ঢাকা ১০:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

গভীর শ্রদ্ধায় ও রাষ্ট্রীয় শোকে আজ পালিত হচ্ছে ‘জুলাই শহীদ দিবস’

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:২৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫
  • / 383

ছবি সংগৃহীত

 

আজ বুধবার, ১৬ জুলাই, দেশের সর্বস্তরে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত হচ্ছে ‘জুলাই শহীদ দিবস’। ১৯৭২ সালের এই দিনে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সূচনালগ্নে রংপুরে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন সাহসী যুবক আবু সাঈদ। তাঁর আত্মত্যাগের স্মরণে সরকার ১৬ জুলাইকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে এবং জাতীয়ভাবে দিবসটি পালন করা হচ্ছে।

দিবসটি উপলক্ষে আজ দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, এবং বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসসমূহে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে। শহীদদের স্মরণে শ্রদ্ধা জানিয়ে দেশের সকল ধর্মীয় উপাসনালয়ে আয়োজন করা হয়েছে বিশেষ প্রার্থনা। মসজিদে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে তাঁদের আত্মার শান্তির জন্য আয়োজন করা হয়েছে বিশেষ প্রার্থনা।

আরও পড়ুন  বর্ষবরণে গাজার শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা, ছায়ানটে এক মিনিট নীরবতা

প্রসঙ্গত, গত বছর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে ১৬ জুলাইকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। প্রজ্ঞাপনটি স্বাক্ষর করেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব তানিয়া আফরোজ। এতে বলা হয়, প্রতি বছর ১৬ জুলাইকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে এবং এই দিবসকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালন সংক্রান্ত পরিপত্রের ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এই দিবস শুধু একজন শহীদের স্মৃতিকে নয়, বরং গণতন্ত্র, অধিকার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তাঁর আত্মত্যাগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে—এমনটাই আশা করছে জাতি।

রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রথমবারের মতো দিবসটি পালিত হওয়ায় বিভিন্ন মহলে এই উদ্যোগকে স্বাগত জানানো হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, শহীদ আবু সাঈদের মতো সংগ্রামীদের আত্মত্যাগকে জাতীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়া নতুন প্রজন্মকে ইতিহাস জানতে ও গণতান্ত্রিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ করতে সহায়ক হবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

গভীর শ্রদ্ধায় ও রাষ্ট্রীয় শোকে আজ পালিত হচ্ছে ‘জুলাই শহীদ দিবস’

আপডেট সময় ১১:২৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫

 

আজ বুধবার, ১৬ জুলাই, দেশের সর্বস্তরে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত হচ্ছে ‘জুলাই শহীদ দিবস’। ১৯৭২ সালের এই দিনে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সূচনালগ্নে রংপুরে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন সাহসী যুবক আবু সাঈদ। তাঁর আত্মত্যাগের স্মরণে সরকার ১৬ জুলাইকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে এবং জাতীয়ভাবে দিবসটি পালন করা হচ্ছে।

দিবসটি উপলক্ষে আজ দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, এবং বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসসমূহে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে। শহীদদের স্মরণে শ্রদ্ধা জানিয়ে দেশের সকল ধর্মীয় উপাসনালয়ে আয়োজন করা হয়েছে বিশেষ প্রার্থনা। মসজিদে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে তাঁদের আত্মার শান্তির জন্য আয়োজন করা হয়েছে বিশেষ প্রার্থনা।

আরও পড়ুন  বর্ষবরণে গাজার শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা, ছায়ানটে এক মিনিট নীরবতা

প্রসঙ্গত, গত বছর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে ১৬ জুলাইকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। প্রজ্ঞাপনটি স্বাক্ষর করেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব তানিয়া আফরোজ। এতে বলা হয়, প্রতি বছর ১৬ জুলাইকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে এবং এই দিবসকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালন সংক্রান্ত পরিপত্রের ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এই দিবস শুধু একজন শহীদের স্মৃতিকে নয়, বরং গণতন্ত্র, অধিকার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তাঁর আত্মত্যাগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে—এমনটাই আশা করছে জাতি।

রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রথমবারের মতো দিবসটি পালিত হওয়ায় বিভিন্ন মহলে এই উদ্যোগকে স্বাগত জানানো হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, শহীদ আবু সাঈদের মতো সংগ্রামীদের আত্মত্যাগকে জাতীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়া নতুন প্রজন্মকে ইতিহাস জানতে ও গণতান্ত্রিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ করতে সহায়ক হবে।