ঢাকা ০৮:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
সরকারি হাসপাতাল দালালমুক্ত করার ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নরসিংদীতে ছুরিকাঘাতে পিতাকে হত্যা, অভিযুক্ত ছেলে পলাতক নিখোঁজের চার দিন পর খালে বৃদ্ধার মরদেহ মাদক মামলার বিচার দ্রুত করতে ২২ ট্রাইব্যুনাল গঠন আমাদের বোমায় নারী-শিশু নিহত হচ্ছে, ট্রাম্পের সমালোচনায় মার্কিন কংগ্রেস সদস্য জনস্বার্থের প্রকল্পে নতুন অর্থের উৎস খুঁজছে সরকার: অর্থমন্ত্রী গ্যাস-বিদ্যুৎ নিয়ে পরামর্শ দিন, রাজপথে হুমকি নয়: রিজভী ‘যৌনাঙ্গ চুরি’র গুজবে আফ্রিকায় ৮০ জনের বেশি নিহত সাংবাদিকদের স্বাধীনতা নিশ্চিত করছে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী ধর্মঘট প্রত্যাহার ভারতীয়দের, শনিবার থেকে হিলি বন্দরে বাণিজ্য শুরু

ট্রাম্পের গাজা শান্তি পরিকল্পনা — মূল পয়েন্টসমূহ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:১৯:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 1268

ছবি সংগৃহীত

 

সমঝোতা ও জিম্মি মুক্তি: লড়াই ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে থামাতে হবে। একই সঙ্গে ইসরায়েলি বন্দীদের মুক্তি দিতে হবে।

হামাস নিরস্ত্রীকরণ: তাদের আক্রমণাত্মক অস্ত্র ধ্বংস করা হবে। যারা সহিংসতা ত্যাগ করবে তাদের ক্ষমা দেওয়া হতে পারে। অন্যদের জন্য নিরাপদভাবে দেশের বাইরে চলে যাওয়ার ব্যবস্থা থাকবে।

আরও পড়ুন  গাজায় ইসরায়েলি হামলায় একদিনেই নিহত ৫৩, আহত শতাধিক

মানবিক সহায়তা ও পুনর্গঠন: যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বে হাসপাতাল, বাড়ি ও অবকাঠামো পুনর্গঠনে কাজ করা হবে। তদারকি করবে জাতিসংঘ ও নিরপেক্ষ সংস্থানগুলো।

অস্থায়ী শাসন: গাজা “যোগ্য” ফিলিস্তিনিদের দ্বারা চালানো হবে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক থাকবেন। এটি তখন পর্যন্ত থাকবে যতক্ষণ না ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ সংস্কার করা হয়।

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বাহিনী: আরব ও আন্তর্জাতিক বাহিনী গাজার নিরাপত্তা দেখবে।
ধীরে ধীরে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার করা হবে।

বন্দি বিনিময়: ইসরায়েলি বন্দি মুক্তির পরে ইসরায়েল তার হাতে থাকা ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি দেবে।

ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের পথ: ভবিষ্যতে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র নিয়ে আলোচনা হতে পারে। কিন্তু তা হবে পুনর্গঠন ও সংস্কারের পরে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্রাম্পের গাজা শান্তি পরিকল্পনা — মূল পয়েন্টসমূহ

আপডেট সময় ০৭:১৯:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

সমঝোতা ও জিম্মি মুক্তি: লড়াই ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে থামাতে হবে। একই সঙ্গে ইসরায়েলি বন্দীদের মুক্তি দিতে হবে।

হামাস নিরস্ত্রীকরণ: তাদের আক্রমণাত্মক অস্ত্র ধ্বংস করা হবে। যারা সহিংসতা ত্যাগ করবে তাদের ক্ষমা দেওয়া হতে পারে। অন্যদের জন্য নিরাপদভাবে দেশের বাইরে চলে যাওয়ার ব্যবস্থা থাকবে।

আরও পড়ুন  গাজায় ইসরায়েলি হামলায় একদিনেই নিহত ৫৩, আহত শতাধিক

মানবিক সহায়তা ও পুনর্গঠন: যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বে হাসপাতাল, বাড়ি ও অবকাঠামো পুনর্গঠনে কাজ করা হবে। তদারকি করবে জাতিসংঘ ও নিরপেক্ষ সংস্থানগুলো।

অস্থায়ী শাসন: গাজা “যোগ্য” ফিলিস্তিনিদের দ্বারা চালানো হবে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক থাকবেন। এটি তখন পর্যন্ত থাকবে যতক্ষণ না ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ সংস্কার করা হয়।

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বাহিনী: আরব ও আন্তর্জাতিক বাহিনী গাজার নিরাপত্তা দেখবে।
ধীরে ধীরে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার করা হবে।

বন্দি বিনিময়: ইসরায়েলি বন্দি মুক্তির পরে ইসরায়েল তার হাতে থাকা ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি দেবে।

ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের পথ: ভবিষ্যতে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র নিয়ে আলোচনা হতে পারে। কিন্তু তা হবে পুনর্গঠন ও সংস্কারের পরে।