ঢাকা ১০:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

সাবেক প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ ও মন্ত্রী ইমরানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:১৬:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫
  • / 496

ছবি সংগৃহীত

 

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী ইমরান আহমেদ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. জাকির হোসেন গালিবের আদালত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

আরও পড়ুন  ড. ইউনূসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ

এদিন দুদকের সহকারী পরিচালক খোরশেদ আলম পৃথকভাবে আদালতে আবেদন করেন। আদালত শুনানি শেষে উভয়ের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেন, যাতে করে তারা দেশের বাইরে পালিয়ে যেতে না পারেন।

আদালতে দাখিল করা আবেদনে বলা হয়, ইমরান আহমেদ নবম থেকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য এবং পরবর্তীতে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে নিজের নামে ৯০ লাখ ৬৭ হাজার ৪৮৫ টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎসবিহীন সম্পদ অর্জন করেন। তার নামে ৫টি ব্যাংক হিসাবে জমা রয়েছে প্রায় ৩ কোটি ৬ লাখ টাকা এবং উত্তোলন হয়েছে প্রায় ৩ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে ৬ কোটি টাকার অধিক সন্দেহজনক লেনদেন পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী থাকা অবস্থায় ৫ কোটি ৭৩ লাখ ৮২ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎসবিহীন সম্পদ অর্জন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি ১১টি ব্যাংক হিসাব এবং ৫টি কার্ড ব্যবহার করে প্রায় ১৩ কোটি ৬৮ লাখ টাকার লেনদেন করেছেন, যা সন্দেহজনক বলে মনে করছে দুদক।

দুদক আরও জানায়, দুর্নীতি ও ঘুষের মাধ্যমে প্রাপ্ত অবৈধ অর্থ বা সম্পদ তারা বিভিন্নভাবে রূপান্তর, স্থানান্তর এবং হস্তান্তর করেছেন। এসব লেনদেনের মাধ্যমে তারা অর্থের উৎস গোপন করার চেষ্টা করেছেন।

তদন্ত চলাকালে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্তরা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাই মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার স্বার্থে আদালতে তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করা হয়।

আদালত সব তথ্য পর্যালোচনা করে তাদের বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। বর্তমানে দু’টি মামলাই তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে দুদক।

নিউজটি শেয়ার করুন

সাবেক প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ ও মন্ত্রী ইমরানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

আপডেট সময় ০৮:১৬:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫

 

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী ইমরান আহমেদ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. জাকির হোসেন গালিবের আদালত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

আরও পড়ুন  ড. ইউনূসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ

এদিন দুদকের সহকারী পরিচালক খোরশেদ আলম পৃথকভাবে আদালতে আবেদন করেন। আদালত শুনানি শেষে উভয়ের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেন, যাতে করে তারা দেশের বাইরে পালিয়ে যেতে না পারেন।

আদালতে দাখিল করা আবেদনে বলা হয়, ইমরান আহমেদ নবম থেকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য এবং পরবর্তীতে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে নিজের নামে ৯০ লাখ ৬৭ হাজার ৪৮৫ টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎসবিহীন সম্পদ অর্জন করেন। তার নামে ৫টি ব্যাংক হিসাবে জমা রয়েছে প্রায় ৩ কোটি ৬ লাখ টাকা এবং উত্তোলন হয়েছে প্রায় ৩ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে ৬ কোটি টাকার অধিক সন্দেহজনক লেনদেন পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী থাকা অবস্থায় ৫ কোটি ৭৩ লাখ ৮২ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎসবিহীন সম্পদ অর্জন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি ১১টি ব্যাংক হিসাব এবং ৫টি কার্ড ব্যবহার করে প্রায় ১৩ কোটি ৬৮ লাখ টাকার লেনদেন করেছেন, যা সন্দেহজনক বলে মনে করছে দুদক।

দুদক আরও জানায়, দুর্নীতি ও ঘুষের মাধ্যমে প্রাপ্ত অবৈধ অর্থ বা সম্পদ তারা বিভিন্নভাবে রূপান্তর, স্থানান্তর এবং হস্তান্তর করেছেন। এসব লেনদেনের মাধ্যমে তারা অর্থের উৎস গোপন করার চেষ্টা করেছেন।

তদন্ত চলাকালে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্তরা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাই মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার স্বার্থে আদালতে তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করা হয়।

আদালত সব তথ্য পর্যালোচনা করে তাদের বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। বর্তমানে দু’টি মামলাই তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে দুদক।