ঢাকা ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট চালু হচ্ছে এ বছরেই: রুশ রাষ্ট্রদূত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:০৬:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫
  • / 377

ছবি সংগৃহীত

 

 

চলতি বছরের শেষ নাগাদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট চালু হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার জি খোঁজিন।

আরও পড়ুন  ইরানকে ট্রাম্পের দুই মাসের আল্টিমেটাম, নতুন চুক্তি না হলে সামরিক হামলা

রাশিয়া দিবস উপলক্ষে ঢাকায় রুশ দূতাবাসে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত এ কথা বলেন। তিনি বলেন, “এ বছর রাশিয়া দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিজয়ের ৮০ বছর উদ্‌যাপন করছে, একইসঙ্গে উদ্‌যাপিত হচ্ছে সোভিয়েত পারমাণবিক শিল্প প্রতিষ্ঠারও ৮০ বছর। এই গৌরবময় মুহূর্তে রূপপুর প্রকল্পের অগ্রগতি রাশিয়ার জন্য এক বিশেষ অর্জন।”

তিনি জানান, রুশ ও বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের যৌথ প্রচেষ্টায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। প্রথম ইউনিট উদ্বোধনের প্রস্তুতি এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, রূপপুর প্রকল্প কেবল একটি প্রযুক্তিগত উদ্যোগ নয়, বরং রাশিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারত্বের একটি উজ্জ্বল নিদর্শন। এ প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশ জ্বালানি নিরাপত্তার এক নতুন যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে।

রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত পারমাণবিক সংস্থা ‘রোসাটম’-এর সহযোগিতায় নির্মিত হচ্ছে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি। প্রতিটি ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা ১২০০ মেগাওয়াট। ২০১৬ সালে প্রকল্পটির নির্মাণকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। বর্তমানে প্রথম ইউনিটের পরীক্ষামূলক চালুর জন্য সব প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন।

উল্লেখযোগ্যভাবে, রূপপুর প্রকল্পে রাশিয়ার প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন রয়েছে। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অবকাঠামোগত প্রকল্পগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই প্রকল্প চালু হলে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন মাত্রা যুক্ত হবে এবং দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক উন্নয়নেও তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট চালু হচ্ছে এ বছরেই: রুশ রাষ্ট্রদূত

আপডেট সময় ১১:০৬:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫

 

 

চলতি বছরের শেষ নাগাদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট চালু হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার জি খোঁজিন।

আরও পড়ুন  চীনের যুগান্তকারী আবিষ্কার: নকলের ভেতর থেকে আসল পারমাণবিক বোমা চিনে ফেলবে AI

রাশিয়া দিবস উপলক্ষে ঢাকায় রুশ দূতাবাসে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত এ কথা বলেন। তিনি বলেন, “এ বছর রাশিয়া দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিজয়ের ৮০ বছর উদ্‌যাপন করছে, একইসঙ্গে উদ্‌যাপিত হচ্ছে সোভিয়েত পারমাণবিক শিল্প প্রতিষ্ঠারও ৮০ বছর। এই গৌরবময় মুহূর্তে রূপপুর প্রকল্পের অগ্রগতি রাশিয়ার জন্য এক বিশেষ অর্জন।”

তিনি জানান, রুশ ও বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের যৌথ প্রচেষ্টায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। প্রথম ইউনিট উদ্বোধনের প্রস্তুতি এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, রূপপুর প্রকল্প কেবল একটি প্রযুক্তিগত উদ্যোগ নয়, বরং রাশিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারত্বের একটি উজ্জ্বল নিদর্শন। এ প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশ জ্বালানি নিরাপত্তার এক নতুন যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে।

রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত পারমাণবিক সংস্থা ‘রোসাটম’-এর সহযোগিতায় নির্মিত হচ্ছে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি। প্রতিটি ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা ১২০০ মেগাওয়াট। ২০১৬ সালে প্রকল্পটির নির্মাণকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। বর্তমানে প্রথম ইউনিটের পরীক্ষামূলক চালুর জন্য সব প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন।

উল্লেখযোগ্যভাবে, রূপপুর প্রকল্পে রাশিয়ার প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন রয়েছে। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অবকাঠামোগত প্রকল্পগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই প্রকল্প চালু হলে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন মাত্রা যুক্ত হবে এবং দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক উন্নয়নেও তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।