ঢাকা ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত না হলে গণতন্ত্র টিকবে না: তারেক রহমান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৫৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫
  • / 332

ছবি সংগৃহীত

 

 

১৬ জুন সংবাদপত্রের কালো দিবস উপলক্ষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, “সংবাদপত্রের স্বাধীনতা বহুদলীয় গণতন্ত্রের মৌলিক উপাদান। গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখতে হলে এ স্বাধীনতা অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে।”

আরও পড়ুন  প্রধানমন্ত্রী হয়ে তারেক রহমান থাকবেন কোথায়?

রবিবার (১৫ জুন) দিবাগত রাতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর মাধ্যমে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে এক ভয়াবহ কালো দিন। সেদিন তৎকালীন শাসকগোষ্ঠী সকল রাজনৈতিক দল বিলুপ্ত করে একদলীয় বাকশাল ব্যবস্থা চালু করে, এবং কেবলমাত্র চারটি সরকারপন্থী সংবাদপত্র চালু রেখে বাকিদের নিষিদ্ধ করে দেয়। এর ফলে শত শত সংবাদকর্মী তাদের পেশা হারিয়ে জীবিকার অনিশ্চয়তায় পড়ে যায়।

তিনি বলেন, “স্বাধীনতা যুদ্ধের মূল চেতনা ছিল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং নাগরিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। চিরায়ত গণতন্ত্রের ভিত্তি বাকস্বাধীনতা, মতপ্রকাশের অধিকার ও চিন্তার স্বাধীনতা। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা থাকলেই ভিন্নমতের জায়গা তৈরি হয়, জবাবদিহিতার সংস্কৃতি গড়ে ওঠে, এবং জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটে রাষ্ট্র পরিচালনায়।”

বিবৃতিতে তিনি অভিযোগ করেন, স্বাধীনতার পর শাসকগোষ্ঠী গণতন্ত্রের চেতনাকে ধ্বংস করে একদলীয় শাসন চালু করে। পরবর্তীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে এনে বহুদলীয় গণতন্ত্রের ধারা পুনঃপ্রবর্তন করেন।

তারেক রহমান অভিযোগ করেন, শেখ মুজিবুর রহমানের পথ অনুসরণ করে তাঁর কন্যা শেখ হাসিনাও একদলীয় ব্যবস্থাকে নতুন রূপে ফিরিয়ে আনার অপচেষ্টা চালিয়েছেন। সাংবাদিক ও সংবাদপত্রের ওপর নানা ধরনের কালাকানুন প্রয়োগ করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। সত্য উচ্চারণ করলেই নেমে আসত দমন-পীড়নের খড়গ।

তিনি বলেন, “ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্টের মতো ড্রাকোনিয়ান আইন সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাকে স্তব্ধ করে দিয়েছে। সাংবাদিকরা প্রতিনিয়ত আতঙ্কে থেকেছেন। গণমাধ্যমকে ভয়াবহ অন্ধকারে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল।”

বিবৃতিতে তারেক রহমান আরও বলেন, “৫ আগস্ট ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পর কিছুটা স্বাধীনতা ফিরেছে ঠিকই, তবে এখনও গণমাধ্যম পুরোপুরি মুক্ত নয়। আমি দৃঢ়ভাবে বলছি, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত না হলে গণতন্ত্র কখনও নিরাপদ ও টেকসই হবে না।”

নিউজটি শেয়ার করুন

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত না হলে গণতন্ত্র টিকবে না: তারেক রহমান

আপডেট সময় ০৯:৫৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫

 

 

১৬ জুন সংবাদপত্রের কালো দিবস উপলক্ষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, “সংবাদপত্রের স্বাধীনতা বহুদলীয় গণতন্ত্রের মৌলিক উপাদান। গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখতে হলে এ স্বাধীনতা অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে।”

আরও পড়ুন  প্রধানমন্ত্রী হয়ে তারেক রহমান থাকবেন কোথায়?

রবিবার (১৫ জুন) দিবাগত রাতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর মাধ্যমে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে এক ভয়াবহ কালো দিন। সেদিন তৎকালীন শাসকগোষ্ঠী সকল রাজনৈতিক দল বিলুপ্ত করে একদলীয় বাকশাল ব্যবস্থা চালু করে, এবং কেবলমাত্র চারটি সরকারপন্থী সংবাদপত্র চালু রেখে বাকিদের নিষিদ্ধ করে দেয়। এর ফলে শত শত সংবাদকর্মী তাদের পেশা হারিয়ে জীবিকার অনিশ্চয়তায় পড়ে যায়।

তিনি বলেন, “স্বাধীনতা যুদ্ধের মূল চেতনা ছিল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং নাগরিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। চিরায়ত গণতন্ত্রের ভিত্তি বাকস্বাধীনতা, মতপ্রকাশের অধিকার ও চিন্তার স্বাধীনতা। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা থাকলেই ভিন্নমতের জায়গা তৈরি হয়, জবাবদিহিতার সংস্কৃতি গড়ে ওঠে, এবং জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটে রাষ্ট্র পরিচালনায়।”

বিবৃতিতে তিনি অভিযোগ করেন, স্বাধীনতার পর শাসকগোষ্ঠী গণতন্ত্রের চেতনাকে ধ্বংস করে একদলীয় শাসন চালু করে। পরবর্তীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে এনে বহুদলীয় গণতন্ত্রের ধারা পুনঃপ্রবর্তন করেন।

তারেক রহমান অভিযোগ করেন, শেখ মুজিবুর রহমানের পথ অনুসরণ করে তাঁর কন্যা শেখ হাসিনাও একদলীয় ব্যবস্থাকে নতুন রূপে ফিরিয়ে আনার অপচেষ্টা চালিয়েছেন। সাংবাদিক ও সংবাদপত্রের ওপর নানা ধরনের কালাকানুন প্রয়োগ করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। সত্য উচ্চারণ করলেই নেমে আসত দমন-পীড়নের খড়গ।

তিনি বলেন, “ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্টের মতো ড্রাকোনিয়ান আইন সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাকে স্তব্ধ করে দিয়েছে। সাংবাদিকরা প্রতিনিয়ত আতঙ্কে থেকেছেন। গণমাধ্যমকে ভয়াবহ অন্ধকারে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল।”

বিবৃতিতে তারেক রহমান আরও বলেন, “৫ আগস্ট ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পর কিছুটা স্বাধীনতা ফিরেছে ঠিকই, তবে এখনও গণমাধ্যম পুরোপুরি মুক্ত নয়। আমি দৃঢ়ভাবে বলছি, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত না হলে গণতন্ত্র কখনও নিরাপদ ও টেকসই হবে না।”