ঢাকা ০১:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত না হলে গণতন্ত্র টিকবে না: তারেক রহমান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৫৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫
  • / 457

ছবি সংগৃহীত

 

 

১৬ জুন সংবাদপত্রের কালো দিবস উপলক্ষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, “সংবাদপত্রের স্বাধীনতা বহুদলীয় গণতন্ত্রের মৌলিক উপাদান। গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখতে হলে এ স্বাধীনতা অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে।”

আরও পড়ুন  ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানি কার্যক্রমের উদ্বোধন কাল

রবিবার (১৫ জুন) দিবাগত রাতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর মাধ্যমে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে এক ভয়াবহ কালো দিন। সেদিন তৎকালীন শাসকগোষ্ঠী সকল রাজনৈতিক দল বিলুপ্ত করে একদলীয় বাকশাল ব্যবস্থা চালু করে, এবং কেবলমাত্র চারটি সরকারপন্থী সংবাদপত্র চালু রেখে বাকিদের নিষিদ্ধ করে দেয়। এর ফলে শত শত সংবাদকর্মী তাদের পেশা হারিয়ে জীবিকার অনিশ্চয়তায় পড়ে যায়।

তিনি বলেন, “স্বাধীনতা যুদ্ধের মূল চেতনা ছিল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং নাগরিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। চিরায়ত গণতন্ত্রের ভিত্তি বাকস্বাধীনতা, মতপ্রকাশের অধিকার ও চিন্তার স্বাধীনতা। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা থাকলেই ভিন্নমতের জায়গা তৈরি হয়, জবাবদিহিতার সংস্কৃতি গড়ে ওঠে, এবং জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটে রাষ্ট্র পরিচালনায়।”

বিবৃতিতে তিনি অভিযোগ করেন, স্বাধীনতার পর শাসকগোষ্ঠী গণতন্ত্রের চেতনাকে ধ্বংস করে একদলীয় শাসন চালু করে। পরবর্তীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে এনে বহুদলীয় গণতন্ত্রের ধারা পুনঃপ্রবর্তন করেন।

তারেক রহমান অভিযোগ করেন, শেখ মুজিবুর রহমানের পথ অনুসরণ করে তাঁর কন্যা শেখ হাসিনাও একদলীয় ব্যবস্থাকে নতুন রূপে ফিরিয়ে আনার অপচেষ্টা চালিয়েছেন। সাংবাদিক ও সংবাদপত্রের ওপর নানা ধরনের কালাকানুন প্রয়োগ করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। সত্য উচ্চারণ করলেই নেমে আসত দমন-পীড়নের খড়গ।

তিনি বলেন, “ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্টের মতো ড্রাকোনিয়ান আইন সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাকে স্তব্ধ করে দিয়েছে। সাংবাদিকরা প্রতিনিয়ত আতঙ্কে থেকেছেন। গণমাধ্যমকে ভয়াবহ অন্ধকারে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল।”

বিবৃতিতে তারেক রহমান আরও বলেন, “৫ আগস্ট ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পর কিছুটা স্বাধীনতা ফিরেছে ঠিকই, তবে এখনও গণমাধ্যম পুরোপুরি মুক্ত নয়। আমি দৃঢ়ভাবে বলছি, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত না হলে গণতন্ত্র কখনও নিরাপদ ও টেকসই হবে না।”

নিউজটি শেয়ার করুন

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত না হলে গণতন্ত্র টিকবে না: তারেক রহমান

আপডেট সময় ০৯:৫৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫

 

 

১৬ জুন সংবাদপত্রের কালো দিবস উপলক্ষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, “সংবাদপত্রের স্বাধীনতা বহুদলীয় গণতন্ত্রের মৌলিক উপাদান। গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখতে হলে এ স্বাধীনতা অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে।”

আরও পড়ুন  মায়ের সুস্থতার জন্য দোয়া চাইলেন তারেক রহমান

রবিবার (১৫ জুন) দিবাগত রাতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর মাধ্যমে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে এক ভয়াবহ কালো দিন। সেদিন তৎকালীন শাসকগোষ্ঠী সকল রাজনৈতিক দল বিলুপ্ত করে একদলীয় বাকশাল ব্যবস্থা চালু করে, এবং কেবলমাত্র চারটি সরকারপন্থী সংবাদপত্র চালু রেখে বাকিদের নিষিদ্ধ করে দেয়। এর ফলে শত শত সংবাদকর্মী তাদের পেশা হারিয়ে জীবিকার অনিশ্চয়তায় পড়ে যায়।

তিনি বলেন, “স্বাধীনতা যুদ্ধের মূল চেতনা ছিল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং নাগরিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। চিরায়ত গণতন্ত্রের ভিত্তি বাকস্বাধীনতা, মতপ্রকাশের অধিকার ও চিন্তার স্বাধীনতা। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা থাকলেই ভিন্নমতের জায়গা তৈরি হয়, জবাবদিহিতার সংস্কৃতি গড়ে ওঠে, এবং জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটে রাষ্ট্র পরিচালনায়।”

বিবৃতিতে তিনি অভিযোগ করেন, স্বাধীনতার পর শাসকগোষ্ঠী গণতন্ত্রের চেতনাকে ধ্বংস করে একদলীয় শাসন চালু করে। পরবর্তীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে এনে বহুদলীয় গণতন্ত্রের ধারা পুনঃপ্রবর্তন করেন।

তারেক রহমান অভিযোগ করেন, শেখ মুজিবুর রহমানের পথ অনুসরণ করে তাঁর কন্যা শেখ হাসিনাও একদলীয় ব্যবস্থাকে নতুন রূপে ফিরিয়ে আনার অপচেষ্টা চালিয়েছেন। সাংবাদিক ও সংবাদপত্রের ওপর নানা ধরনের কালাকানুন প্রয়োগ করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। সত্য উচ্চারণ করলেই নেমে আসত দমন-পীড়নের খড়গ।

তিনি বলেন, “ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্টের মতো ড্রাকোনিয়ান আইন সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাকে স্তব্ধ করে দিয়েছে। সাংবাদিকরা প্রতিনিয়ত আতঙ্কে থেকেছেন। গণমাধ্যমকে ভয়াবহ অন্ধকারে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল।”

বিবৃতিতে তারেক রহমান আরও বলেন, “৫ আগস্ট ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পর কিছুটা স্বাধীনতা ফিরেছে ঠিকই, তবে এখনও গণমাধ্যম পুরোপুরি মুক্ত নয়। আমি দৃঢ়ভাবে বলছি, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত না হলে গণতন্ত্র কখনও নিরাপদ ও টেকসই হবে না।”