ঢাকা ০১:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা

গভীর শ্রদ্ধায় ও রাষ্ট্রীয় শোকে আজ পালিত হচ্ছে ‘জুলাই শহীদ দিবস’

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:২৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫
  • / 562

ছবি সংগৃহীত

 

আজ বুধবার, ১৬ জুলাই, দেশের সর্বস্তরে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত হচ্ছে ‘জুলাই শহীদ দিবস’। ১৯৭২ সালের এই দিনে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সূচনালগ্নে রংপুরে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন সাহসী যুবক আবু সাঈদ। তাঁর আত্মত্যাগের স্মরণে সরকার ১৬ জুলাইকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে এবং জাতীয়ভাবে দিবসটি পালন করা হচ্ছে।

দিবসটি উপলক্ষে আজ দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, এবং বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসসমূহে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে। শহীদদের স্মরণে শ্রদ্ধা জানিয়ে দেশের সকল ধর্মীয় উপাসনালয়ে আয়োজন করা হয়েছে বিশেষ প্রার্থনা। মসজিদে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে তাঁদের আত্মার শান্তির জন্য আয়োজন করা হয়েছে বিশেষ প্রার্থনা।

আরও পড়ুন  ছয় দিনের রাষ্ট্রীয় শোক শেষে খামেনির দাফন সম্পন্ন

প্রসঙ্গত, গত বছর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে ১৬ জুলাইকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। প্রজ্ঞাপনটি স্বাক্ষর করেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব তানিয়া আফরোজ। এতে বলা হয়, প্রতি বছর ১৬ জুলাইকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে এবং এই দিবসকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালন সংক্রান্ত পরিপত্রের ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এই দিবস শুধু একজন শহীদের স্মৃতিকে নয়, বরং গণতন্ত্র, অধিকার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তাঁর আত্মত্যাগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে—এমনটাই আশা করছে জাতি।

রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রথমবারের মতো দিবসটি পালিত হওয়ায় বিভিন্ন মহলে এই উদ্যোগকে স্বাগত জানানো হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, শহীদ আবু সাঈদের মতো সংগ্রামীদের আত্মত্যাগকে জাতীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়া নতুন প্রজন্মকে ইতিহাস জানতে ও গণতান্ত্রিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ করতে সহায়ক হবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

গভীর শ্রদ্ধায় ও রাষ্ট্রীয় শোকে আজ পালিত হচ্ছে ‘জুলাই শহীদ দিবস’

আপডেট সময় ১১:২৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫

 

আজ বুধবার, ১৬ জুলাই, দেশের সর্বস্তরে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত হচ্ছে ‘জুলাই শহীদ দিবস’। ১৯৭২ সালের এই দিনে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সূচনালগ্নে রংপুরে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন সাহসী যুবক আবু সাঈদ। তাঁর আত্মত্যাগের স্মরণে সরকার ১৬ জুলাইকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে এবং জাতীয়ভাবে দিবসটি পালন করা হচ্ছে।

দিবসটি উপলক্ষে আজ দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, এবং বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসসমূহে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে। শহীদদের স্মরণে শ্রদ্ধা জানিয়ে দেশের সকল ধর্মীয় উপাসনালয়ে আয়োজন করা হয়েছে বিশেষ প্রার্থনা। মসজিদে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে তাঁদের আত্মার শান্তির জন্য আয়োজন করা হয়েছে বিশেষ প্রার্থনা।

আরও পড়ুন  ছয় দিনের রাষ্ট্রীয় শোক শেষে খামেনির দাফন সম্পন্ন

প্রসঙ্গত, গত বছর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে ১৬ জুলাইকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। প্রজ্ঞাপনটি স্বাক্ষর করেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব তানিয়া আফরোজ। এতে বলা হয়, প্রতি বছর ১৬ জুলাইকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে এবং এই দিবসকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালন সংক্রান্ত পরিপত্রের ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এই দিবস শুধু একজন শহীদের স্মৃতিকে নয়, বরং গণতন্ত্র, অধিকার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তাঁর আত্মত্যাগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে—এমনটাই আশা করছে জাতি।

রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রথমবারের মতো দিবসটি পালিত হওয়ায় বিভিন্ন মহলে এই উদ্যোগকে স্বাগত জানানো হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, শহীদ আবু সাঈদের মতো সংগ্রামীদের আত্মত্যাগকে জাতীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়া নতুন প্রজন্মকে ইতিহাস জানতে ও গণতান্ত্রিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ করতে সহায়ক হবে।