ঢাকা ১২:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে কবরস্থানের ফুল ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩০ জন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:২৮:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫
  • / 366

ছবি সংগৃহীত

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে কবরস্থানের ফুল ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে সাতজন পুলিশ সদস্য রয়েছেন। সংঘর্ষের সময় বেশ কয়েকটি বাড়িঘরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে।

ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার (২৪ জুন) রাতে, উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে। বর্তমানে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

আরও পড়ুন  খাগড়াছড়িতে কাভার্ডভ্যান ও ট্রাক্টরের সংঘর্ষে অগ্নিকাণ্ড, আহত ৪

পুলিশ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১০-১২ দিন আগে মাহাজন বাড়ি ও জাকের বাড়ির দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে একটি বিরোধ দেখা দেয়। তখন স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়।

কিন্তু মঙ্গলবার বিকেলে বাহাদুরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ওই দুই গোষ্ঠীর ছেলেরা আবারও ফুটবল খেলায় অংশ নেয়। খেলার একপর্যায়ে মাহাজন বাড়ির নুরুল হকের ছেলে ইয়াছিন পাশের কবরস্থান থেকে একটি ফুল ছিঁড়ে আনে। একই সময়ে জাকের বাড়ির ফাইজুর রহমানের ছেলে আসিফ বিদ্যালয় চত্বর থেকে একটি ফুল ছিঁড়ে নেয়। এ নিয়েই শুরু হয় বাগ্‌বিতণ্ডা।

প্রথমে তর্কাতর্কি, পরে তা গড়ায় হাতাহাতিতে। বিষয়টি দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে। মাহাজন বাড়ির পক্ষে মোল্লা বাড়ি ও আছিরের বাড়ি এবং জাকের বাড়ির পক্ষে শেখ বাড়ির লোকজন সংঘর্ষে জড়ায়।

রাতে দুই পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে। এ সময় উত্তেজিত লোকজন পুলিশের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করলে একটি সরকারি গাড়ি ভাঙচুর হয় এবং সাতজন পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন।

আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খাইরুল আলম জানান, পুলিশ ও সেনাবাহিনী যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং নতুন করে যেন কোনো সংঘর্ষ না ঘটে, সে বিষয়ে সতর্ক নজরদারি চলছে।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে কবরস্থানের ফুল ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩০ জন

আপডেট সময় ০৫:২৮:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে কবরস্থানের ফুল ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে সাতজন পুলিশ সদস্য রয়েছেন। সংঘর্ষের সময় বেশ কয়েকটি বাড়িঘরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে।

ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার (২৪ জুন) রাতে, উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে। বর্তমানে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

আরও পড়ুন  ঝিনাইদহের শৈলকুপায় দ্বন্দ্বের জেরে সংঘর্ষ, আহত ১৪

পুলিশ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১০-১২ দিন আগে মাহাজন বাড়ি ও জাকের বাড়ির দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে একটি বিরোধ দেখা দেয়। তখন স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়।

কিন্তু মঙ্গলবার বিকেলে বাহাদুরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ওই দুই গোষ্ঠীর ছেলেরা আবারও ফুটবল খেলায় অংশ নেয়। খেলার একপর্যায়ে মাহাজন বাড়ির নুরুল হকের ছেলে ইয়াছিন পাশের কবরস্থান থেকে একটি ফুল ছিঁড়ে আনে। একই সময়ে জাকের বাড়ির ফাইজুর রহমানের ছেলে আসিফ বিদ্যালয় চত্বর থেকে একটি ফুল ছিঁড়ে নেয়। এ নিয়েই শুরু হয় বাগ্‌বিতণ্ডা।

প্রথমে তর্কাতর্কি, পরে তা গড়ায় হাতাহাতিতে। বিষয়টি দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে। মাহাজন বাড়ির পক্ষে মোল্লা বাড়ি ও আছিরের বাড়ি এবং জাকের বাড়ির পক্ষে শেখ বাড়ির লোকজন সংঘর্ষে জড়ায়।

রাতে দুই পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে। এ সময় উত্তেজিত লোকজন পুলিশের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করলে একটি সরকারি গাড়ি ভাঙচুর হয় এবং সাতজন পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন।

আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খাইরুল আলম জানান, পুলিশ ও সেনাবাহিনী যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং নতুন করে যেন কোনো সংঘর্ষ না ঘটে, সে বিষয়ে সতর্ক নজরদারি চলছে।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।