্গঠন: যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বে হাসপাতাল, বাড়ি ও অবকাঠামো পুনর্গঠনে কাজ করা হবে। তদারকি করবে জাতিসংঘ ও নিরপেক্ষ সংস্থানগুলো।

অস্থায়ী শাসন: গাজা “যোগ্য” ফিলিস্তিনিদের দ্বারা চালানো হবে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক থাকবেন। এটি তখন পর্যন্ত থাকবে যতক্ষণ না ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ সংস্কার করা হয়।

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বাহিনী: আরব ও আন্তর্জাতিক বাহিনী গাজার নিরাপত্তা দেখবে।
ধীরে ধীরে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার করা হবে।

বন্দি বিনিময়: ইসরায়েলি বন্দি মুক্তির পরে ইসরায়েল তার হাতে থাকা ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি দেবে।

ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের পথ: ভবিষ্যতে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র নিয়ে আলোচনা হতে পারে। কিন্তু তা হবে পুনর্গঠন ও সংস্কারের পরে।